নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: প্রযুক্তিতে অবশ্যই জোর দিতে হবে।কিন্তু মানুষের বুদ্ধিমত্তাকে কোনওভাবেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কাছে সঁপে দিলে চলবে না। বুধবার এমনই মন্তব্য করলেন নীতি আয়োগের সিইও বি ভি আর সুব্রহ্মণ্য। এদিন এক অনুষ্ঠানে বললেন, উন্নত প্রযুক্তিকে গ্রহণ করতেই হবে। নাহলে পিছিয়ে পড়তে হবে। কিন্তু প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে হবে একটি ফাউন্ডেশন বা ভিত হিসেবে। বাকি কাজ করতে হবে নিজেদেরই বুদ্ধিমত্তায়। আর এই কাজে আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা), কোয়ান্টাম এবং বায়ো টেকনোলজি- এই তিন প্রযুক্তি ব্যবহারের উপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। আমেরিকা এবং চীন কোয়ান্টাম প্রযুক্তির ওপরই সবচেয়ে বেশি জোর দিচ্ছে। তাই ভারতও তা অনুসরণ করতে চায়।
Advertisement
প্রযুক্তির বলে ভারতের জিডিপি’র হার ২-৩ শতাংশ বাড়ানো সক্ষম। কেন্দ্রীয় সরকারের ‘থিঙ্ক ট্যাঙ্ক’ নীতি আয়োগের সিইও বলেছেন, সরকারি তো বটেই, বেসরকারি ক্ষেত্রেও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিকশিত ভারতের স্বপ্ন সফল হবে।এদিন নীতি ফ্রন্টিয়ার টেক হাবের প্রধান স্থপতি দেবযানী ঘোষের ‘কোয়ান্টাম কম্পিউটিং: ন্যাশনাল সিকিউরিটি ইমপ্লিকেশনস অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক প্রিপেয়ার্ডনেস’ শীর্ষক গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়।
প্রযুক্তির দিক দিয়ে শুধু দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই নয়, প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোই সরকারের লক্ষ্য। তাই ‘ন্যাশনাল কোয়ানটাম মিশন’ নামে কেন্দ্র একটি প্রকল্প শুরু করেছে। ২০২৩ থেকে ২০৩১ সালের মধ্যে এই মিশনের জন্য ৬,০০৩ কোটি বরাদ্দও করেছে কেন্দ্র। কিন্তু কীভাবে ও কোন ক্ষেত্রে কাজে লাগানো হবে কোয়ান্টাম প্রযুক্তি, তারই দিশা দেখাতে উদ্যোগী হয়েছে নীতি আয়োগ।
প্রযুক্তির দিক দিয়ে শুধু দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই নয়, প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোই সরকারের লক্ষ্য। তাই ‘ন্যাশনাল কোয়ানটাম মিশন’ নামে কেন্দ্র একটি প্রকল্প শুরু করেছে। ২০২৩ থেকে ২০৩১ সালের মধ্যে এই মিশনের জন্য ৬,০০৩ কোটি বরাদ্দও করেছে কেন্দ্র। কিন্তু কীভাবে ও কোন ক্ষেত্রে কাজে লাগানো হবে কোয়ান্টাম প্রযুক্তি, তারই দিশা দেখাতে উদ্যোগী হয়েছে নীতি আয়োগ।



