নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে ফের রাজ্যের নিশানায় রাজভবন। এবার রাজ্যপালের বিরুদ্ধে সময়ের মধ্যে উপাচার্য নিয়োগের চিঠিতে সই না করার অভিযোগ আনলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। শুক্রবার বি আর আম্বেদকরের মৃত্যুদিবসে তাঁর মূর্তিতে মালা দিতে গিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী। সেখানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, উচ্চশিক্ষা দপ্তর উপাচার্য নিয়োগের ক্ষেত্রে নোডাল এজেন্সি। সেই সূত্রে তিনি জানতে পেরেছেন, মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর থেকে সই হয়ে আসা ৩৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদপ্রার্থীদের নাম ইতিমধ্যেই রাজভবনে গিয়েছে। সাতদিনের মধ্যে তা সই করে রাজভবনের ফেরত পাঠানোর কথা। তবে, তা পেরিয়ে গেলেও সেগুলি রাজভবন থেকে আসেনি। শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য, বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতির তত্ত্বাবধানে হচ্ছে। তাই তাঁর প্রতি আস্থা রেখে এর বেশি কিছু বলতে চাই না। বিশেষ সূত্রে খবর, সরাসরি সেই বিচারপতির কাছেও নামগুলি পাঠিয়ে থাকতে পারেন রাজ্যপাল। শুধু উপাচার্য নিয়োগে গড়িমসির অভিযোগ নয়, ইউজিসির নয়া নিয়মাবলীকে ফের সমালোচনা করেছেন ব্রাত্য। তাঁর কথায়, নয়া নিয়মে উচ্চশিক্ষার বিন্যাস ভেঙে পড়বে। এতে উৎসাহ পাবে বেসরকারি শিক্ষার প্রতি ঝোঁক। আসলে, কেন্দ্রীয় সরকার এ ধরনের নীতি তৈরি করে সাধারণ ছাত্রছাত্রীর সাধ্যের বাইরে উচ্চশিক্ষাকে নিয়ে যেতে চাইছে।



