Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

উলুবেড়িয়া: পান্তা ভাত, আলু, পটল, বেগুন পোড়া খেয়ে কৈলাসে পাড়ি দেন বন্দ্যোপাধ্যায় বাড়ির উমা

ছোট-বড় মিলিয়ে উলুবেড়িয়া শহরে শতাধিক সর্বজনীন দুর্গাপুজো হলেও পরিবারিক পুজোর সংখ্যা হাতেগোনা।

উলুবেড়িয়া: পান্তা ভাত, আলু, পটল, বেগুন পোড়া খেয়ে কৈলাসে পাড়ি দেন বন্দ্যোপাধ্যায় বাড়ির উমা
  • ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: ছোট-বড় মিলিয়ে উলুবেড়িয়া শহরে শতাধিক সর্বজনীন দুর্গাপুজো হলেও পরিবারিক পুজোর সংখ্যা হাতেগোনা। শহরে যে কয়েকটি প্রাচীন পারিবারিক পুজো আজও ঐতিহ্য বহন করে চলেছে, তার মধ্যে অন্যতম নোনা বন্দ্যোপাধ্যায় বাড়ির দুর্গাপুজো। এ বছর ১৩০ বছরে পদার্পণ করছে এই পুজো।

Advertisement

পরিবার সূত্রে খবর, পূর্বপুরুষ যোগীন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরেই এই পুজো শুরু হয়েছিল। তাঁর বয়স যখন দশ কি বারো, তখন নিজের হাতেই মাটি দিয়ে দুর্গা প্রতিমা তৈরি করে পুজোর সূচনা করেছিলেন যোগীন্দ্রনাথ। পরবর্তীকালে এভাবে নিজে প্রতিমা গড়ে পুজো করেন। বর্তমানে অবশ্য বাড়িতেই শিল্পীরা এসে প্রতিমা গড়ার কাজ করেন। পরিবারের অন্যতম সদস্য শিবনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ইন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, জন্মাষ্টমীর দিন কাঠামোয় মাটি দিয়ে প্রতিমা তৈরির কাজ শুরু হয়। কালিকা পুরাণ মতে পুজো হয় এখানে। বংশ পরম্পরায় ঠাকুর দালানে দুর্গাপুজো হয়ে আসছে। এখনও তার ব্যতিক্রম হয়নি। তাঁদের কথায়, সপ্তমী থেকে দশমী পর্যন্ত মাকে নানা পদের ভোগ দেওয়া হয়। সন্ধিপুজোয় চালকুমড়ো বলি দেওয়া হয়। নবমীর দিন হয় কুমারীপুজো। দশমীর দিন উমাকে ভোগ হিসেবে পান্তা ভাত, আলু, পটল ও বেগুন পোড়া দেওয়া হয়। তারপর মা কৈলাসের পথে রওনা দেন। পরিবারের আরেক সদস্য প্রদ্যুঘ্ন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, দশমীর দিন পারিবারিক রীতি মেনে ঘট বির্সজন দেওয়া হলেও প্রতিমা সারা বছর বাড়িতেই রাখা থাকে। পরে শ্রাবণ মাসের শুক্ল দশমীতে প্রতিমা বির্সজন দেওয়া হয়। দশমীর দিন কাদামাটি খেলার পাশাপাশি সিঁদুর খেলা ও মিষ্টি মুখ করা হয়।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ