নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: ১৯ নম্বর জাতীয় সড়ক নিয়ে শিল্পাঞ্চলের মানুষের অভিযোগের অন্ত নেই। কোথাও সার্ভিস রোডের করুণ দশা। কোথাও আবার গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে সাবওয়ে বা ফুটব্রিজই নেই। মানুষকে প্রাণ হাতে নিয়েই চলাচল করতে হয়। নিত্যদিন ঘটে দুর্ঘটনা। কেন প্রয়োজনীয় জায়গায় সাবওয়ে হচ্ছে না, তা নিয়ে প্রশ্ন বহুদিনের। অবশেষে জানা গিয়েছে, জটিলতার কারণ। জানা গিয়েছে, জাতীয় সড়কের পাশ দিয়ে গিয়েছে বেসরকারি সংস্থার গ্যাসের পাইপ লাইন। সাবওয়ে নির্মাণে সেটিই এখন বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
১৯নম্বর জাতীয় সড়কের সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রজেক্ট ডিরেক্টর প্রমোদ মাহাত বলেন, আমরা চারটি জায়গায় সাবওয়ে নির্মাণ করব। অণ্ডাল থানার অণ্ডাল গ্রাম মোড়, রানিগঞ্জ থানার বাঁশড়া মোড়, জামুড়িয়া থানার চাঁদা মোড় ও বামনা মোড়। সেখানে সাবওয়ে নির্মাণের প্রধান বাধা হয়ে উঠেছে মাটির নীচে থাকা ভূগর্ভস্থ গ্যাসের পাইপ লাইন। তা সরানো ঝুঁকিপূর্ণ। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে।
অণ্ডাল গ্রাম মোড় পশ্চিম বর্ধমান জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মোড়। সেখানেই একপাশে রয়েছে কাজী নজরুল ইসলাম বিমান বন্দর। পাশ দিয়ে যাওয়া ১৯নম্বর জাতীয় সড়কের সেই মোড়ে নেই কোনও সাবওয়ে।
ফলে অন্য লেনের গাড়িগুলিকে গোপালমাঠ সাবওয়ে, নয়তো অণ্ডাল সাবওয়ে দিয়ে ঘোরাতে হয়। অনেকটাই দূরে সেই সাবওয়েগুলি থাকায় জাতীয় সড়কের ডিভাইডারের একটি অংশ কেটে ঝুঁকিপূর্ণভাবেই গাড়িগুলি ঘোরানো হয়। সেখানে গ্রামবাসীদের যাতায়াতের জন্য ফুটব্রিজের কথা ভাবা হয়েছিল। এখন গাড়ি ঘোরানোর জন্য সাবওয়ে নির্মাণের সিদ্ধান্ত হয়েছে। কিন্তু সেখানেও বাধা গ্যাসের পাইপ লাইন।
রানিগঞ্জ বাঁশড়া মোড়টিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একদিকে বক্তারনগর, অন্যদিকে আমরাসোতা। একাধিক কয়লা খনি অঞ্চলে ইসিএলের হাসপাতাল রয়েছে। সেখানেও সাবওয়ে নির্মাণ করতে চায় জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ। একইভাবে চাঁদা মোড় শিল্পাঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মোড়।