নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ইতিমধ্যে বর্ষা ঢুকে পড়েছে উত্তরবঙ্গে। জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহে বর্ষা ঢুকে পড়বে দক্ষিণবঙ্গেও। তার থেকেও বড় কথা, আবহওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী রাজ্যে এই মরশুমে দীর্ঘকালীন গড়ের ৫ থেকে ৬ শতাংশ বেশি বৃষ্টিপাত হবে। এই পরিস্থিতিতে গতবারের মতো বাংলায় বন্যাপরিস্থিতি এড়াতে মরিয়া রাজ্য সরকার। এই উদ্দেশ্যে বৃহস্পতিবার সেচমন্ত্রী মানস ভুঁইয়া একটি বৈঠক করেন। সেখানে সেচদপ্তরের পদস্থ কর্তাদের সঙ্গে ছিলেন আবহাওয়া দপ্তর, সেন্ট্রাল ওয়াটার কমিশন, দামোদর ভ্যালি রিজার্ভার রেগুলেশন কমিটি (ডিভিআরআরসি) এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্তারা। ডিভিসির বিভিন্ন জলাধার থেকে জল ছাড়ার খবর রাজ্যকে আগাম জানানোর দাবি জানানো হয়। ঝড়খণ্ডের তেনুঘাট ড্যামকে ডিভিআরআরসি’র অধীনে ‘ইউনিফায়েড কন্ট্রোলে’ আনার বিষয়টিও রাজ্য তোলে। তার প্রয়োজনীয়তার কথা এদিনের বৈঠকে স্বীকারও করে নিয়েছে ডিভিআরআরসি কর্তৃপক্ষ। তবে মোদি সরকারের উদাসীনতার ফলে তা এখনও সম্ভব হয়নি বলে অভিযোগ রাজ্য প্রশাসনের। এজন্য বাংলায় বন্যার আশঙ্কা রয়েই গেল। প্রসঙ্গত, গতবছর দুর্গাপুজোর আগে বাংলায় ‘ম্যান মেড বন্যার’ মূল কারণই ছিল রাজ্যকে না জানিয়ে ডিভিসি’র জল ছাড়া। এই বিষয়ে মানসবাবু বলেন, এর থেকেই পরিষ্কার যে কেন্দ্রের কাছে বাংলা সবসময় বঞ্চনার তালিকায় থাকে। না-হলে এক্ষেত্রে পদক্ষেপ না নেওয়ার কোনও কারণই নেই। ‘ইউনিফায়েড কন্ট্রোল’ হলে ঝড়খণ্ডের একক সিদ্ধান্তে এই ড্যাম থেকে জল ছাড়া যাবে না, দরকার হবে বাংলারও অনুমতি গ্রহণ।



