সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: উলুবেড়িয়ার শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় মেডিক্যাল কলেজ চত্বরে বেআইনি গাড়ি পার্কিং আটকাতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। সেইমতো অনুমোদিত গাড়িতে স্টিকার লাগানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ। তারপর কয়েক মাস কেটে গেলেও এখনও হাসপাতাল চত্বরে রমরমিয়ে চলছে বেআইনি পার্কিং। যত্রতত্র গাড়ি পার্কিংয়ের ফলে সমস্যায় পড়ছেন রোগী ও তাঁদের পরিজনরা। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ স্টিকার ইস্যু করলেও কীভাবে বিনা স্টিকারের গাড়ি হাসপাতাল চত্বরে পার্কিং করছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাধারণ মানুষ। যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, পুলিসের অসহযোগিতার কারণেই বেআইনি পার্কিং বন্ধ করা যাচ্ছে না।
মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ভিতরে বেআইনি পার্কিংয়ের সমস্যা দীর্ঘদিনের। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত হাসপাতালের মূল প্রবেশদ্বার থেকে শুরু করে বিভিন্ন জায়গায় ছোট চারচাকার গাড়ি থেকে অটো, টোটো, শববাহী গাড়ি থেকে পিকআপ ভ্যান ঘণ্টার পর ঘণ্টা বেআইনিভাবে পার্কিং করা থাকছে। এমনকী, কলেজের ছাত্রী হস্টেলের সামনেও ঘণ্টার পর ঘণ্টা গাড়ি পার্কিং করা থাকছে। এতেই সমস্যায় পড়ছেন রোগীর আত্মীয়রা। অভিযোগ, এই মেডিক্যাল কলেজের সঙ্গে যুক্ত নন, এমন অনেকেই হাসপাতাল চত্বরে গাড়ি পার্কিং করে যে যাঁর কাজে চলে যাচ্ছেন।
সূত্রের খবর, হাসপাতাল চত্বরে বেআইনি গাড়ি পার্কিং আটকাতে কয়েক মাস আগে হাসপাতালের ডাক্তার ও সরকারি কাজে ব্যবহৃত গাড়িতে স্টিকার লাগানোর সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ। ঠিক হয়, ওই স্টিকার ছাড়া অন্য গাড়িকে ওই চত্বরে পার্কিং করতে দেওয়া হবে না। কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর না হওয়ায় এখনও পর্যন্ত বেআইনি পার্কিং বন্ধ করা যাচ্ছে না। হাসপাতাল চত্বরে বেআইনি পার্কিং বন্ধ না হওয়ায় পুলিসের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মেডিক্যাল কলেজের এমএসভিপি ডাঃ অগ্নিহোত্রী ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, হাসপাতাল অনুমোদিত গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য স্টিকার ইস্যু করা হয়েছিল। যাতে বিনা স্টিকারের গাড়ি হাসপাতাল চত্বরের ভিতরে থাকতে না পারে। কিন্তু পুলিসের তরফ থেকে এ ব্যাপারে আমরা কোনও সহযোগিতা পাচ্ছি না। এ বিষয়ে হাওড়া গ্রামীণ জেলার পুলিস সুপারের কাছে অভিযোগ পর্যন্ত জানানো হয়েছে। এই প্রসঙ্গে হাওড়া গ্রামীণের পুলিস সুপার সুবিমল পাল বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নিজস্ব চিত্র