নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: উৎসব শেষ। তারপরেও আরামবাগ শহরে ঢোকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য সড়ক সংস্কার হল না। খানাখন্দে ভরা রাস্তায় চলাচলে সমস্যায় পড়ছেন বাসিন্দারা। একইসঙ্গে ধুলোঝড়েও জেরবার হয়ে যাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দা থেকে পথচারীরা। তাই দ্রুত রাস্তা নির্মাণের দাবিতে তাঁরা সরব হয়েছেন।
Advertisement
আরামবাগ পুরসভার চেয়ারম্যান সমীর ভাণ্ডারী বলেন, রাস্তাটি মেরামতির জন্য আমরা ইতিমধ্যেই পূর্তদপ্তরকে জানিয়েছি। প্রশাসনকে বিষয়টি ফের জানাব।
পূর্তদপ্তরের আরামবাগের এক ইঞ্জিনিয়ার বলেন, ২৪ নম্বর রুটের বড় অংশে নির্মাণ কাজ ইতিমধ্যেই হয়েছে। গির্জাতলা থেকে আরামবাগ শহরের দিকে রাস্তার অংশ নির্মাণ কাজ দ্রুত শুরু করা হবে। ধুলো ওড়া রুখতে মাঝে মাঝে জল ছড়ানো হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আরামবাগ থেকে বন্দর পর্যন্ত ২৪ নম্বর রুট নতুন করে নির্মাণকাজ করছে পূর্তদপ্তর(সড়ক)। ইতিমধ্যেই বন্দর এলাকা থেকে রাস্তাটি পেভার ব্লক দিয়ে করা হচ্ছে। কিন্তু, বর্তমানে আরামবাগ শহরে ঢোকার রাস্তার একাংশ অত্যন্ত বেহাল হয়ে পড়ায় যাতায়াতে চরম সমস্যা হচ্ছে। তারসঙ্গে বাস বা লরি যাতায়াত করলে রাস্তায় কার্যত ধুলো ঝড় উঠছে। তাতেও বিপাকে পড়তে হচ্ছে বাসিন্দাদের। সমস্যায় পড়ছেন সাইকেল, বাইক চালকদের পাশাপাশি পথচারীরাও।
উল্লেখ্য, দুর্গাপুজোর আগে থেকেই রাস্তাটি চরম বেহাল হয়ে রয়েছে। পুজোর সময় তাপ্পি মেরে চলাচলের যোগ্য করা হয়। এরপর একাধিক উৎসব পেরলেও রাস্তার ওই অংশ মেরামত করা হয়নি। আরামবাগ শহরের গৌরহাটি মোড়, মনসাতলা প্রভৃতি এলাকায় বিভিন্ন সময় রাস্তার বেহাল দশার জন্য ধুলো উড়তে দেখা যাচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মানব নন্দী, দুলাল রায় বলেন, আমরা নিত্যদিন ওই রাস্তায় যাতায়াত করি। কিন্তু রাস্তার বেহাল অংশ দিয়ে চলাচল করতে খুব দুর্ভোগের মধ্যে পড়তে হচ্ছে। দ্রুত রাস্তা মেরামতি না হলে আগামী দিনে দুর্ভোগ আরও বাড়বে। তাই প্রশাসন যেন এব্যাপারে নজর দেয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আরামবাগ থেকে ওই রাস্তা খানাকুলের বন্দর পর্যন্ত গিয়েছে। এই রাস্তার উপর একাধিক স্কুল সহ নানা সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও রয়েছে। বন্দর এলাকা থেকে বহু রোগীকেও আরামবাগে এই রাস্তা দিয়ে নিয়ে আসতে হয়। ফলে রাস্তাটির দ্রুত সংস্কার প্রয়োজন।
পূর্তদপ্তরের আরামবাগের এক ইঞ্জিনিয়ার বলেন, ২৪ নম্বর রুটের বড় অংশে নির্মাণ কাজ ইতিমধ্যেই হয়েছে। গির্জাতলা থেকে আরামবাগ শহরের দিকে রাস্তার অংশ নির্মাণ কাজ দ্রুত শুরু করা হবে। ধুলো ওড়া রুখতে মাঝে মাঝে জল ছড়ানো হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আরামবাগ থেকে বন্দর পর্যন্ত ২৪ নম্বর রুট নতুন করে নির্মাণকাজ করছে পূর্তদপ্তর(সড়ক)। ইতিমধ্যেই বন্দর এলাকা থেকে রাস্তাটি পেভার ব্লক দিয়ে করা হচ্ছে। কিন্তু, বর্তমানে আরামবাগ শহরে ঢোকার রাস্তার একাংশ অত্যন্ত বেহাল হয়ে পড়ায় যাতায়াতে চরম সমস্যা হচ্ছে। তারসঙ্গে বাস বা লরি যাতায়াত করলে রাস্তায় কার্যত ধুলো ঝড় উঠছে। তাতেও বিপাকে পড়তে হচ্ছে বাসিন্দাদের। সমস্যায় পড়ছেন সাইকেল, বাইক চালকদের পাশাপাশি পথচারীরাও।
উল্লেখ্য, দুর্গাপুজোর আগে থেকেই রাস্তাটি চরম বেহাল হয়ে রয়েছে। পুজোর সময় তাপ্পি মেরে চলাচলের যোগ্য করা হয়। এরপর একাধিক উৎসব পেরলেও রাস্তার ওই অংশ মেরামত করা হয়নি। আরামবাগ শহরের গৌরহাটি মোড়, মনসাতলা প্রভৃতি এলাকায় বিভিন্ন সময় রাস্তার বেহাল দশার জন্য ধুলো উড়তে দেখা যাচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মানব নন্দী, দুলাল রায় বলেন, আমরা নিত্যদিন ওই রাস্তায় যাতায়াত করি। কিন্তু রাস্তার বেহাল অংশ দিয়ে চলাচল করতে খুব দুর্ভোগের মধ্যে পড়তে হচ্ছে। দ্রুত রাস্তা মেরামতি না হলে আগামী দিনে দুর্ভোগ আরও বাড়বে। তাই প্রশাসন যেন এব্যাপারে নজর দেয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আরামবাগ থেকে ওই রাস্তা খানাকুলের বন্দর পর্যন্ত গিয়েছে। এই রাস্তার উপর একাধিক স্কুল সহ নানা সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও রয়েছে। বন্দর এলাকা থেকে বহু রোগীকেও আরামবাগে এই রাস্তা দিয়ে নিয়ে আসতে হয়। ফলে রাস্তাটির দ্রুত সংস্কার প্রয়োজন।



