নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: অন্নপ্রাশন, বিয়েবাড়ি হোক কিংবা শ্রাদ্ধবাড়ি, সামাজিক অনুষ্ঠানে খাবারের মেনুতে মিষ্টি না থাকলে বাঙালির মন ভরে না। আর মিষ্টির কথা উঠলে প্রথমেই চলে আসে রসগোল্লার নাম। সেই রসগোল্লার দামও এবার বাড়াতে চলেছেন আসানসোল দুর্গাপুরের মিষ্টি ব্যবসায়ীরা। তাঁরা রসগোল্লার দাম প্রতি পিসে দুই থেকে পাঁচ টাকা বাড়াতে চলেছেন। স্বাভাবিকভাবেই অনুষ্ঠান বাড়ি হোক বা অতিথি আপায়নে বাড়তি খরচের বোঝা চাপতে চলেছে। শুধু রসগোল্লা নয়, সন্দেশ থেকে কলাকাঁদ, ল্যাংচা সব মিষ্টির দাম বেড়েছে। শুক্রবার জন্মাষ্ঠমী। সামনে একের পর এক পুজো অনুষ্ঠান। যেখানেও মিষ্টি অতি প্রয়োজনীয় সামগ্রী। মাখন চোর গোপালকে নানা স্বাদের মিষ্টি দিয়ে ভোগ নিবেদন করা হয় জন্মাষ্টমীতে। তার আগেই মিষ্টির বাজারে দামের আগুন। যা নিয়ে মানুষের মধ্যে বাড়ছে অসন্তোষ। দোকানে মিষ্টির বাড়তি দাম নিয়ে অনেকেই ক্ষুব্ধ। যদিও মিষ্টি ব্যবসায়ীদের দাবি তাঁরাও নিরুপায়। তাঁদের ব্যবসায় সবচেয়ে প্রয়োজনীয় চিনি। সেই চিনির দাম প্রতি কেজিতে ২০-২২ টাকা বেড়েছে। তাই বাধ্য হয়ে তাঁদের মিষ্টির দাম বাড়াতে হয়েছে। তাঁদের দাবি, চিনির দামের জন্যই এই মূল্যবৃদ্ধি। অনেকের দাবি, দুধের দামও দফায় দফায় বেড়েছে। ক্রেতাদের মুখের দিকে চেয়ে তখন মিষ্টির দাম বাড়ানো হয়নি। কিন্তু চিনির অত্যধিক মূল্য বৃদ্ধির জেরেই ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে এই সিদ্ধান্ত।



