নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: মেদিনীপুর বিধানসভার উপ নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৭৩.৭৩ শতাংশ। উপ নির্বাচনে ভোটার হার ৮০ শতাংশ স্পর্শ না করায় আফশোস শাসক-বিরোধী উভয় পক্ষের। শাসক দলের জেলা নেতৃত্বের মতে, নির্বাচন কমিশনের গাফিলতির জেরেই কমেছে ভোটদানের হার। কারণ বুধবার সকাল থেকেই বিধানসভা এলাকায় একাধিক বুথে ইভিএম বিভ্রাটের জেরে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। বহু সাধারণ মানুষ দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর ভোট না দিয়েই বাড়ি বা কর্মস্থলে ফিরে গিয়েছেন। তবে বিরোধী দলগুলির দাবি, বিধানসভা এলাকায় তৃণমূলের চাপা সন্ত্রাসের জন্যই ভোটদানের পরিমাণ কমেছে। কারণ মঙ্গলবার রাতে বিশেষত গ্রামীণ এলাকায় তৃণমূল নেতৃত্ব বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে মানুষকে হুমকি দিয়েছে। তাই অনেকেই ভয়ে আর ভোট দিতে যাননি।
Advertisement
এদিন তৃণমূল প্রার্থী সুজয় হাজরা বলেন, উপ নির্বাচনে চরম ব্যর্থ নির্বাচন কমিশন। সকাল থেকেই ইভিএম বিভ্রাটের খবর আসতে শুরু করেছিল। অনেক বুথে ভোটগ্রহণ শুরুর অনেক পরে ফের ইভিএম খারাপ হয়ে যায়। এরফলে পুনরায় ভোটগ্রহণ শুরু করতে হয়। পরে আর অনেকেই ভোট দিতে যাননি। এছাড়া কেন্দ্রীয় বাহিনীর দুর্ব্যবহার মানুষ ভালো চোখে দেখেননি। ভোটদানের হার ৮০ শতাংশের বেশি হলে, আমাদের ভোটের মার্জিন আরও বাড়ত।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার সকালে ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন এলাকা থেকে ইভিএম বিভ্রাটের খবর আসতে শুরু করে। গ্রামীণ এলাকায় তো বটেই, এমনকী শহর এলাকায় একাধিক বুথে ইভিএম মেশিন খারাপ হওয়ার তথ্য আসতে শুরু করে। শহরের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনের সময় এই খবর সামনে আসতেই বেজায় ক্ষুব্ধ হন তৃণমূল প্রার্থী। জানা গিয়েছে, সকাল ৯টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণের পরিমাণ ছিল মাত্র ১৪ শতাংশ। দুপুরে ১টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণের পরিমাণ ৫০ শতাংশ ছুঁতে পারেনি। তবে দুপুরের পর থেকে ভোটগ্রহণের পরিমাণ বেড়ে যায়। জানা গিয়েছে, গত লোকসভা ভোটের নিরিখে মেদিনীপুর বিধানসভা এলাকায় উপ নির্বাচনে ভোটদানের পরিমাণ কমেছে।
স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, শাসক-বিরোধী উভয় পক্ষেই গোষ্ঠী কোন্দল রয়েছে। প্রার্থী পছন্দ না হওয়ায় অনেকেই ঠিকভাবে প্রচার করেননি। হয়তো অপছন্দের প্রার্থীকে অনেকেই ভোট দিতে যাননি। ভোটদানের হার কম হওয়ার পিছনে এটাও অন্যতম কারণ হতে পারে।
বিজেপি প্রার্থী শুভজিৎ রায় বলেন, ভোটের হার আরও বেশি হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু এই ঘটনার জন্য দায়ী তৃণমূল। বুথে বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকায় তৃণমূল সন্ত্রাস চালাতে পারেনি। তবে গ্রামের ভিতরে পুলিসের সাহায্যে বিজেপি নেতা-কর্মীদের ভয় দেখানো হয়েছে। এসব না হলে ভোটের পরিমাণ আরও বাড়ত। সিপিআই প্রার্থী মণিকুন্তল খামরুই বলেন, ভোটের হার ৮০ শতাংশের বেশি হওয়া উচিত ছিল। যেহেতু এই সময় ধান কাটার সিজন। সেহেতু অনেক চাষি পরিবারের সদস্যরা মাঠে থাকায় ভোট দিতে যাননি বলেই ধারণা। তৃণমূল ও বিজেপি গ্রামীণ এলাকায় লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করেও ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে নিয়ে যেতে পারেনি। এটাই সবচেয়ে বেশি বেদনার। কংগ্রেস প্রার্থী শ্যামলকুমার ঘোষ বলেন, ভোট কম পড়েছে, তার অন্যতম কারণ তৃণমূলের নেতাদের ধমকি। তৃণমূল নেতাদের ভয় রয়েছে। তাঁরা ভাবছেন যদি অন্য দলে ভোট পড়ে যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার সকালে ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন এলাকা থেকে ইভিএম বিভ্রাটের খবর আসতে শুরু করে। গ্রামীণ এলাকায় তো বটেই, এমনকী শহর এলাকায় একাধিক বুথে ইভিএম মেশিন খারাপ হওয়ার তথ্য আসতে শুরু করে। শহরের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনের সময় এই খবর সামনে আসতেই বেজায় ক্ষুব্ধ হন তৃণমূল প্রার্থী। জানা গিয়েছে, সকাল ৯টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণের পরিমাণ ছিল মাত্র ১৪ শতাংশ। দুপুরে ১টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণের পরিমাণ ৫০ শতাংশ ছুঁতে পারেনি। তবে দুপুরের পর থেকে ভোটগ্রহণের পরিমাণ বেড়ে যায়। জানা গিয়েছে, গত লোকসভা ভোটের নিরিখে মেদিনীপুর বিধানসভা এলাকায় উপ নির্বাচনে ভোটদানের পরিমাণ কমেছে।
স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, শাসক-বিরোধী উভয় পক্ষেই গোষ্ঠী কোন্দল রয়েছে। প্রার্থী পছন্দ না হওয়ায় অনেকেই ঠিকভাবে প্রচার করেননি। হয়তো অপছন্দের প্রার্থীকে অনেকেই ভোট দিতে যাননি। ভোটদানের হার কম হওয়ার পিছনে এটাও অন্যতম কারণ হতে পারে।
বিজেপি প্রার্থী শুভজিৎ রায় বলেন, ভোটের হার আরও বেশি হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু এই ঘটনার জন্য দায়ী তৃণমূল। বুথে বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকায় তৃণমূল সন্ত্রাস চালাতে পারেনি। তবে গ্রামের ভিতরে পুলিসের সাহায্যে বিজেপি নেতা-কর্মীদের ভয় দেখানো হয়েছে। এসব না হলে ভোটের পরিমাণ আরও বাড়ত। সিপিআই প্রার্থী মণিকুন্তল খামরুই বলেন, ভোটের হার ৮০ শতাংশের বেশি হওয়া উচিত ছিল। যেহেতু এই সময় ধান কাটার সিজন। সেহেতু অনেক চাষি পরিবারের সদস্যরা মাঠে থাকায় ভোট দিতে যাননি বলেই ধারণা। তৃণমূল ও বিজেপি গ্রামীণ এলাকায় লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করেও ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে নিয়ে যেতে পারেনি। এটাই সবচেয়ে বেশি বেদনার। কংগ্রেস প্রার্থী শ্যামলকুমার ঘোষ বলেন, ভোট কম পড়েছে, তার অন্যতম কারণ তৃণমূলের নেতাদের ধমকি। তৃণমূল নেতাদের ভয় রয়েছে। তাঁরা ভাবছেন যদি অন্য দলে ভোট পড়ে যায়।



