Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

উমার হাতে অস্ত্র তুলে দিতে চরম ব্যস্ততা উলুবেড়িয়ায়

আর উমার হাতে অস্ত্র পৌঁছে দিতে এখন চরম ব্যস্ততা উলুবেড়িয়া ১ নম্বর ব্লকের বাড়বেড়িয়া, গুটিনাগুড়ি গ্রামে।

উমার হাতে অস্ত্র তুলে দিতে  চরম ব্যস্ততা উলুবেড়িয়ায়
  • ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: কৈলাস থেকে উমা আসছেন। আর উমার হাতে অস্ত্র পৌঁছে দিতে এখন চরম ব্যস্ততা উলুবেড়িয়া ১ নম্বর ব্লকের বাড়বেড়িয়া, গুটিনাগুড়ি গ্রামে। রাতদিন নাওয়া খাওয়া ভুলে এখন অস্ত্র তৈরিতে ব্যস্ত এইসব গ্রামের পুরুষ ও মহিলারা। অস্ত্র তৈরির কারিগরদের মতে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দুর্গাপুজোয় অনুদান দেওয়ার পর থেকেই পুজোর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে মায়ের হাতের অস্ত্রের চাহিদাও বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে হাসি ফুটেছে এইসব পরিবারে। প্রথমে টিনকে সাইজ মতো কাটা। তারপর পিটিয়ে চক্র, ত্রিশূল, শঙ্খ, বজ্র, গদা সহ বিভিন্ন অস্ত্র তৈরি করা। পরে তার গায়ে রং করে বাক্সে ভরে বাজারজাত করা।

Advertisement

হাওড়া জেলার যে সব জায়গায় দেবীর অস্ত্র তৈরি হয়, তার মধ্যে উলুবেড়িয়ার বাড়বেড়িয়া, গুটিনাগুড়ি গ্রাম অন্যতম। সারা বছরই এইসব গ্রামের পুরুষ ও মহিলারা অস্ত্র তৈরি করেন। তবে দুর্গাপুজো এলে কাজের চাপ অনেকটাই বেড়ে যায়। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলে কাজ। সাধারণত আষাঢ় থেকে কার্তিক মাস পর্যন্ত এই চাপ থাকে। বুধবার বাড়বেড়িয়ার একটি কারখানায় গিয়ে দেখা গেল, সেখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে টিন। কেউ সাইজ মতো টিন কেটে অস্ত্র তৈরি করছেন, কেউ তাতে দিচ্ছেন রঙের প্রলেপ। কথা প্রসঙ্গে কারিগর নিতাই বোল বলেন, সারা বছরই টুকটাক প্রতিমার অস্ত্র তৈরি হয়। তবে পুজোর সময় কাজের চাপ অনেকটাই বেড়ে যায়। আরেক কারিগর সঞ্জয় মান্না বলেন, প্রতিমার অস্ত্রের চাহিদা আগের থেকে অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। আগে যেসব পুজো টাকার অভাবে বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছিল, সেগুলি সরকারি অনুদান পাওয়ায় ফের স্বমহিমায় ফিরেছে। পুজোর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় টিনের অস্ত্রের চাহিদা যেমন বৃদ্ধি পেয়েছে, তেমনই ছোট ছোট কারখানার সংখ্যাও বেড়েছে।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ