সন্দীপন দত্ত, মালদহ: প্রতারকদের নজর এবার অন্ত্যোদয় যোজনায়! তাদের হাতযশে কখন রেশন কার্ড সারেন্ডার হয়ে যাচ্ছে ঘুণাক্ষরেও টের পাচ্ছেন না উপভোক্তারা। মুলত প্রতারণা করা হচ্ছে মহিলা গ্রাহকদের সাহায্য নিয়ে। এই চক্রের কাজকর্ম রুখতে প্রশাসনের আতসকাচের নীচে এবার বেশকিছু সাইবার কাফে। মালদহের জেলাশাসক নীতিন সিঙ্ঘানিয়া বলেন,কিছু সাইবার কাফেকে ঘিরে নতুন একটি প্রতারণা চক্র সক্রিয় হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এবিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।
Advertisement
নাগরিকদের কয়েকটি ক্যাটিগরির রেশন কার্ড প্রদান করা হয়। কিন্তু প্রতারকরা কেন শুধুমাত্র ‘এ ওয়াই' অর্থাৎ অন্ত্যোদয় যোজনার উপভোক্তাদেরই টার্গেট করছে? জেলা খাদ্য ও খাদ্য সরবরাহ দপ্তর এবং প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, সাধারণ রেশন কার্ডের তুলনায় অন্ত্যোদয় যোজনায় থাকা কার্ডে সবচেয়ে বেশি খাদ্যসামগ্রী পাওয়া যায়। অন্ত্যোদয় যোজনার কার্ডে একটি পরিবারকে প্রতি মাসে মোট ৩৫ কেজি খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হয়।
কাফের মাধ্যমে কীভাবে প্রতারণা করা হচ্ছে? মালদহ জেলা খাদ্য সরবরাহ দপ্তরের নিয়ামক শ্বাশ্বত সুন্দর দাস বলেন, আমাদের দপ্তরের একটি পোর্টাল রয়েছে। তাতে ‘সেলফ সার্ভিস’ নামক একটি অপশন আছে। যেখানে গ্রাহকরা অনলাইনে নিজেদের রেশন কার্ড সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাজ করতে পারেন। এজন্য তাঁদের আর অফিসে ছুটতে হয় না। কোনও কোনও সাইবার কাফে থেকে সেই সুবিধা কাজে লাগিয়ে এই কুকর্ম করা হচ্ছে বলে আমাদের কাছে অভিযোগ এসেছে। শ্বাশ্বত জানান, ধরা যাক একটি পরিবারের পাঁচজন সদস্য। তাঁরা প্রত্যেকেই অন্ত্যোদয় যোজনার আওতাভুক্ত। অসাধু চক্রের সঙ্গে জড়িত কাফে থেকে ওই পরিবারটিকে টার্গেট করে ১৪ নম্বর ফর্ম পূরণ করা হচ্ছে। তাতে পরিচিত একজন মহিলার নাম ওই পরিবারের সঙ্গে নথিভুক্ত করছে। সংশ্লিষ্ট পরিবারটিকে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রেখে খাতায় কলমে দেখানো হচ্ছে ওই মহিলা সদস্যের সংশ্লিষ্ট পরিবারে বিয়ে হয়েছে। এরপর ধীরে ধীরে পরিবারের বাকি সদস্যদের ‘এ ওয়াই’ ক্যাটেগরির রেশন কার্ডটি প্রতারকরা সারেন্ডার করে দিচ্ছে। ফলে পরিচিত মহিলার সাহায্যে সামগ্রী পেয়ে যাচ্ছে প্রতারকরা। এদিকে বিষয়টি সম্পর্কে অন্ধকারে থেকে যাচ্ছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটি। কিছুদিন পর তারা রেশন তুলতে গিয়ে জানতে পারছে তাদের কার্ড সারেন্ডার করা হয়েছে।
দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, এতদিন মালদহের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এই ধরনের নানা অভিযোগ এসেছে খাদ্য সরবরাহ দপ্তরের কাছে। সেই সব ক্ষেত্রে দপ্তরের আধিকারিকরা সমস্ত নথি খতিয়ে দেখে আবার ওই পরিবারের রেশন কার্ড তৈরি করে দিচ্ছিলেন। কিন্তু ক্রমশ এই সমস্যা বাড়তে থাকায় সন্দেহ হয় তাঁদের। সম্প্রতি এই বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনায় বসে খাদ্য সরবরাহ দপ্তর। জানা যায়, মালদহের প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলেই এই ধরনের ঘটনা সবথেকে বেশি ঘটছে। এরপর প্রশাসন সিদ্ধান্ত নেয় এই ধরনের অভিযোগ সামনে এলেই খাদ্য সরবরাহ দপ্তরের পাশাপাশি সাইবার ক্রাইম থানা ও স্থানীয় থানার আধিকারিকদের নিয়ে ঘটনার তদন্ত করা হবে।
কাফের মাধ্যমে কীভাবে প্রতারণা করা হচ্ছে? মালদহ জেলা খাদ্য সরবরাহ দপ্তরের নিয়ামক শ্বাশ্বত সুন্দর দাস বলেন, আমাদের দপ্তরের একটি পোর্টাল রয়েছে। তাতে ‘সেলফ সার্ভিস’ নামক একটি অপশন আছে। যেখানে গ্রাহকরা অনলাইনে নিজেদের রেশন কার্ড সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাজ করতে পারেন। এজন্য তাঁদের আর অফিসে ছুটতে হয় না। কোনও কোনও সাইবার কাফে থেকে সেই সুবিধা কাজে লাগিয়ে এই কুকর্ম করা হচ্ছে বলে আমাদের কাছে অভিযোগ এসেছে। শ্বাশ্বত জানান, ধরা যাক একটি পরিবারের পাঁচজন সদস্য। তাঁরা প্রত্যেকেই অন্ত্যোদয় যোজনার আওতাভুক্ত। অসাধু চক্রের সঙ্গে জড়িত কাফে থেকে ওই পরিবারটিকে টার্গেট করে ১৪ নম্বর ফর্ম পূরণ করা হচ্ছে। তাতে পরিচিত একজন মহিলার নাম ওই পরিবারের সঙ্গে নথিভুক্ত করছে। সংশ্লিষ্ট পরিবারটিকে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রেখে খাতায় কলমে দেখানো হচ্ছে ওই মহিলা সদস্যের সংশ্লিষ্ট পরিবারে বিয়ে হয়েছে। এরপর ধীরে ধীরে পরিবারের বাকি সদস্যদের ‘এ ওয়াই’ ক্যাটেগরির রেশন কার্ডটি প্রতারকরা সারেন্ডার করে দিচ্ছে। ফলে পরিচিত মহিলার সাহায্যে সামগ্রী পেয়ে যাচ্ছে প্রতারকরা। এদিকে বিষয়টি সম্পর্কে অন্ধকারে থেকে যাচ্ছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটি। কিছুদিন পর তারা রেশন তুলতে গিয়ে জানতে পারছে তাদের কার্ড সারেন্ডার করা হয়েছে।
দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, এতদিন মালদহের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এই ধরনের নানা অভিযোগ এসেছে খাদ্য সরবরাহ দপ্তরের কাছে। সেই সব ক্ষেত্রে দপ্তরের আধিকারিকরা সমস্ত নথি খতিয়ে দেখে আবার ওই পরিবারের রেশন কার্ড তৈরি করে দিচ্ছিলেন। কিন্তু ক্রমশ এই সমস্যা বাড়তে থাকায় সন্দেহ হয় তাঁদের। সম্প্রতি এই বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনায় বসে খাদ্য সরবরাহ দপ্তর। জানা যায়, মালদহের প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলেই এই ধরনের ঘটনা সবথেকে বেশি ঘটছে। এরপর প্রশাসন সিদ্ধান্ত নেয় এই ধরনের অভিযোগ সামনে এলেই খাদ্য সরবরাহ দপ্তরের পাশাপাশি সাইবার ক্রাইম থানা ও স্থানীয় থানার আধিকারিকদের নিয়ে ঘটনার তদন্ত করা হবে।



