সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে কোনো কর্মীকে সরকারি দপ্তর এবং সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত অফিস বা প্রতিষ্ঠানে রাখা যাবে না। সম্প্রতি রাজ্য সরকার এমনই নির্দেশিকা জারি করেছে। রাজ্যের নয়া নির্দেশিকায় সমস্যায় উলুবেড়িয়ার জগৎপুরের আনন্দ ভবন ডেফ অ্যান্ড ব্লাইন্ড স্কুল কর্তৃপক্ষ। কারণ নামমাত্র সাম্মানিকে যে চিকিৎসক এখানকার পড়ুয়াদের চিকিৎসা করতেন, তাঁর বয়স ৬০ পেরিয়েছে অনেক আগেই। ফলে তিনি আর এই স্কুলে চিকিৎসা করতে পারবেন না। ইতিমধ্যে সমস্যার বিষয় জানিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অধিকর্তাকে চিঠি দিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ।
আনন্দ ভবন ডেফ অ্যান্ড ব্লাইন্ড স্কুলে প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ৮০ জন বিশেষভাবে সক্ষম আবাসিক পড়ুয়া থাকে। ২০০৭ সালে মাসিক মাত্র ৩ হাজার টাকা সাম্মানিকে আংশিক সময়ের একজন চিকিৎসক নিযুক্ত হন। এরপর দীর্ঘ ২০ বছর ধরে ওই চিকিৎসকের সাম্মানিক বাড়েনি। স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অজয় দাস বলেন, ওই চিকিৎসকের বয়স ৬০ পেরিয়ে যাওয়ায় সরকার তাকে বাতিল করেছে। এদিকে ৬০ বছরের নীচে অন্য কোনো চিকিৎসক আমাদের স্কুলে এই পরিষেবা দিতে রাজি নন। কারণ একে স্কুলটি প্রত্যন্ত এলাকায়, আবার সাম্মানিকও খুব কম। ফলে শিশুদের চিকিৎসা এবার কী করে হবে, সেই বিষয়টি আমাদের ভাবিয়ে তুলেছে। তবে সব নিয়মের একটা ব্যতিক্রম আছে। এটাকেও সেই ব্যতিক্রম হিসাবে গণ্য করা উচিত।