সন্দীপ বর্মন, মাথাভাঙা: একুশের ভোটে জয়ী করে সুশীল বর্মনকে বিধানসভায় পাঠিয়েছেন মাথাভাঙাবাসী। একুশ থেকে চব্বিশ। গত সাড়ে তিন বছর ধরে মাথাভাঙা বিধানসভা বিজেপির দখলে। অথচ, উন্নয়নে তাঁর মন কই!
Advertisement
এতই সাড়ে তিন বছরে পদ্ম বিধায়কের এলাকা উন্নয়ন তহবিল থেকে কোনও সাহায্য পায়নি মাথাভাঙা পুরসভা। অভিযোগ, স্থানীয়রা বিধায়কের দেখা টুকুও পান না। শহরের উন্নয়ন নিয়ে পুরবাসীর একাধিক দাবি রয়েছে। কিন্তু, বিধায়কের হাত ধরে সেই সব কিছুই পূরণ হয়নি। এখনও বিধায়কের কার্যকাল আরও দেড় বছর বাকি। তার মধ্যেই উন্নয়নের প্রশ্নে পদ্ম বিধায়কের ভূমিকা সমালোচনার মুখে।
যদিও বিজেপি বিধায়ক সুশীল বর্মন বলেন, আমরা কোনও সহযোগিতা পাই না। উন্নয়ন তহবিলের টাকা খরচ করতেই দেওয়া হয় না। ফলে পুরসভা এলাকা কেন, কোথাও কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। তৃণমূল রাজনীতি করার জন্য আমার তহবিলের টাকা কাজে লাগাতে দিচ্ছে না। মাথাভাঙাবাসীকে উন্নয়ন থেকে ওরাই বঞ্চিত করছে। সেই দায় আমার ঘাড়ে চাপাতে চাইছে।
২০১১ সালে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার সময়ে বিধায়ক হয়েছিলেন বিনয়কৃষ্ণ বর্মন। পরবর্তীতে বিনয়কৃষ্ণ বাবু রাজ্যের মন্ত্রী ছিলেন প্রায় সাত বছর। সেই সময়ে বিধায়ক এলাকা উন্নয়ন তহবিলের টাকায় শহরে একাধিক কাজ করেছিলেন তিনি। গত বিধানসভা নির্বাচনে মাথাভাঙায় জয়ী হন বিজেপির সুশীল বর্মন।
শহরের বাসিন্দারা জানান, বিজেপির কোনও কর্মসূচি থাকলে তবেই সুশীলবাবুকে শহরে দেখা যায়। এছাড়া বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে আসেন তিনি। কিন্তু উন্নয়নের কাজে তাকে দেখা মেলে না। যদিও বিজেপির দাবি, বিধায়ক জনসংযোগ ঠিক রেখেই চলছেন।
বিধায়কের বিরুদ্ধে উদাসীনতার অভিযোগ পুরসভার। এব্যাপারে মাথাভাঙা পুরসভার চেয়ারম্যান লক্ষপতি প্রামাণিক বলেন, তৃণমূলের বিধায়ক থাকার সময়ে উন্নয়ন তহবিলের টাকায় একাধিক কাজ হয়েছে। সেসবের সুফল এখনও পাচ্ছেন শহরের বাসিন্দারা। পুরসভার বরাদ্দ টাকার একটা সীমারেখা রয়েছে। বিধায়ক, সাংসদের উন্নয়ন তহবিলের টাকা পেলে বাড়তি কিছু পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করা সম্ভব হয়। কিন্তু সাড়ে তিন বছরে কোনও টাকাই পাইনি। বিধায়ককেও দলীয় কর্মসূচি ছাড়া শহরে দেখা যায় না।
প্রাক্তন বিধায়ক বিনয়কৃষ্ণ বর্মন বলেন, আমি বিধায়ক থাকাকালীন শহরের উন্নয়নে প্রচুর কাজ করেছি। এখন বিজেপি বিধায়ক সাড়ে তিন বছরে শহরের জন্য কী করেছেন সেটা মানুষই বুঝতে পারছেন। বিজেপি শুধু ভাওতাবাজি করতে জানে।
মাথাভাঙা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সঞ্জীব পোদ্দার বলেন, শহরে বেশকিছু উন্নয়ন মূলক কাজ করা প্রয়োজন। বিধায়ককে তো দেখাই যায় না। সাড়ে তিন বছরে শহরের জন্য বিধায়ক কোন কাজই করেননি।
যদিও তাঁর বিরুদ্ধে যাবতীয় অভিযোগ খন্ডন করে মাথাভাঙার বিধায়ক সুশীল বর্মন বলেন, আমরা বিরোধী দলের বিধায়ক বলে এলাকা উন্নয়ন তহবিলের টাকা খরচ করতেই দেওয়া হয় না। পুরসভা কোনদিনও এনিয়ে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। আসলে মানুষের দাবি পূরণ করতে না পেরে আমাদের ঘাড়ে দায় চাপাতে চাইছে পুরসভা। মানুষ সবই জানেন। আমি মাথাভাঙায় কখন যাই, কোথায় বসি সেসব সাধারণ মানুষ জানেন।
যদিও বিজেপি বিধায়ক সুশীল বর্মন বলেন, আমরা কোনও সহযোগিতা পাই না। উন্নয়ন তহবিলের টাকা খরচ করতেই দেওয়া হয় না। ফলে পুরসভা এলাকা কেন, কোথাও কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। তৃণমূল রাজনীতি করার জন্য আমার তহবিলের টাকা কাজে লাগাতে দিচ্ছে না। মাথাভাঙাবাসীকে উন্নয়ন থেকে ওরাই বঞ্চিত করছে। সেই দায় আমার ঘাড়ে চাপাতে চাইছে।
২০১১ সালে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার সময়ে বিধায়ক হয়েছিলেন বিনয়কৃষ্ণ বর্মন। পরবর্তীতে বিনয়কৃষ্ণ বাবু রাজ্যের মন্ত্রী ছিলেন প্রায় সাত বছর। সেই সময়ে বিধায়ক এলাকা উন্নয়ন তহবিলের টাকায় শহরে একাধিক কাজ করেছিলেন তিনি। গত বিধানসভা নির্বাচনে মাথাভাঙায় জয়ী হন বিজেপির সুশীল বর্মন।
শহরের বাসিন্দারা জানান, বিজেপির কোনও কর্মসূচি থাকলে তবেই সুশীলবাবুকে শহরে দেখা যায়। এছাড়া বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে আসেন তিনি। কিন্তু উন্নয়নের কাজে তাকে দেখা মেলে না। যদিও বিজেপির দাবি, বিধায়ক জনসংযোগ ঠিক রেখেই চলছেন।
বিধায়কের বিরুদ্ধে উদাসীনতার অভিযোগ পুরসভার। এব্যাপারে মাথাভাঙা পুরসভার চেয়ারম্যান লক্ষপতি প্রামাণিক বলেন, তৃণমূলের বিধায়ক থাকার সময়ে উন্নয়ন তহবিলের টাকায় একাধিক কাজ হয়েছে। সেসবের সুফল এখনও পাচ্ছেন শহরের বাসিন্দারা। পুরসভার বরাদ্দ টাকার একটা সীমারেখা রয়েছে। বিধায়ক, সাংসদের উন্নয়ন তহবিলের টাকা পেলে বাড়তি কিছু পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করা সম্ভব হয়। কিন্তু সাড়ে তিন বছরে কোনও টাকাই পাইনি। বিধায়ককেও দলীয় কর্মসূচি ছাড়া শহরে দেখা যায় না।
প্রাক্তন বিধায়ক বিনয়কৃষ্ণ বর্মন বলেন, আমি বিধায়ক থাকাকালীন শহরের উন্নয়নে প্রচুর কাজ করেছি। এখন বিজেপি বিধায়ক সাড়ে তিন বছরে শহরের জন্য কী করেছেন সেটা মানুষই বুঝতে পারছেন। বিজেপি শুধু ভাওতাবাজি করতে জানে।
মাথাভাঙা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সঞ্জীব পোদ্দার বলেন, শহরে বেশকিছু উন্নয়ন মূলক কাজ করা প্রয়োজন। বিধায়ককে তো দেখাই যায় না। সাড়ে তিন বছরে শহরের জন্য বিধায়ক কোন কাজই করেননি।
যদিও তাঁর বিরুদ্ধে যাবতীয় অভিযোগ খন্ডন করে মাথাভাঙার বিধায়ক সুশীল বর্মন বলেন, আমরা বিরোধী দলের বিধায়ক বলে এলাকা উন্নয়ন তহবিলের টাকা খরচ করতেই দেওয়া হয় না। পুরসভা কোনদিনও এনিয়ে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। আসলে মানুষের দাবি পূরণ করতে না পেরে আমাদের ঘাড়ে দায় চাপাতে চাইছে পুরসভা। মানুষ সবই জানেন। আমি মাথাভাঙায় কখন যাই, কোথায় বসি সেসব সাধারণ মানুষ জানেন।



