একদিকে বেনারসি। অন্যদিকে মসলিন সিল্ক। এ বলে আমায় দেখ, তো ও বলে আমায়। চতুষ্পর্ণীর ফ্যাশন শ্যুটে দু’ধরনের শাড়ি বেছে নিয়েছেন দুই অভিনেত্রী। তৈরি হয়েছে দু’ধরনের স্টাইল।
শ্রীমা ভট্টাচার্য পরেছেন একটি দুধে আলতা রঙের বেনারসি। ছকভাঙা বেনারসি এখন পছন্দ করেন আধুনিকারা। এই বেনারসিটিও খানিক আলাদা। পাড়, আঁচলে রয়েছে জরির কাজ। শাড়ির জমিতে চৌকো মোটিফ। সরু প্লিট করে শ্রীমা পরেছেন। সঙ্গে ডিজাইনার ব্লাউজ। শাড়ির নিজস্ব ব্লাউজও কাস্টমাইজ করে বানিয়েও স্টাইল করতে পারেন। এই ধরনের শাড়ি আটপৌরে করে পরলেও দারুণ মানাবে। বিয়ের অনুষ্ঠানে নানা ধরনের শাড়ি প্রয়োজন হয়। এই ধরনের হালকা বেনারসি সেই তালিকায় রাখতে পারেন। সোনালি গয়নায় সেজেছেন শ্রীমা। শাড়িতে কম কাজ থাকায় ভারী গয়না ভালো মানাবে। ছোট্ট টিপ, গ্লসি লিপস্টিক এবং খোলা চুলে স্টাইলিং করেছেন।
অনুষ্কা চক্রবর্তীর পরনে রয়েছে পিওর মসলিন সিল্ক। সঙ্গে জামদানির কাজ। নীল রঙের শাড়ির বর্ডারে রয়েছে গোল্ডেন জরি। নিজস্ব ব্লাউজ থাকলেও গোল্ডেন ব্লাউজ দিয়ে স্টাইলিং করেছেন অভিনেত্রী। সুন্দর করে বাঁধা খোঁপায় সাবেকিয়ানা ধরা পড়েছে। সঙ্গে সোনালি গয়না।
শাড়ি মানেই যেন ঐতিহ্যের ধারক। বাঙালি কন্যেরা বিশেষ অনুষ্ঠানে নানা ধরনের শাড়িতে নিজেদের সাজিয়ে তোলেন। সেক্ষেত্রে পিওর ফ্যাব্রিকের খোঁজে থাকেন তাঁরা। সিল্ক এমন একটি ফ্যাব্রিক যা সব বয়সে পরা যায়। পাশাপাশি এলিগ্যান্ট লুক তৈরি করে। যেকোনো উজ্জ্বল রং সিল্কে দারুণ মানানসই। এবার আপনার পছন্দের পালা। ব্যক্তিত্ব অনুযায়ী বেছে নিন শাড়ি। অন্য একজনকে যা মানাবে, তা আপনার ব্যক্তিত্বের সঙ্গে মানানসই নাও হতে পারে। আর অবশ্যই শাড়ি যেন আরামদায়ক হয়, সেটাও মনে রাখবেন। ব্যাস, এবার তৈরি হয়ে নিন। ভিড়ের মধ্যেও আলাদা হতে পারেন এই ধরনের শাড়ি দিয়েই।
স্বরলিপি ভট্টাচার্য



