নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: কর্মী পিএফের (ইপিএফ) অ্যাকাউন্ট থেকে কোন শর্তে কত টাকা তোলা যাবে, তা নিয়ে ইতিমধ্যে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে শ্রমমন্ত্রক। তার পরেও এনিয়ে বিভ্রান্তি কাটছে না ইপিএফ গ্রাহকদের একটি বড়ো অংশেরই। সরকারি সূত্রে খবর, এব্যাপারে জানতে চেয়ে নিয়মিতভাবে কর্মচারী ভবিষ্যনিধি সংগঠনের বিভিন্ন আঞ্চলিক কার্যালয়ে যোগাযোগ করছেন ইপিএফ গ্রাহকদের একটি অংশ। তাই এব্যাপারে প্রচারমূলক সচেতনতা শিবির আয়োজনের কথা চিন্তাভাবনা করছে শ্রমমন্ত্রক। কোন পরিস্থিতিতে গ্রাহকরা নিজের ইপিএফ অ্যাকাউন্ট থেকে কত টাকা তুলতে পারবেন, প্রধানত সেই বিষয়েই প্রচার করবে ইপিএফও।
ইপিএফও অছি পরিষদের বৈঠকেই সিদ্ধান্ত হয়েছে, গ্রাহকরা তাঁর ইপিএফ অ্যাকাউন্ট থেকে সর্বোচ্চ ৭৫ শতাংশ টাকা তুলে নিতে পারবেন। তবে তাঁকে ন্যূনতম ১২ মাস ইপিএফও সদস্য থাকতে হবে। টাকা তোলার ক্ষেত্রে মোট তিনটি ক্যাটিগরি ভাগ করেছে ইপিএফও। প্রথমটিতে রয়েছে ‘এসেনসিয়াল নিডস’ বা জরুরি প্রয়োজন। এক্ষেত্রে অসুস্থতা, শিক্ষা এবং বিবাহকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অসুস্থতার ক্ষেত্রে সদস্যপদ থাকাকালীন যতবার খুশি, শিক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে সর্বোচ্চ ১০ বার এবং বিবাহের ক্ষেত্রে সর্বাধিক পাঁচ বার পর্যন্ত টাকা তোলার কথা জানিয়েছে ইপিএফও। প্রতিটিই গ্রাহকের নিজের এবং তাঁর আওতাভুক্ত পরিবারের সদস্যদের জন্য প্রযোজ্য। দ্বিতীয় ক্যাটিগরিতে ঘরবাড়ি সংক্রান্ত বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ইপিএফও জানিয়েছে, কোনো গ্রাহক ফ্ল্যাট-বাড়ি, জমি কেনা, বাড়ি তৈরি, গৃহ ঋণের কিস্তি প্রদান এবং সংস্কারমূলক কাজের জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ বার কর্মী পিএফের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলতে পারবেন। তৃতীয় ক্যাটিগরিতে রাখা হয়েছে ‘স্পেশাল সারকামস্টানসেস’ বা বিশেষ প্রয়োজনকে। এই ক্যাটিগরিতে টাকা তুলতে গ্রাহককে কোনো নির্দিষ্ট কারণ দর্শাতে হবে না। একটি আর্থিক বছরে সর্বাধিক দু’বার এই ক্যাটিগরিতে টাকা তুলতে পারবেন একজন ইপিএফ গ্রাহক। শিবিরের মাধ্যমে এবিষয়েই গ্রাহকদের সচেতন করবে কেন্দ্র।