সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার ও ময়নাগুড়ি: উত্তরের দুই প্রাচীন শিবমন্দিরে শিবের মাথায় দুধ-জল-ঘি ঢালতে বুধবার শিবচতুর্দশীতে উপচে পড়ল ভিড়। কুম্ভ বিপর্যয়ের কথা মাথায় রেখে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ছিল কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। শৈবতীর্থ ময়নাগুড়ির জল্পেশে পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তায় প্রচুর পুলিস মোতায়েন করা হয়েছে। ভারত-ভুটান সীমান্তে মহাকাল গুহায় শিবের মাথায় জল ঢালতে মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকেই পুণ্যার্থীরা রওনা হন। বুধবার সকাল থেকে হাজার হাজার ভক্তের ভিড় আছড়ে পড়ে মহাকাল গুহায়। মোতায়েন করা হয় প্রচুর পুলিস। পর্যটন কেন্দ্র জয়ন্তীর পরে জোড়া পাহাড় থেকে এক কিমি খাড়া পাহাড়ি পাকদণ্ডি বেয়ে রীতিমতো হামাগুড়ি দিয়ে মহাকাল পৌঁছন পুণ্যার্থীরা। আজ, বৃহস্পতিবারও পুণ্যার্থীদের ভিড় থাকে মহাকালের গুহায়।
Advertisement
পুণ্যার্থীদের কথা ভেবে জয়ন্তী থেকে জোড়া পাহাড় পর্যন্ত যাওয়া আসার জন্য আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদ এবারই প্রথম জয়ন্তী নদীর চরে দু’লেন সড়ক তৈরি করে দিয়েছে। কুম্ভের বিপর্যয়ের কথা মাথায় রেখে ২৪ ঘণ্টা নজরদারির জন্য জয়ন্তী-জোড়া পাহাড় রাস্তায় সাতটি পুলিস ক্যাম্প বসানো হয়েছে। দুর্ঘটনা এড়াতে জেলা পুলিস প্রায় ৩০০ কর্মী মোতায়েন করেছে মহাকাল যাওয়ার রাস্তায়। বিপর্যয় সামাল দিতে মোতায়েন করা হয়েছে ৫০ জন বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের কর্মীকেও। প্রস্তুত রাখা হয়েছে স্বাস্থ্যদপ্তরের টিম ও অ্যাম্বুলেন্স। জয়ন্তী ও মহাকালে মোবাইলে নেটওয়ার্ক পাওয়া যায় না। তাই পুলিস ও প্রশাসনের লোকজন স্যাটেলাইট ফোন ব্যবহার করছে। প্রস্তুত রাখা হয়েছে ক্যুইক রেসপন্স টিমকে। রাজাভাতখাওয়া-জয়ন্তী ১৬ কিমি জঙ্গলপথে টহল দিচ্ছে বনকর্মীদের স্পেশাল টিমও।
মহাকালে নজরদারিতে জেলা পুলিসের সঙ্গে রয়েছে ভুটান পুলিসও। শিবরাত্রি উপলক্ষ্যে জয়ন্তীতে বুধবার থেকে মেলাও বসেছে। জয়ন্তী নদীর চরে তাঁবু ফেলেছেন পুণ্যার্থীরা। সেখানে ভাণ্ডারার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বুধবার বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যাতেও জয়ন্তীর রাস্তায় পুণ্যার্থীদের ঢল নামে। শিবরাত্রি উপলক্ষ্যে জয়ন্তী রুটে ১৫টি বিশেষ বাস চালাচ্ছে এনবিএসটিসি। আজ, বৃহস্পতিবারও মহাকালে শিবরাত্রি ব্রত উৎসব চলবে। আলিপুরদুয়ারের পুলিস সুপার ওয়াই রঘুবংশী বলেন, শিবরাত্রির জন্য জয়ন্তী মহাকাল যাওয়ার পথে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আঁটোসাঁটো করা হয়েছে।
এদিন থেকেই শৈবতীর্থ জল্পেশে শুরু হয়েছে উত্তরের ঐতিহ্যবাহী শতবর্ষ পুরনো জল্পেশ মেলা। এই মেলা আগামী ১০ দিন চলবে। এবার ‘প্লাস্টিক মুক্ত মেলা’ করার উদ্যোগ নিয়েছে জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদ। তাই মেলায় যেসব ডাস্টবিন রাখা হয়েছে সেগুলি কংক্রিটের করা হয়েছে। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবছর মেলার মাঠে স্টলের সংখ্যাও বেড়েছে। সকাল থেকে ভক্তরা মন্দিরে আসতে শুরু করেন। বেলা যত গড়ায় ভক্তের ভিড়ে তিলধারণের জায়গা পাওয়া যায়নি। এদিনই জলপাইগুড়ির জেলাশাসক শমা পরভীন মেলা চত্বর ঘুরে দেখেন। পুণ্যার্থীদের সঙ্গে কথাও বলেন তিনি।
মন্দির এবং মেলা মাঠে আসা পুণ্যার্থীদের যাবতীয় নিরাপত্তায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবরকম ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভক্তরা লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে সুশৃঙ্খলভাবে মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রবেশ করেন। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্ঝাঞ্ঝাটে পুজো দিয়ে খুশি ভক্তরাও। মন্দির কমিটি সূত্রে জানা গিয়েছে, এবছর ১৫০০ স্টল রয়েছে মেলায়। ২৬ এবং ২৭ ফেব্রুয়ারি দু’দিন ‘কুম্ভ যোগ’। জল্পেশ মন্দির সংলগ্ন পুকুরে তাই প্রয়াগরাজ থেকে আনা কুম্ভের জল মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাই ভক্তরা পুকুর থেকে জল সংগ্রহ করে নিয়ে যান এদিন।
ডিএম বলেন, মেলায় সকাল থেকেই ভিড়। আগামী ৭ মার্চ পর্যন্ত জল্পেশে মেলা চলবে। এবারের থিম ‘প্লাস্টিক মুক্ত মেলা’। জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদের তত্ত্বাবধানে মেলা চলছে। পুণ্যার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত জলের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। জলপাইগুড়ির পুলিস সুপার খণ্ডবাহলে উমেশ গণপত বলেন, সকলেই সুশৃঙ্খলভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে পুজো দিচ্ছেন। ভোর ৫টা থেকে মন্দির এবং মেলা মাঠে ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে। দর্শনার্থীদের নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় সবরকম ব্যবস্থাই আমরা নিয়েছি।
মহাকালে নজরদারিতে জেলা পুলিসের সঙ্গে রয়েছে ভুটান পুলিসও। শিবরাত্রি উপলক্ষ্যে জয়ন্তীতে বুধবার থেকে মেলাও বসেছে। জয়ন্তী নদীর চরে তাঁবু ফেলেছেন পুণ্যার্থীরা। সেখানে ভাণ্ডারার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বুধবার বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যাতেও জয়ন্তীর রাস্তায় পুণ্যার্থীদের ঢল নামে। শিবরাত্রি উপলক্ষ্যে জয়ন্তী রুটে ১৫টি বিশেষ বাস চালাচ্ছে এনবিএসটিসি। আজ, বৃহস্পতিবারও মহাকালে শিবরাত্রি ব্রত উৎসব চলবে। আলিপুরদুয়ারের পুলিস সুপার ওয়াই রঘুবংশী বলেন, শিবরাত্রির জন্য জয়ন্তী মহাকাল যাওয়ার পথে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আঁটোসাঁটো করা হয়েছে।
এদিন থেকেই শৈবতীর্থ জল্পেশে শুরু হয়েছে উত্তরের ঐতিহ্যবাহী শতবর্ষ পুরনো জল্পেশ মেলা। এই মেলা আগামী ১০ দিন চলবে। এবার ‘প্লাস্টিক মুক্ত মেলা’ করার উদ্যোগ নিয়েছে জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদ। তাই মেলায় যেসব ডাস্টবিন রাখা হয়েছে সেগুলি কংক্রিটের করা হয়েছে। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবছর মেলার মাঠে স্টলের সংখ্যাও বেড়েছে। সকাল থেকে ভক্তরা মন্দিরে আসতে শুরু করেন। বেলা যত গড়ায় ভক্তের ভিড়ে তিলধারণের জায়গা পাওয়া যায়নি। এদিনই জলপাইগুড়ির জেলাশাসক শমা পরভীন মেলা চত্বর ঘুরে দেখেন। পুণ্যার্থীদের সঙ্গে কথাও বলেন তিনি।
মন্দির এবং মেলা মাঠে আসা পুণ্যার্থীদের যাবতীয় নিরাপত্তায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবরকম ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভক্তরা লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে সুশৃঙ্খলভাবে মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রবেশ করেন। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্ঝাঞ্ঝাটে পুজো দিয়ে খুশি ভক্তরাও। মন্দির কমিটি সূত্রে জানা গিয়েছে, এবছর ১৫০০ স্টল রয়েছে মেলায়। ২৬ এবং ২৭ ফেব্রুয়ারি দু’দিন ‘কুম্ভ যোগ’। জল্পেশ মন্দির সংলগ্ন পুকুরে তাই প্রয়াগরাজ থেকে আনা কুম্ভের জল মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাই ভক্তরা পুকুর থেকে জল সংগ্রহ করে নিয়ে যান এদিন।
ডিএম বলেন, মেলায় সকাল থেকেই ভিড়। আগামী ৭ মার্চ পর্যন্ত জল্পেশে মেলা চলবে। এবারের থিম ‘প্লাস্টিক মুক্ত মেলা’। জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদের তত্ত্বাবধানে মেলা চলছে। পুণ্যার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত জলের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। জলপাইগুড়ির পুলিস সুপার খণ্ডবাহলে উমেশ গণপত বলেন, সকলেই সুশৃঙ্খলভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে পুজো দিচ্ছেন। ভোর ৫টা থেকে মন্দির এবং মেলা মাঠে ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে। দর্শনার্থীদের নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় সবরকম ব্যবস্থাই আমরা নিয়েছি।



