সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: কুশমণ্ডিতে দীর্ঘদিন থেকে বন্ধ হয়ে থাকা উৎসব ভবন চালু করতে একাধিক পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজ শুরু করল জেলা পরিষদ। কুশমণ্ডি চৌপথীর পাশে জেলা পরিষদ মার্কেট কমপ্লেক্সের উপর তলায় তৈরি হয়ে পড়ে রয়েছে জেলা পরিষদের উৎসব ভবন। ব্লকের বাসিন্দাদের সুবিধার্থে সামাজিক অনুষ্ঠান, মিটিংয়ের জন্য উৎসব ভবনটি তৈরি হয়। জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৩-২৪ আর্থিক বছরে রাজ্য সরকারের পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের প্রায় ১০ লক্ষ টাকা বরাদ্দে পরিকাঠামোর কাজ শুরু হয়েছে। কালিয়াগঞ্জ-কুশমণ্ডি রাজ্য সড়কের পাশে উৎসব ভবনের ফাঁকা জায়গাতে তৈরি হচ্ছে ভবনের পার্কিং জোন। ভবনে প্রবেশের জন্য দুটি গেট তৈরি হচ্ছে। নিকাশিনালার কাজ হচ্ছে।
Advertisement
২০২৩ সালের ডিসেম্বরে উৎসব ভবনটি চালু হওয়ার কয়েকমাস পর নানা সমস্যায় ধুঁকতে থাকে। বর্তমানে পরিকাঠামোগত সমস্যার কারণে জেলা পরিষদ ভবনের বুকিং বন্ধ রেখেছে। পানীয় জলের সমস্যা ও জল নিকাশি থেকে শুরু করে পার্কিংয়ের ব্যবস্থা না থাকায় উৎসব ভবন থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে শুরু করেছেন বাসিন্দারা। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পরিষদের সহ সভাধিপতি অম্বরিশ সরকারের উদ্যোগে পুনরায় উৎসব ভবন নতুন রূপে সাজিয়ে জনগণের জন্য খুলে দেওয়া হবে।
সহ সভাধিপতি বলেন, উৎসব ভবন পরিদর্শন করেছেন ইঞ্জিনিয়ার। জলের মোটর ও নিকাশির কাজ হয়েছে। বর্তমানে পার্কিং জোন ও বড় গেটের কাজ হচ্ছে।
কুশমণ্ডির স্থানীয় বাসিন্দা দিবাকর সাহা বলেন, উৎসব ভবন অনেকটা বড়। সামাজিক অনুষ্ঠান পরিচালনার জন্য ভীষণ উপযোগী। কিন্তু একদিনের জন্য ১০ হাজার টাকা ও পরিষ্কার করার জন্য সরকারিভাবে টাকা নেওয়া হয়। যা অনেক বেশি। বিদ্যুতের ব্যবস্থা থাকলেও জেলা পরিষদের তরফে জেনারেটরের ব্যবস্থা নেই।
সহ সভাধিপতি বলেন, উৎসব ভবন পরিদর্শন করেছেন ইঞ্জিনিয়ার। জলের মোটর ও নিকাশির কাজ হয়েছে। বর্তমানে পার্কিং জোন ও বড় গেটের কাজ হচ্ছে।
কুশমণ্ডির স্থানীয় বাসিন্দা দিবাকর সাহা বলেন, উৎসব ভবন অনেকটা বড়। সামাজিক অনুষ্ঠান পরিচালনার জন্য ভীষণ উপযোগী। কিন্তু একদিনের জন্য ১০ হাজার টাকা ও পরিষ্কার করার জন্য সরকারিভাবে টাকা নেওয়া হয়। যা অনেক বেশি। বিদ্যুতের ব্যবস্থা থাকলেও জেলা পরিষদের তরফে জেনারেটরের ব্যবস্থা নেই।



