সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: ভোটের আচরণবিধি উঠে যাওয়ায় আলিপুরদুয়ারেও আবাসের তালিকা নিয়ে সমীক্ষা শুরু হয়েছে। আর আবাসের তালিকায় কত জনের নাম আছে তা দেখতে চেয়ে বিডিওকে চিঠি দেওয়ায় তৃণমূল কংগ্রেসের কটাক্ষের মুখে পড়েছেন মাদারিহাট পঞ্চায়েত সমিতির বিরোধী দলনেতা বিজেপির সুজিত সাহা। এদিকে আবাসের তালিকা দেখতে তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিরাও প্রশাসনের উপর চাপ বাড়াচ্ছে বলে অভিযোগ। যদিও তৃণমূল নেতৃত্ব তা অস্বীকার করেছে।
Advertisement
আবাসের সমীক্ষার কাজে যুক্ত করা হয়েছে সরকারি কর্মচারীদের। আবাসের তালিকার সমীক্ষার কাজে যুক্ত থাকতে পারবেন না কোনও দলের জন প্রতিনিধিরা। কিন্তু তারপরেও আবাসের তালিকা দেখতে চেয়ে বিডিওকে চিঠি দিয়েছেন মাদারিহাট পঞ্চায়েত সমিতির বিরোধী দলনেতা বিজেপির সুজিত সাহা। আর তা নিয়ে কটাক্ষের মুখে পড়েছেন বিজেপির বিরোধী দলনেতা।
তৃণমূলের জেলা আলিপুরদুয়ার চেয়ারম্যান গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা বলেন, বাংলায় আবাসের টাকা দেওয়া বন্ধ করেছে কেন্দ্র। তাই রাজ্য সরকারই আবাসের টাকা দেবে। কেন্দ্র কেন টাকা বন্ধ রেখেছে এই প্রশ্নের জবাব দিয়ে তারপর সুজিতবাবুরা আবাসের তালিকা নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করবেন। যদিও আমাদের সরকার উন্নয়ন নিয়ে দলবাজি করে না। আমাদের দলের জন প্রতিনিধিদেরও কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আবাসের সমীক্ষা নিয়ে সরকারি কর্মচারীদের কাজে কেউ নাক গলাবেন না।
পাল্টা অভিযোগ করে সুজিতবাবু বলেন, দল দেখে উন্নয়ন কাজ হয় না। সরকারি টাকায় সব দলের মানুষ ঘর পাবেন। কিন্তু আবাসের তালিকায় মাদারিহাট ব্লকে কত জনের নাম আছে আমরা তা কিছুই জানতে পারছি না। সেই জন্যই তালিকা দেখতে চেয়ে বিডিওকে চিঠি দিয়েছি।
২০২২ সালে তৈরি আবাস যোজনার তালিকায় আলিপুরদুয়ার জেলায় ১ লক্ষ ২০ হাজার ৪১২ জনের নাম ছিল। সেই প্রকৃত আবাস প্রাপকদের নাম যাচাই করতেই সমীক্ষা শুরু হয়েছে। সমীক্ষার জন্য ৪০০টি সরকারি টিম তৈরি করা হয়েছে। প্রতিটি টিমে দুই-তিন জন করে সরকারি কর্মচারী আছেন। অভিযোগ, সমীক্ষা চলাকালীন প্রশাসনের উপর তালিকা দেখার জন্য জন প্রতিনিধিদের চাপ আসছে।
যদিও অতিরিক্ত জেলাশাসক (জেলা পরিষদ) সূবর্ণ রায় বলেন, সমীক্ষাকারী সরকারি কর্মচারীদের উপর জনপ্রতিনিধিদের কোনও চাপ নেই। সরকারি নির্দেশিকা মেনেই সমীক্ষা হচ্ছে। পুলিস আধিকারিকদের দিয়ে আবাসের তালিকার সুপার চেকিং করা হবে।
তৃণমূলের জেলা আলিপুরদুয়ার চেয়ারম্যান গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা বলেন, বাংলায় আবাসের টাকা দেওয়া বন্ধ করেছে কেন্দ্র। তাই রাজ্য সরকারই আবাসের টাকা দেবে। কেন্দ্র কেন টাকা বন্ধ রেখেছে এই প্রশ্নের জবাব দিয়ে তারপর সুজিতবাবুরা আবাসের তালিকা নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করবেন। যদিও আমাদের সরকার উন্নয়ন নিয়ে দলবাজি করে না। আমাদের দলের জন প্রতিনিধিদেরও কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আবাসের সমীক্ষা নিয়ে সরকারি কর্মচারীদের কাজে কেউ নাক গলাবেন না।
পাল্টা অভিযোগ করে সুজিতবাবু বলেন, দল দেখে উন্নয়ন কাজ হয় না। সরকারি টাকায় সব দলের মানুষ ঘর পাবেন। কিন্তু আবাসের তালিকায় মাদারিহাট ব্লকে কত জনের নাম আছে আমরা তা কিছুই জানতে পারছি না। সেই জন্যই তালিকা দেখতে চেয়ে বিডিওকে চিঠি দিয়েছি।
২০২২ সালে তৈরি আবাস যোজনার তালিকায় আলিপুরদুয়ার জেলায় ১ লক্ষ ২০ হাজার ৪১২ জনের নাম ছিল। সেই প্রকৃত আবাস প্রাপকদের নাম যাচাই করতেই সমীক্ষা শুরু হয়েছে। সমীক্ষার জন্য ৪০০টি সরকারি টিম তৈরি করা হয়েছে। প্রতিটি টিমে দুই-তিন জন করে সরকারি কর্মচারী আছেন। অভিযোগ, সমীক্ষা চলাকালীন প্রশাসনের উপর তালিকা দেখার জন্য জন প্রতিনিধিদের চাপ আসছে।
যদিও অতিরিক্ত জেলাশাসক (জেলা পরিষদ) সূবর্ণ রায় বলেন, সমীক্ষাকারী সরকারি কর্মচারীদের উপর জনপ্রতিনিধিদের কোনও চাপ নেই। সরকারি নির্দেশিকা মেনেই সমীক্ষা হচ্ছে। পুলিস আধিকারিকদের দিয়ে আবাসের তালিকার সুপার চেকিং করা হবে।



