Bartaman Logo
১৮ জুন, ২০২৬

সিবিএসই’র ৩ ভাষা নীতির পক্ষে সওয়াল করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, ফের পোর্টাল হ্যাকের দাবি

সিবিএসই-র তিন ভাষা নীতির পক্ষে সওয়াল করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। এক সাক্ষাত্কারে তিনি বলেন, ‘আমার মেয়েও অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত মারাঠি পড়েছে। অন্য একজনের মাতৃভাষা শেখা ভারতে অস্বাভাবিক কিছু নয়। জাতীয় শিক্ষানীতিতে সেই বিষয়টিকেই উত্সাহ দেওয়া হয়েছে।’

সিবিএসই’র ৩ ভাষা নীতির পক্ষে সওয়াল করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, ফের পোর্টাল হ্যাকের দাবি
  • ৩০ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: সিবিএসই-র তিন ভাষা নীতির পক্ষে সওয়াল করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। এক সাক্ষাত্কারে তিনি বলেন, ‘আমার মেয়েও অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত মারাঠি পড়েছে। অন্য একজনের মাতৃভাষা শেখা ভারতে অস্বাভাবিক কিছু নয়। জাতীয় শিক্ষানীতিতে সেই বিষয়টিকেই উত্সাহ দেওয়া হয়েছে।’ 

Advertisement

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকেই সিবিএসই-র নবম শ্রেণির পড়ুয়াদের জন্য তিনটি ভাষা শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এর মধ্যে দু’টি অবশ্যই ভারতীয় ভাষা হতে হবে। কিন্তু এই নীতির মাধ্যমে পড়ুয়াদের উপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি ও ঘুরিয়ে হিন্দি ভাষা শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করার চেষ্টা হচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠে। এছাড়া ভাষাশিক্ষার জন্য স্কুলগুলিতে প্রয়োজনীয় শিক্ষক নেই বলেও দাবি। সুপ্রিম কোর্টে এই নিয়ে মামলাও দায়ের হয়েছে। সেই বিষয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্ট যা বলবে, আমরা তাই করব।’ তাঁর দাবি, সিবিএসই নতুন কোনো ব্যবস্থা চালু করেনি। ৯৯ শতাংশ সিবিএসই স্কুলেই ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়ারা ভারতীয় ভাষায় পড়াশোনা করে। নতুন নিয়মে সেই ব্যবস্থা নবম শ্রেণিতেও চালু করা হচ্ছে।
এদিকে, সিবিএসই-র পোর্টালের নিরাপত্তা নিয়ে ফের প্রশ্ন তুললেন নিসর্গ অধিকারী নামে এক এথিক্যাল হ্যাকার। ১৯ বছর বয়সি ওই হ্যাকারের দাবি, তিনি বোর্ডের অন-স্ক্রিন মার্কিং ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত সার্ভারে ঢুকতে পেরেছিলেন। এর প্রমাণস্বরূপ ওই পোর্টালে ‘ব্যাড অ্যাপল’ নামে একটি মিউজিক ভিডিয়ো চালিয়ে দেখিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি সিবিএসই-র বিরুদ্ধে উত্তরপত্র মূল্যায়নে ভুল হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। সেই সময়ও নিসর্গ দাবি করেছিলেন, সিবিএসই-র পোর্টালে যে গরমিল রয়েছে, সেকথা নাকি আগেই জানিয়েছিলেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, বোর্ডের অন-স্ক্রিন মার্কিং পোর্টালের মধ্যে নিরাপত্তা সংক্রান্ত একাধিক বড়ো ত্রুটি খুঁজে পেয়েছিলেন। এই নিরাপত্তা ত্রুটিগুলির মাধ্যমে যে কেউ যে কোনো পড়ুয়ার নম্বর দেখতে এবং বদলে দিতে পারে বলেও দাবি করেন তিনি। যদিও এহেন অভিযোগ প্রসঙ্গে সিবিএসই’র তরফে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ