নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: উৎসব মিটলেও আরামবাগ শহরে রাস্তা আটকে বহু বিজ্ঞাপনী তোরণ দাঁড়িয়ে রয়েছে। নির্দিষ্ট সময় পরেও তা খোলা হয়নি। এমনকী তা লাগানোর জন্য অনুমতিও নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। তাই আরামবাগ পুরসভা ও পুলিস আসরে নামল। সোমবার আরামবাগ শহরের লিঙ্ক রোডে থাকা বিজ্ঞাপন দেওয়া একাধিক গেট খোলা হয়। আগামী দিনে বিজ্ঞাপন দেওয়া গেট ব্যবহারে পুরসভার অনুমতি না নিলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে প্রশাসন।
Advertisement
পুরসভার চেয়ারম্যান সমীর ভাণ্ডারী বলেন, পুরসভার অনুমোদন না নিয়েও বহু ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিয়ে গেট করা হয়েছিল। সেগুলি পুজোর পরেও খোলা হয়নি। পুরসভা নিয়মিত রাস্তায় জঞ্জাল সাফাই করে। অথচ সেই রাস্তার উপরেই বিনা অনুমতিতে গেটগুলি করা হয়েছিল। তাই এদিন পুলিসকে সঙ্গে নিয়ে কয়েকটি গেট খুলে দেওয়া হয়। তারপর অবশ্য সংশ্লিষ্ট কয়েকটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান জানায় তারা একদিনের মধ্যে নিজেদের হোর্ডিং খুলে নেবে। তিনি আরও বলেন, এরপর থেকে হোর্ডিং লাগাতে পুরসভার কাছে আবেদন করতে হবে। তারপর খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরামবাগের এসডিপিও সুপ্রভাত চক্রবর্তী বলেন, শহরের রাস্তায় একাধিক হোর্ডিং ও গেট ছিল। তারফলে যান চলাচলে সমস্যা হচ্ছিল। শহরের বাসিন্দারা নানা সমস্যায় পড়ছিলেন। তাই এদিন পুরসভা ও পুলিস যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে বিজ্ঞাপন দেওয়া কয়েকটি হোর্ডিং খুলে নেয়। আগামী দিনে কেউ অমুমতি ছাড়া বিজ্ঞাপনের হোর্ডিং বা গেট বসালে পুরসভার অভিযোগের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, দুর্গাপুজোর সময় থেকে আরামবাগ কলকাতা রাজ্য সড়কে লিঙ্ক রোডের উপর বেশ কয়েকটি বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের গেট লাগানো হয়। পরে ঘূর্ণিঝড় ‘ডানা’-র প্রভাবের আগে তা খুলে নেওয়া হয়। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে ফের সেগুলি লাগায় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলি। জগদ্ধাত্রী পুজো কেটে গেলেও সেইসব বিজ্ঞাপন দেওয়া গেটগুলি রাস্তাতেই ছিল। একইভাবে আরামবাগ শহরের গৌরহাটি মোড় থেকে পুরাতন বাজারের রাস্তাতেও সারিবদ্ধভাবে বহু বিজ্ঞাপনী গেট করা হয়। অভিযোগ, সেগুলি রাস্তার উপরেই একাংশ দখল করে বাঁশ দিয়ে তৈরি হয়। তাতে রাস্তা কিছুটা সংকীর্ণ হয়। এমনিতেই আরামবাগ শহরে যানজটের সমস্যা দীর্ঘদিন ধরেই রয়েছে। ফলে বিজ্ঞাপনী গেটগুলির জন্যও দিনের অফিস টাইমে যানজট হতে দেখা যায়। এদিন সেইসব বিজ্ঞাপন দেওয়া গেট খুলে দিতে অভিযান চালায় পুরসভা।
আরামবাগের এসডিপিও সুপ্রভাত চক্রবর্তী বলেন, শহরের রাস্তায় একাধিক হোর্ডিং ও গেট ছিল। তারফলে যান চলাচলে সমস্যা হচ্ছিল। শহরের বাসিন্দারা নানা সমস্যায় পড়ছিলেন। তাই এদিন পুরসভা ও পুলিস যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে বিজ্ঞাপন দেওয়া কয়েকটি হোর্ডিং খুলে নেয়। আগামী দিনে কেউ অমুমতি ছাড়া বিজ্ঞাপনের হোর্ডিং বা গেট বসালে পুরসভার অভিযোগের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, দুর্গাপুজোর সময় থেকে আরামবাগ কলকাতা রাজ্য সড়কে লিঙ্ক রোডের উপর বেশ কয়েকটি বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের গেট লাগানো হয়। পরে ঘূর্ণিঝড় ‘ডানা’-র প্রভাবের আগে তা খুলে নেওয়া হয়। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে ফের সেগুলি লাগায় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলি। জগদ্ধাত্রী পুজো কেটে গেলেও সেইসব বিজ্ঞাপন দেওয়া গেটগুলি রাস্তাতেই ছিল। একইভাবে আরামবাগ শহরের গৌরহাটি মোড় থেকে পুরাতন বাজারের রাস্তাতেও সারিবদ্ধভাবে বহু বিজ্ঞাপনী গেট করা হয়। অভিযোগ, সেগুলি রাস্তার উপরেই একাংশ দখল করে বাঁশ দিয়ে তৈরি হয়। তাতে রাস্তা কিছুটা সংকীর্ণ হয়। এমনিতেই আরামবাগ শহরে যানজটের সমস্যা দীর্ঘদিন ধরেই রয়েছে। ফলে বিজ্ঞাপনী গেটগুলির জন্যও দিনের অফিস টাইমে যানজট হতে দেখা যায়। এদিন সেইসব বিজ্ঞাপন দেওয়া গেট খুলে দিতে অভিযান চালায় পুরসভা।



