Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বিষ্ণুপুরে আরামবাগের সব্জি ব্যবসায়ীর অস্বাভাবিক মৃত্যু

শনিবার সকালে বিষ্ণুপুরের মনসাতলায় এক ব্যক্তির বাড়িতে আরামবাগের এক সব্জি ব্যবসায়ীর অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায়। মৃতের নাম রঘুনাথ বেরা(৪০)।

বিষ্ণুপুরে আরামবাগের সব্জি ব্যবসায়ীর অস্বাভাবিক মৃত্যু
  • ১৭ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: শনিবার সকালে বিষ্ণুপুরের মনসাতলায় এক ব্যক্তির বাড়িতে আরামবাগের এক সব্জি ব্যবসায়ীর অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায়। মৃতের নাম রঘুনাথ বেরা(৪০)। তাঁর বাড়ি আরামবাগ শহরের ইন্দারাপল্লিতে। পুলিস জানিয়েছে, অবিবাহিত রঘুনাথবাবু শুক্রবার সন্ধ্যায় মনসাতলায় ওই ব্যক্তির বাড়িতে এসেছিলেন। সেখানেই রাতে ছিলেন। শনিবার সকালে ওই বাড়ির বিছানাতেই অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করে তাঁকে বিষ্ণুপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে আরামবাগ থেকে পরিবারের লোকজন বিষ্ণুপুরে আসেন। পুলিস জানিয়েছে, ঘটনায় একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়েছে। মৃতদেহ ময়নাতদন্ত করানো হয়েছে। তার রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। 

Advertisement

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, অবিবাহিত রঘুনাথবাবু আরামবাগে সব্জির পাইকারি ব্যবসা করতেন। ভোর থেকেই তিনি ব্যবসার কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। তাঁর এক দাদা বলেন, ভাই যে বিষ্ণুপুর যাতায়াত করত সেকথা আমরা বাড়ির কেউই জানতাম না। আমরা ভাবলাম ব্যবসার কাজে ও বাইরে কোথাও গিয়েছে। শনিবার ভোর ৩টে ১৫মিনিট নাগাদ এক কর্মীকে বাজারে সঠিক সময়ে সব্জি পৌঁছনোর জন্য হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজও করে। তার কয়েক ঘণ্টা পরেই এদিন সকালে তার মৃত্যুর খবর পাই। এই মৃত্যু স্বাভাবিক নয় বলে আমাদের মনে হয়েছে। প্রকৃত তদন্তের জন্য আমরা পুলিসের কাছে মৌখিক আর্জি জানিয়েছি। পরে লিখিত অভিযোগ জানানো হবে। মনসাতলা এলাকার যে ব্যক্তির বাড়িতে রঘুনাথবাবু উঠেছিলেন। তিনি বলেন, রঘুনাথবাবু আমাদের নিকট আত্মীয় কেউ নন। পরিচিত হওয়ার সুবাদে তিনি মাঝে মধ্যে আমাদের বাড়িতে আসতেন। সেইরকমভাবেই শুক্রবার এসেছিলেন। সকালে তাঁকে অচৈতন্য অবস্থায় বিছানায় পাওয়া যায়। তারপরেই আমরা হাসপাতালে নিয়ে আসি। ওই ব্যক্তির স্ত্রী বলেন, রঘুনাথবাবু শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা নাগাদ বিষ্ণুপুর বাসস্ট্যান্ডে নেমে ফোন করে আমাদের বাড়ি আসার কথা জানান। এমনকী মাংস কিনে নিয়ে আসেন। রাতে খাওয়া দাওয়ার পর আমার ছেলের সঙ্গে ঘুমাচ্ছিলেন। সকালে ডাকতে গিয়ে তাঁকে অচৈতন্য অবস্থায় দেখতে পাই। কীভাবে যে কি হয়ে গেল, তা আমরা বুঝতে পারছি না।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ