সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: পুরসভা অফিসে বারবার যোগাযোগ করেও বার্ধক্য ভাতার টাকা মিলছে না। কেন টাকা মিলছে না উপভোক্তাদের, তার কারণ দর্শাতে হচ্ছে কাউন্সিলারদেরই। পুরসভা অফিসে হন্যে হয়ে ঘুরেও টাকা না মেলায় ক্ষুব্ধ উপভোক্তারা। যদিও কর্তৃপক্ষের দাবি, কেন্দ্রীয় সরকার বার্ধক্য ভাতার টাকা বন্ধ করেছে। কেন্দ্র বকেয়া না দেওয়াতেই বার্ধক্য ভাতার টাকা দিতে সমস্যা হচ্ছে।
Advertisement
আলিপুরদুয়ার পুরসভার ২০টি ওয়ার্ডে ৪০০০ বয়স্ক মানুষকে বার্ধক্য ভাতার আওতায় আনা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে উপভোক্তারা ভাতা পাচ্ছেন না। কেন টাকা মিলছে না, তার কারণ জানাতে জেরবার হতে হচ্ছে পুর কর্তৃপক্ষ ও কাউন্সিলারদের। এদিকে, এই ভাতার জন্য ২০টি ওয়ার্ড থেকে নতুন করে আরও ১৮০০টি আবেদনপত্র জমা পড়েছে। কর্তৃপক্ষ নির্দিষ্ট পোর্টালে সেই নতুন আবেদনপত্রগুলি আপলোডও করেছেন। কিন্তু টাকা না মেলায় পুর এলাকার বার্ধক্য ভাতার নতুন উপভোক্তাদের অনুমোদনও মিলছে না।
পুরসভার চেয়ারম্যান প্রসেনজিৎ কর বলেন, কেন্দ্র সরকার বার্ধক্য ভাতার টাকা বন্ধ করেছে। বকেয়া টাকাও দিচ্ছে না। বয়স্ক উপভোক্তাদের চার বছর ধরে টাকা না মেলায় আমাদেরও খারাপ লাগছে। তাই রাজ্যকেই বলে উপভোক্তাদের টাকা দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
প্রতি মাসে ১০০০ টাকা করে বার্ধক্য ভাতা মেলে বয়স্কদের। নামমাত্র হলেও এই টাকাই উপভোক্তাদের কাছে অনেক। অনেক বয়স্ক মানুষ এই টাকা দিয়ে প্রতি মাসে ওষুধপত্র কেনেন। টাকা দেওয়া বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেকেই আর ওষুধপত্র কিনতে পারছেন না। টাকা ঢুকেছে কি না জানতে বৃহস্পতিবার পুর অফিসে নির্মলা দাস নামে এক বৃদ্ধা খোঁজ নিতে এসেছিলেন। টাকা ঢোকেনি জানার পর বৃদ্ধা মুষড়ে পড়েন। নির্মলাদেবী বলেন, ওই ভাতার টাকা দিয়ে প্রতি মাসে ওষুধপত্র কিনি। এখন ধার দেনা করে ওষুধ কিনতে হচ্ছে।
টাকা কেন মিলছে না উপভোক্তাদের এই প্রশ্নে এখন জেরবার অবস্থা কাউন্সিলারদের। পুরসভার ভাইস চেয়ারপার্সন মাম্পি অধিকারী বলেন, কেন টাকা দেওয়া যাচ্ছে না উপভোক্তাদের বার বার তার কারণ বলে বলে আমাদের জেরবার অবস্থা। আমরা উপভোক্তাদের বলছি কেন্দ্র বার্ধক্য ভাতার টাকা বন্ধ রেখেছে।
পুরসভার চেয়ারম্যান প্রসেনজিৎ কর বলেন, কেন্দ্র সরকার বার্ধক্য ভাতার টাকা বন্ধ করেছে। বকেয়া টাকাও দিচ্ছে না। বয়স্ক উপভোক্তাদের চার বছর ধরে টাকা না মেলায় আমাদেরও খারাপ লাগছে। তাই রাজ্যকেই বলে উপভোক্তাদের টাকা দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
প্রতি মাসে ১০০০ টাকা করে বার্ধক্য ভাতা মেলে বয়স্কদের। নামমাত্র হলেও এই টাকাই উপভোক্তাদের কাছে অনেক। অনেক বয়স্ক মানুষ এই টাকা দিয়ে প্রতি মাসে ওষুধপত্র কেনেন। টাকা দেওয়া বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেকেই আর ওষুধপত্র কিনতে পারছেন না। টাকা ঢুকেছে কি না জানতে বৃহস্পতিবার পুর অফিসে নির্মলা দাস নামে এক বৃদ্ধা খোঁজ নিতে এসেছিলেন। টাকা ঢোকেনি জানার পর বৃদ্ধা মুষড়ে পড়েন। নির্মলাদেবী বলেন, ওই ভাতার টাকা দিয়ে প্রতি মাসে ওষুধপত্র কিনি। এখন ধার দেনা করে ওষুধ কিনতে হচ্ছে।
টাকা কেন মিলছে না উপভোক্তাদের এই প্রশ্নে এখন জেরবার অবস্থা কাউন্সিলারদের। পুরসভার ভাইস চেয়ারপার্সন মাম্পি অধিকারী বলেন, কেন টাকা দেওয়া যাচ্ছে না উপভোক্তাদের বার বার তার কারণ বলে বলে আমাদের জেরবার অবস্থা। আমরা উপভোক্তাদের বলছি কেন্দ্র বার্ধক্য ভাতার টাকা বন্ধ রেখেছে।



