Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বাহারি কম্বল এসে যাওয়ায় লেপের ব্যবহার কমছে, আক্ষেপ কারিগরদের

লাল কাপড়ের মধ্যে তুলো ভরা। ঠান্ডা থেকে বাঁচতে আগে এই লেপ ছিল অন্যতম ভরসা। শীতের দুপুরে ছাদ হোক বা বারান্দা, জানালা দিয়ে উঁকি দিলে দেখা যেত, আশপাশের বাড়িতে মাদুরে বিছিয়ে রোদ পোহানো হচ্ছে লেপকে।

বাহারি কম্বল এসে যাওয়ায় লেপের ব্যবহার কমছে, আক্ষেপ কারিগরদের
  • ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: লাল কাপড়ের মধ্যে তুলো ভরা। ঠান্ডা থেকে বাঁচতে আগে এই লেপ ছিল অন্যতম ভরসা। শীতের দুপুরে ছাদ হোক বা বারান্দা, জানালা দিয়ে উঁকি দিলে দেখা যেত, আশপাশের বাড়িতে মাদুরে বিছিয়ে রোদ পোহানো হচ্ছে লেপকে। অনেকে আবার শীত এলেই পুরনো লেপ নতুন করে বানাতেন। কিন্তু এই ছবি এখন স্মৃতির পর্যায়ে চলে গিয়েছে।

Advertisement

আধুনিক জীবন বদলে দিয়েছে পুরনো অনেক অভ্যাস। ফোমের কম্বল, মোলায়েম ব্ল্যাঙ্কেট বাজার ছেয়েছে। শীত এলেই বিভিন্ন এলাকায় এসবের দোকান খুলছেন ব্যবসায়ীরা। সেসব কিনতে ভিড় করছেন ক্রেতারা। ফলে সাবেকি লেপের কদর কমে গিয়েছে।

আক্ষেপের সুরে একথা জানালেন লেপ, তোষক তৈরির কারিগররা। সোনারপুরের মহম্মদ আজিম, মহম্মদ মোস্তাকিন কিংবা কামালউদ্দিন। সবারই এখন একটাই কথা। কেউ আর লেপ বানানোর আগ্রহ দেখান না। সারাদিন ঘুরে ঘুরে তোষক বা বালিশ বানানোর বরাত মেলে মাত্র। মহম্মদ আজিম বলেন, আমি সোনারপুরে ৩০ বছর ধরে আছি। প্রতি বছর একটা হলেও লেপ বানিয়েছি। কিন্তু এ বছর যেন কেউই তা বানাতে আগ্রহী নন। এখন যেসব কম্বল বেরিয়েছে, সেগুলি সহজেই ধুয়ে নেওয়া যায়। কিন্তু লেপ নোংরা হলে জল দেওয়া যায় না। তাই হয়তো মানুষ ঝুটঝামেলা নিতে চায় না। আগামী প্রজন্ম হয়তো লেপ জিনিসটা কী, সেটাই জানবেই না!  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ