সংবাদদাতা, দিনহাটা: চব্বিশের লোকসভায় সিতাই বিধানসভার মাতালহাট গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রতিটি বুথে হেরেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। ৪৭০০ ভোটে পিছিয়ে ছিল তারা। তবে উপ নির্বাচনে মাতালহাটে এগিয়ে যায় ঘাসফুল শিবির। ৪৩০৪ ভোটে বিজেপি প্রার্থীকে পরাজিত করে এই গ্রাম পঞ্চায়েতে। ২২ বুথের মধ্যে ১৭টি বুথেই এগিয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী। পাঁচটি বুথে সামান্য ব্যবধানে পিছিয়ে যায় তারা। পরাজিত সেই বুথগুলিতেই ২৬’এর বিধানসভায় লিড পাওয়ার লক্ষ্য নিয়েছে তৃণমূল। নতুন বছরের শুরুতে হেরে যাওয়া বুথগুলিতে জনসংযোগ কর্মসূচি শুরু করবে দল। সংশ্লিষ্ট গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মানবেন্দ্র রায় নেতৃত্ব দেবেন এই কর্মসূচিতে।
Advertisement
২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের পর থেকেই মাতালহাট বিজেপির শক্ত ঘাঁটিতে পরিণত হয়। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও এই গ্রাম পঞ্চায়েতে এগিয়েছিল পদ্ম পার্টি। ২০২৩-এর পঞ্চায়েত ভোটে ২২টি বুথের মধ্যে ১৫টিতে জয়লাভ করে বিজেপি। মাত্র সাতটিতে জয়ী হয় তৃণমূল। চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনেও একই ধারা বজায় থাকে। এবারে ২২টি বুথেই পদ্মের প্রার্থী এগিয়েছিল এই গ্রাম পঞ্চায়েতে। তবে লোকসভা ভোটে পরাজয়ের পরে ভরাডুবি শুরু হয় বিজেপিতে। ১৫ জন গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য সহ প্রধান তৃণমূলে যোগ দেয়। বিধানসভা উপ নির্বাচনে জয়ের লক্ষ্যে প্রধানকে বিশেষ দায়িত্ব দেয় তৃণমূল। উপ নির্বাচনে বিজেপিকে পরাজিত করে তারা। তবে এখনও পাঁচটি বুথে বিজেপি এগিয়ে রয়েছে। সেটাই এখন শাসকের চিন্তার কারণ।
তৃণমূল পরিচালিত মাতালহাট গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মানবেন্দ্র রায় বলেন, লোকসভা ভোটের পরিস্থিতি আর নেই। সাধারণ মানুষ বুঝতে পেরেছে উন্নয়নে তৃণমূল কংগ্রেসকে দরকার। তাই এবারের উপ নির্বাচনে লিড পেয়েছে তৃণমূল। তবে পাঁচটি বুথে আমরা পিছিয়েছিলাম। সেই পাঁচটি বুথে ছাব্বিশের বিধানসভায় লিড দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েছি আমরা। সেই লক্ষ্যে পৌঁছতে জানুয়ারি মাস থেকেই জনসংযোগ কর্মসূচি শুরু করা হবে। সাধারণ মানুষের আশীর্বাদ নিয়ে ২২টি বুথেই তৃণমূলকে এগিয়ে দেব আমরা।
তৃণমূল পরিচালিত মাতালহাট গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মানবেন্দ্র রায় বলেন, লোকসভা ভোটের পরিস্থিতি আর নেই। সাধারণ মানুষ বুঝতে পেরেছে উন্নয়নে তৃণমূল কংগ্রেসকে দরকার। তাই এবারের উপ নির্বাচনে লিড পেয়েছে তৃণমূল। তবে পাঁচটি বুথে আমরা পিছিয়েছিলাম। সেই পাঁচটি বুথে ছাব্বিশের বিধানসভায় লিড দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েছি আমরা। সেই লক্ষ্যে পৌঁছতে জানুয়ারি মাস থেকেই জনসংযোগ কর্মসূচি শুরু করা হবে। সাধারণ মানুষের আশীর্বাদ নিয়ে ২২টি বুথেই তৃণমূলকে এগিয়ে দেব আমরা।



