নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: আবাসের কাজে ব্যস্ত প্রশাসনের কর্মী-আধিকারিকরা। সেই কারণে উন্নয়নমূলক কাজ দেখার ‘সময়’ পাচ্ছেন না অনেকে। ফলে বাঁকুড়ায় পঞ্চদশ কেন্দ্রীয় অর্থ কমিশনের টাকায় চালু হওয়া প্রকল্পের গতি শ্লথ হয়ে পড়েছে। তাতে কাজের নিরিখে বাঁকুড়ার অবনমন হয়েছে। সপ্তাহ দুয়েক আগেও বাঁকুড়া জেলা ৭-৮ নম্বরের মধ্যে ঘোরাফেরা করত। বর্তমানে তা ১২ নম্বরে নেমে গিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসনের কর্তারা উদ্বিগ্ন।
Advertisement
এ ব্যাপারে বাঁকুড়ার জেলাশাসক সিয়াদ এন বলেন, বাংলার বাড়ি প্রকল্পের সমীক্ষা ও উপভোক্তাদের ত্রুটিমুক্ত তালিকা প্রস্তুত করার জন্য জেলা, ব্লক ও পঞ্চায়েত স্তরের কর্মী-আধিকারিকরা ব্যস্ত রয়েছেন। তার ফলে অর্থ কমিশনের প্রকল্প রূপায়ণের ক্ষেত্রে তাঁরা বেশি সময় দিতে পারেননি। সেই কারণে আমরা রাজ্যের তালিকায় চার-পাঁচ ধাপ নেমে গিয়েছি। তবে জেলায় রূপায়িত কাজের বকেয়া মেটানোর ক্ষেত্রে কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও নতুন কাজে অর্থ খরচে আমরা অনেকটাই এগিয়ে রয়েছি। যাতে আমরা ফের উপরের দিকে উঠতে পারি, তারজন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
প্রশাসন সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, সোমবার পর্যন্ত বাঁকুড়া জেলা পঞ্চদশ অর্থ কমিশন থেকে মোট ২৬১ কোটি ৫৫ লক্ষ টাকা পেয়েছে। তারমধ্যে ১৫২ কোটি ৫৮ লক্ষ টাকা বিভিন্ন কাজের জন্য মেটানো হয়েছে। বর্তমানে জেলায় ১০৮ কোটি ৯৭ লক্ষ টাকা পড়ে রয়েছে। বাঁকুড়া জেলা পরিষদ পেয়েছে প্রায় ৬৬ কোটি। খরচ করেছে ২৭ কোটি। পড়ে রয়েছে ৪০ কোটি টাকা। পঞ্চায়েত সমিতিগুলি পেয়েছে প্রায় ৩৮ কোটি। খরচ করেছে ২৪ কোটি টাকা। পড়ে রয়েছে ১৪ কোটি টাকা। গ্রাম পঞ্চায়েতগুলি এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি অর্থ পেয়েছে। জেলার ১৯০টি গ্রাম পঞ্চায়েত পেয়েছে মোট প্রায় ১৫৬ কোটি টাকা। তারমধ্যে পঞ্চায়েতগুলি খরচ করেছে ১০২ কোটি টাকা। পড়ে রয়েছে ৫৫ কোটি টাকা।
উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় অর্থ কমিশনের টাকার মোটামুটি ৭০ শতাংশ পায় গ্রাম পঞ্চায়েতগুলি। পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদ ১৫ শতাংশ করে টাকা পায়। ওই টাকায় রাস্তা, নিকাশি নালা, পানীয় জল সরবরাহ সহ অন্যান্য উন্নয়নমূল কাজে খরচ হয়।
জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, বর্তমানে উন্নয়নমূলক কাজ করার ক্ষেত্রে পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের বরাদ্দকৃত অর্থের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে। ওই টাকায় আমরা যাবতীয় বকেয়া কাজ করার চেষ্টা করছি। লোকসভা ভোটের কারণে চলতি বছরের বেশ কয়েকমাস সেভাবে কাজ করা যায়নি। পুজোর ছুটির পরেই তালডাংরা বিধানসভা উপ নির্বাচন ঘোষণা হয়ে যায়। সেজন্যও কাজে বিঘ্ন ঘটে। বর্তমানে আবার আবাসের সমীক্ষা ও উপভোক্তাদের চূড়ান্ত তালিকা তৈরির কাজ চলছে। তবে ১৫ ডিসেম্বরের পর থেকে ওই প্রকল্পের কাজে গতি আসবে বলে আমরা আশা করছি। সেইমতো প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য ব্লকের আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।
প্রশাসন সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, সোমবার পর্যন্ত বাঁকুড়া জেলা পঞ্চদশ অর্থ কমিশন থেকে মোট ২৬১ কোটি ৫৫ লক্ষ টাকা পেয়েছে। তারমধ্যে ১৫২ কোটি ৫৮ লক্ষ টাকা বিভিন্ন কাজের জন্য মেটানো হয়েছে। বর্তমানে জেলায় ১০৮ কোটি ৯৭ লক্ষ টাকা পড়ে রয়েছে। বাঁকুড়া জেলা পরিষদ পেয়েছে প্রায় ৬৬ কোটি। খরচ করেছে ২৭ কোটি। পড়ে রয়েছে ৪০ কোটি টাকা। পঞ্চায়েত সমিতিগুলি পেয়েছে প্রায় ৩৮ কোটি। খরচ করেছে ২৪ কোটি টাকা। পড়ে রয়েছে ১৪ কোটি টাকা। গ্রাম পঞ্চায়েতগুলি এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি অর্থ পেয়েছে। জেলার ১৯০টি গ্রাম পঞ্চায়েত পেয়েছে মোট প্রায় ১৫৬ কোটি টাকা। তারমধ্যে পঞ্চায়েতগুলি খরচ করেছে ১০২ কোটি টাকা। পড়ে রয়েছে ৫৫ কোটি টাকা।
উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় অর্থ কমিশনের টাকার মোটামুটি ৭০ শতাংশ পায় গ্রাম পঞ্চায়েতগুলি। পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদ ১৫ শতাংশ করে টাকা পায়। ওই টাকায় রাস্তা, নিকাশি নালা, পানীয় জল সরবরাহ সহ অন্যান্য উন্নয়নমূল কাজে খরচ হয়।
জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, বর্তমানে উন্নয়নমূলক কাজ করার ক্ষেত্রে পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের বরাদ্দকৃত অর্থের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে। ওই টাকায় আমরা যাবতীয় বকেয়া কাজ করার চেষ্টা করছি। লোকসভা ভোটের কারণে চলতি বছরের বেশ কয়েকমাস সেভাবে কাজ করা যায়নি। পুজোর ছুটির পরেই তালডাংরা বিধানসভা উপ নির্বাচন ঘোষণা হয়ে যায়। সেজন্যও কাজে বিঘ্ন ঘটে। বর্তমানে আবার আবাসের সমীক্ষা ও উপভোক্তাদের চূড়ান্ত তালিকা তৈরির কাজ চলছে। তবে ১৫ ডিসেম্বরের পর থেকে ওই প্রকল্পের কাজে গতি আসবে বলে আমরা আশা করছি। সেইমতো প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য ব্লকের আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।



