নয়াদিল্লি: টের পায়নি কাক-পক্ষীও। একেবারে নিখুঁত মিসাইল হামলা। ইরাকে মার্কিন এয়ারস্ট্রাইকে খতম জঙ্গি সংগঠন আইএস-এর গ্লোবাল অপারেশন হেড তথা সেকেন্ড-ইন-কমান্ড। আমেরিকার দাবি, আবদুল্লা মাক্কি মুসলি আল-রিফাই ওরফে আবু খাদিজাকে নিকেশের এই অভিযানে তাদের সাহায্য করেছে ইরাকের গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা বাহিনীও। মার্কিন সেনা আধিকারিকরা জানিয়েছেন, ইরাকের আল আনবার প্রদেশে গত ১৩ মার্চ চালানো এই এয়ারস্ট্রাইকে আবু খাদিজার সঙ্গেই খতম হয়েছে আইএস-এর আরও এক জঙ্গি। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে খাজিদার নাম নিষিদ্ধ জঙ্গির তালিকায় তুলেছিল আমেরিকা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে লিখেছেন, ইরাকে আইএস-এর ফেরার নেতা খতম।
মার্কিন সেনাকর্তাদের দাবি, বিশ্বজুড়ে আইএস-এর জন্য রসদ সংগ্রহ, সংগঠনের আর্থিক পরিচালনা ও পরিকল্পনার দায়িত্বে ছিলেন আবু খাদিজা। মিসাইল হামলার পর মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ও ইরাকি বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছনোর পর খাদিজা ও অন্য এক আইএস জঙ্গির মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করে। দু’জনের শরীরেই আত্মঘাতী বিস্ফোরণের পোশাক ছিল। সঙ্গে ছিল অস্ত্রশস্ত্র। পরে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে খাদিজার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। অতীত অপারেশনে নাগালে এসেও মার্কিন বাহিনীর হাত ফস্কে বেরিয়ে গিয়েছিলেন আইএস-এর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা। তবে সেই সময় তাঁর কিছু ডিএনএ নমুনা সংরক্ষণ করা হয়েছিল।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আইএস-এর বিশ্বব্যাপী সংগঠনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা ছিলেন আবু খাদিজা। আমাদের মাতৃভূমি ও সহযোগীদের জন্য বিপজ্জনক জঙ্গিদেন নিধন ও তাদের সংগঠন গুঁড়িয়ে দেওয়ার কাজ জারি থাকবে। অন্যদিকে, খাদিজাকে নিধনের এই অপারেশনকে স্বাগত জানিয়েছেন ইরাকের প্রধানমন্ত্রী মহম্মদ শিয়া আল-সুদানি। এক্স হ্যান্ডলে তিনি খাদিজাকে ইরাক তথা বিশ্বের অন্যতম ভয়ানক জঙ্গি বলে বর্ণনা করেন।