Bartaman Logo
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

অভিন্ন দেওয়ানি বিধি: রাষ্ট্রপতি ভবনেই পড়ে গুজরাত-অসম-মধ্যপ্রদেশের বিল

২০২৯ সালের মধ্যে ২১ এনডিএ শাসিত রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (ইউসিসি) বিল পাশ করানো হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

অভিন্ন দেওয়ানি বিধি: রাষ্ট্রপতি ভবনেই  পড়ে গুজরাত-অসম-মধ্যপ্রদেশের বিল
  • ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি,  নয়াদিল্লি: ২০২৯ সালের মধ্যে ২১ এনডিএ শাসিত রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (ইউসিসি) বিল পাশ করানো হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।  বিজেপি দলীয় এজেন্ডা পূরণের উদ্যোগ নিলেও রাষ্ট্রপতির সম্মতি কি মিলবে সহজে? বিলের বিধি তৈরি করে কার্যকরও কি হবে দ্রুত? রাজনৈতিক মহলে উঠছে প্রশ্ন। শরিকি সমর্থন আদায় এবং সর্বোপরি রাষ্ট্রপতির সম্মতি না হলে তো আইনই হবে না। 

Advertisement

গুজরাত,  মধ্যপ্রদেশ, অসম সম্প্রতি বিল বিধানসভায় পাশ করিয়ে দলীয় এজেন্ডা পূরণ করেছেন বটে। আদৌ কবে রাষ্ট্রপতির সই হয়ে আইনে পরিণত হবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে রয়েছে সংশয়। বিজেপি শাসিত উত্তরাখণ্ড বিধানসভায় বিল পাশের ৩২ দিন পর সই করেছেন রাষ্ট্রপতি। আর বিধি তৈরি করে তা কার্যকর হয়েছে ১০ মাস পর। ফলে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সরকার ইউসিসি বিল আনার উদ্যোগ নিলেও দ্রুত আইনে পরিণত হওয়া সহজ নয়। 
দেশের মধ্যে একমাত্র রাজ্য উত্তরাখণ্ড, যেখানে চালু হয়েছে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি। বিলটি ২০২৪ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি রাজ্য বিধানসভায় পাশ হয়। রাষ্ট্রপতি অনুমোদনের পর আইনটি কার্যকর করার জন্য বিভিন্ন সরকারি আধিকারিকের ক্ষমতা নির্ধারণ করে বিস্তারিত বিধি তৈরি করা হয়। কার্যকর হয় ২০২৫ সালের ২৭ জানুয়ারি। এবার রাজ্য বিধানসভায় বিল পাশ করে রাষ্ট্রপতির সম্মতির অপেক্ষায় রয়েছে অসম, গুজরাত এবং মধ্যপ্রদেশ। 
গুজরাট বিধানসভা গত ২৪ মার্চ ইউসিসি বিল পাশ করেছে। ফের অসম জেতার পর গত ২৭ মে বিধানসভায় ইউসিসি বিল পাশ করিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। মধ্যপ্রদেশ সরকার গত ২১ জুলাই বিধানসভায় ইউসিসি বিল পাশ করিয়ে পরেরদিনই রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠিয়েছে।
এরপর উদ্যোগ নিচ্ছে বিহার, বাংলা, উত্তরপ্রদেশ, উড়িশা, ছত্তিশগড়, মহারাষ্ট্রের মতো রাজ্য। রাজস্থান গত ২১ আগস্ট বিধানসভায় বিল পেশ করেছে। এখনো পাশ হয়নি। তবে এনডিএ শরিক জেডিইউ, টিডিপি, এলজেপির মতো দল অভিন্ন দেওয়ানি বিধি আইন আনার পক্ষে স্বচ্ছন্দ নয়। এনডিএ শরিক মেঘালয় এবং নাগাল্যাণ্ড এই বিলের বিপক্ষে। ফলে অমিত শাহ ঘোষণা করেছেন বটে, বাস্তবে তা কার্যকর মোটেই সহজ নয় বলেই রাজনৈতিক মহলের মত। বিষয়টি ভারতের বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্য নষ্ট করবে বলেই সিংহভাগের মত। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ