নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া: ওয়ার্ডে উন্নয়ন হয়নি। নিয়মিত পরিষ্কার হয় না ড্রেন, ময়লা। তার উপর বিজেপি কাউন্সিলার হওয়ার কারণে ওয়ার্ডের সমস্ত উন্নয়নমূলক কাজ আটকে রেখেছে পুরসভা। এই অভিযোগ তুলে গত কয়েকদিন ধরেই ফেসবুকে সরব হচ্ছিলেন পুরুলিয়া পুরসভার ১৪নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি কাউন্সিলার কণিকা মজুমদার। পাল্টা উন্নয়নকে হাতিয়ার করে পুরুলিয়া পুরসভার চেয়ারম্যান নব্যেন্দু মাহালি তার জবাব দিলেন ফেসবুকেই। সামাজিক মাধ্যমে বেনজির সংঘাতে জড়ালেন দুই দলের দুই জনপ্রতিনিধি!
Advertisement
পুরুলিয়া পুরসভার ১৪নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি কাউন্সিলারের অভিযোগ, পুরসভার যত উন্নয়ন, সবকিছু যেন তাঁর এলাকায় এসেই থমকে গিয়েছে। চেয়ারম্যানের বাড়ির একেবারে সামনেই রয়েছে মহানালা। বিজেপি নেত্রীর অভিযোগ, সেই মহানালাও পরিষ্কার হয় না নিয়মিত। যার জেরে এলাকায় মশার উপদ্রব ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এলাকার বাসিন্দারা তাঁকে এনিয়ে অভিযোগ জানাচ্ছেন। তিনি সেব্যাপারে চেয়ারম্যানকে জানালেও তিনি কোনও পদক্ষেপই নিচ্ছেন না বলে অভিযোগ বিজেপি কাউন্সিলারের। এনিয়ে কিছুদিন আগেই তিনি ফেসবুকে সরব হন। লেখেন, আমি বিজেপি কাউন্সিলার বলে ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের সমস্যা উন্নয়নমূলক রাস্তা, ড্রেন, লাইটের কাজ আটকে রাখা হয়েছে। চেয়ারম্যানকে জানিয়েও কোনও কাজ হচ্ছে না। শুধু বলছেন, দেখছি দেখছি।’
এইসব অভিযোগ শুনেই কার্যত তেতে ওঠেন চেয়ারম্যান। পাল্টা তিনিও ফেসবুকেই তার জবাব দেন। চেয়ারম্যানের পাল্টা দাবি, ওই বিজেপি কাউন্সিলারের ফেসবুকের পুরাতন পোস্ট ঘাঁটলেই দেখা যাবে যে উনি পুরসভার উন্নয়ন নিয়ে নিজেই পোস্ট করেছেন। কখনও ড্রেন পরিষ্কারের, কখনও রাস্তা তৈরি, কখনও পুরসভার তরফে লাগানো হাইমাস্ট লাইটের নীচে দাঁড়িয়ে নিজেই ছবি তুলেছেন। এগুলো কী উন্নয়ন নয়? চেয়ারম্যানের আরও অভিযোগ, ‘পুরসভায় আরও দু’জন বিজেপির কাউন্সিলার আছেন। পুরসভার বিরোধী দলনেতা বিজেপির। তাঁদের নিয়ে প্রতি মাসে বোর্ড মিটিং হয়। তাঁদের মুখ থেকে তো এরকম অভিযোগ শুনি না। উনিই কেন এরকম অভিযোগ করছেন? এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আমরা এই ধরনের রাজনৈতিক বৈষম্য রাখি না। বরং রাজনৈতিক সৌজন্যতা বজায় রাখি।
এনিয়ে পুরসভার বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি কাউন্সিলার প্রদীপ মুখোপাধ্যায় বলেন, কী সমস্যা হচ্ছে, তা খোঁজ নিয়ে দেখবে। তবে আমি মনে করি, কাউন্সিলারদের কোনও অভিযোগ থাকলে তা বোর্ড মিটিংয়ে আলোচনা করেই সমাধানের পথ বাছতে হবে। ফেসবুকে অহেতুক কাদা ছোড়াছুড়ি করা হচ্ছে। এনিয়ে তৃণমূলের শহর সভাপতি তথা কাউন্সিলার প্রদীপ ডাগা বলেন, মিথ্যা অভিযোগ তুলে পুরসভাকে বদনাম করার চেষ্টা চলছে। এসব পুরুলিয়ার মানুষ মেনে নেবে না।
এইসব অভিযোগ শুনেই কার্যত তেতে ওঠেন চেয়ারম্যান। পাল্টা তিনিও ফেসবুকেই তার জবাব দেন। চেয়ারম্যানের পাল্টা দাবি, ওই বিজেপি কাউন্সিলারের ফেসবুকের পুরাতন পোস্ট ঘাঁটলেই দেখা যাবে যে উনি পুরসভার উন্নয়ন নিয়ে নিজেই পোস্ট করেছেন। কখনও ড্রেন পরিষ্কারের, কখনও রাস্তা তৈরি, কখনও পুরসভার তরফে লাগানো হাইমাস্ট লাইটের নীচে দাঁড়িয়ে নিজেই ছবি তুলেছেন। এগুলো কী উন্নয়ন নয়? চেয়ারম্যানের আরও অভিযোগ, ‘পুরসভায় আরও দু’জন বিজেপির কাউন্সিলার আছেন। পুরসভার বিরোধী দলনেতা বিজেপির। তাঁদের নিয়ে প্রতি মাসে বোর্ড মিটিং হয়। তাঁদের মুখ থেকে তো এরকম অভিযোগ শুনি না। উনিই কেন এরকম অভিযোগ করছেন? এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আমরা এই ধরনের রাজনৈতিক বৈষম্য রাখি না। বরং রাজনৈতিক সৌজন্যতা বজায় রাখি।
এনিয়ে পুরসভার বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি কাউন্সিলার প্রদীপ মুখোপাধ্যায় বলেন, কী সমস্যা হচ্ছে, তা খোঁজ নিয়ে দেখবে। তবে আমি মনে করি, কাউন্সিলারদের কোনও অভিযোগ থাকলে তা বোর্ড মিটিংয়ে আলোচনা করেই সমাধানের পথ বাছতে হবে। ফেসবুকে অহেতুক কাদা ছোড়াছুড়ি করা হচ্ছে। এনিয়ে তৃণমূলের শহর সভাপতি তথা কাউন্সিলার প্রদীপ ডাগা বলেন, মিথ্যা অভিযোগ তুলে পুরসভাকে বদনাম করার চেষ্টা চলছে। এসব পুরুলিয়ার মানুষ মেনে নেবে না।



