নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা আই তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পে কি কিছুটা হলেও ধাক্কা আসতে চলেছে এদেশে? এমনই ইঙ্গিত দিল আন্তর্জাতিক ক্রেডিট রেটিং সংস্থা ক্রিসিল। তাদের দাবি, বিগত কয়েকবছরে এদেশে যে হারে অফিস স্পেস লিজ দেওয়ার বহর বেড়েছে, তা সামান্য হলেও ধাক্কা খাবে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের মধ্যে। তার অন্যতম কারণ তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের অফিস চালানোর জন্য লিজে জায়গা নেওয়ার ঘাটতি।
ক্রিসিলের দাবি, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে যে টালমাটাল অবস্থা চলছে, তার জেরে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্প কিছুটা চাপে আছে। এরই সঙ্গে কৃত্রিম মেধা এই শিল্পে কর্মী সংকোচনের পথে নিয়ে যাচ্ছে। নতুন করে ব্যবসার বহর বাড়ানোর তাগিদও কম। তাই নতুন করে অফিস স্পেস লিজ নেওয়ার হার তাদের তরফে কম। তার প্রভাব সামগ্রিকভাবে পড়বে বাণিজ্যিক কাজে এলাকা বা অফিস লিজ নেওয়ার ক্ষেত্রে। ক্রিসিল মনে করছে, এবার সবধরনের শিল্প সংস্থার তরফে সবচেয়ে ভালো অর্থাৎ প্রিমিয়াম ক্যাটিগরির জায়গা লিজ নেওয়ার হার ৭ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। কিন্তু তা আরো বাড়তে পারত তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে এই টালবাহানা না থাকলে।
ক্রেডিট রেটিং সংস্থাটির দাবি, সবচেয়ে বেশি অফিস লিজ ব্যবসা মার খেতে চলেছে মুম্বই ও ন্যাশনাল ক্যাপিটাল রিজিয়নে (এনসিআর)। মোট অফিস লিজের ১ তৃতীয়াংশ এখানেই মেলে। এখানে গতবারের তুলনায় ১ শতাংশ কমবে বৃদ্ধির হার। চেন্নাই, হায়দরাবাদ এবং বেঙ্গালুরু মিলিয়ে অফিস লিজ দেওয়ার ব্যবসা বৃদ্ধির হার কমতে পারে গত অর্থবর্ষের তুলনায় ০.৫ শতাংশ। পশ্চিমবঙ্গসহ পূর্বাঞ্চলে তা কতটা ধাক্কা খেতে পারে, সেই বিষয়ে অবশ্য আলোকপাত করেনি ক্রিসিল। তবে তাদের ব্যাখ্যা, তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে এই সংকট সাময়িক। এটি আগামী দিনে কেটেও যাবে।