নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: লাগাতার আন্দোলনেও প্রত্যাহার হয়নি রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের অশিক্ষক কর্মী তপন নাগের সাসপেনশন। এমন অবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরে ডামাডোল অব্যাহত। বর্তমান উপাচার্য দীপক কুমার রায়ের বিরুদ্ধে আরও আক্রমণাত্মক বিশ্ববিদ্যালয়ের অশিক্ষক কর্মীদের সংগঠন।
Advertisement
তৃণমূল শিক্ষাবন্ধু সমিতি রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক সুবীর চক্রবর্তী মঙ্গলবার একগুচ্ছ অভিযোগে সরব হন উপাচার্যের বিরুদ্ধে। তার মধ্যে অন্যতম বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার থেকে শুরু করে শিক্ষক, ছাত্র, অশিক্ষক কর্মীরা কিছুদিন আগে একটি রেজ্যুলিউশনে স্বাক্ষর করেছিল তপনবাবুর সাসপেনশন প্রত্যাহারের ব্যাপারে। কিন্তু সর্ববসম্মতি ক্রমে নেওয়া সেই রেজ্যুলিউশন অগ্রাহ্য করেছেন উপাচার্য।
এমনকী উচ্চ শিক্ষাদপ্তরে বিষয়টি নিয়ে জানানো হলে, এব্যাপারেও উপাচার্যের ভূমিকা যথেষ্ট ঘোরালো। তাঁদের আরও অভিযোগ, বর্তমান উপাচার্য ২০১৮ সালে ডিন থাকাকালীন বিনা টেন্ডারে ৪ লক্ষ ৯৩ হাজার টাকার একটি বিল পেমেন্ট করেছিলেন। এটা কোন নিয়মে হল এবং ক্যাগ রিপোর্টে কেন তাঁর নাম এল না, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সংগঠনের ওই নেতা।
যদিও এব্যাপারে উপাচার্য দীপক কুমার রায় বলেন, সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন। এসবের কোনও সারবত্তা নেই। এদিকে, এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাসপেন্ডেড কর্মী তপন নাগ দাবি করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরে উপাচার্য লাগাতার রাজনীতি করে চলেছেন। যে বা যাঁরা তাঁর বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন, তৃণমূল সংগঠন করেন, তাঁদের বিরুদ্ধে বেছে বেছে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এই কারণে আমিও সাসপেন্ড হয়েছি। লাগাতার আন্দোলন চালানো হলেও আমার দাবিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না।
এমনকী উচ্চ শিক্ষাদপ্তরে বিষয়টি নিয়ে জানানো হলে, এব্যাপারেও উপাচার্যের ভূমিকা যথেষ্ট ঘোরালো। তাঁদের আরও অভিযোগ, বর্তমান উপাচার্য ২০১৮ সালে ডিন থাকাকালীন বিনা টেন্ডারে ৪ লক্ষ ৯৩ হাজার টাকার একটি বিল পেমেন্ট করেছিলেন। এটা কোন নিয়মে হল এবং ক্যাগ রিপোর্টে কেন তাঁর নাম এল না, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সংগঠনের ওই নেতা।
যদিও এব্যাপারে উপাচার্য দীপক কুমার রায় বলেন, সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন। এসবের কোনও সারবত্তা নেই। এদিকে, এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাসপেন্ডেড কর্মী তপন নাগ দাবি করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরে উপাচার্য লাগাতার রাজনীতি করে চলেছেন। যে বা যাঁরা তাঁর বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন, তৃণমূল সংগঠন করেন, তাঁদের বিরুদ্ধে বেছে বেছে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এই কারণে আমিও সাসপেন্ড হয়েছি। লাগাতার আন্দোলন চালানো হলেও আমার দাবিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না।



