নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ ও মালদহ, সংবাদদাতা পতিরাম: দক্ষিণের জেলাগুলিতে প্রভাব পড়লেও আলু ব্যবসায়ীদের ধর্মঘটে দাম বৃদ্ধির আঁচ নেই উত্তর দিনাজপুর, মালদহ ও দক্ষিণ দিনাজপুরের বাজারগুলিতে। ধারাবাহিকভাবে তিন জেলার খুচরো বাজারে আলুর দাম ঘোরাফেরা করছে কেজি প্রতি ৩২ থেকে ৩৫ টাকার মধ্যে। তবে শীতের নতুন আলু বাজারে চলে এলেও কেন পুরনোর দাম এখনও কমেছে না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে নানা মহলে।
Advertisement
ক্রেতাদের বক্তব্য, এবছর পুজোর আগে থেকেই একটানা আলু কেজি প্রতি ৩০ থেকে ৩৫ টাকা দরে বিক্রি হয়ে চলেছে। যার দাম কমার কোনও লক্ষণই দেখা যাচ্ছে না। এব্যাপারে অবশ্য মুখ খোলেনি উত্তর দিনাজপুর জেলা কৃষি বিপণন দপ্তর। এ ব্যাপারে জেলার কৃষি বিপণন আধিকারিক অনিল কুমার শর্মাকে বারবার ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি। ইসলামপুর প্রগতিশীল আলু ব্যবসায়ী সমিতির অন্যতম সদস্য সুরজিৎ দাস বলেন, মঙ্গলবার কোল্ডস্টোরেজ থেকে ৫০ কেজির আলুর বস্তা বেরিয়েছে ১ হাজার ১৫০ টাকা দামে। অর্থাৎ কুইন্টাল প্রতি আলুর দাম ছিল ২ হাজার ৩০০ টাকা। সেই বস্তা খুচরো ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি হয়েছে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৫০০ টাকায়। এরপর খুচরো বাজারের বিক্রেতারা বলতে পারবেন কত দামে বিক্রি হয়েছে।
এদিন রায়গঞ্জের মোহনবাটি বাজারে ক্রেতারা এক কেজি আলু কিনেছেন ৩৫ টাকা দরে। যদিও সুফল বাংলার স্টলে দাম ছিল ২৫ টাকা। রায়গঞ্জের বাসিন্দা চন্দ্রনারায়ণ সাহা বলেন, আলুর দাম কিছুতেই কমছে না। এখনও ৩২ থেকে ৩৫ টাকা দরেই বিক্রি হচ্ছে। নতুন আলু বাজারে এলেও তার প্রভাব সাধারণ ক্রেতারা দেখতে পাচ্ছেন না।
একই অবস্থা মালদহে। বাজারে নতুন আলু চলে এলেও পুরনোর দাম কমেনি। জ্যোতি আলু কিনতে গিয়ে এখনও ছ্যাঁকা লাগছে মধ্যবিত্তের হাতে। মালদহে আলু ব্যবসায়ীরা ধর্মঘটের পথে না হাঁটলেও দাম এখনও পুরোপুরি সাধ্যের মধ্যে আসেনি। মালদহের রেগুলেটেড মার্কেট কমিটির (আরএমসি) সেক্রেটারি অসিত বর বলেন, আমাদের এখানে আলু ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট হচ্ছে না। বাজারে নতুন এবং পুরানো আলুর দাম নিয়ন্ত্রণের মধ্যেই আছে। তবে সোমবার সকালে ইংলিশবাজারের চিত্তরঞ্জন ও নেতাজি বাজার এবং মকদুমপুর বাজার সদরঘাট বাজারে পুরনো আলুর দাম ছিল ৩০ থেকে ৩৫ টাকা প্রতি কেজি। এদিন সকালে নতুন আলু বিক্রি হয়েছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা দামে।
ধর্মঘটে নেই দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার আলু ব্যবসায়ীরাও। তবে এদিনও বালুরঘাটের বড়বাজারে পোখরাজ আলুর দাম কেজি প্রতি ৩২ টাকা, জ্যোতি ৩৫ টাকা, চন্দ্রমুখী ৩৮-৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। আলুর দাম কিছুতেই কমছে না বলে অভিযোগ বাজার করতে আসা ক্রেতাদের। এক ক্রেতা শ্যামল সরকার বলেন, গতবার এই সময় আলুর দাম কম ছিল। কিন্তু এ বছর কিছুতেই কমছে না। মধ্যবিত্তরা আলু কিনতে সমস্যায় পড়ছি।
বালুরঘাট ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক হরেরাম সাহার কথায়, আলুর দাম বেশি রয়েছে। তবে আমরা এখনও ধর্মঘটে সামিল হইনি। অন্যদিকে, প্রশাসন জানিয়েছে, কৃষি বিপণন দপ্তরের অভিযান চলছে। আলুর দাম নিয়ন্ত্রণে বাজারে নজরদারি চালানো হচ্ছে।
এদিন রায়গঞ্জের মোহনবাটি বাজারে ক্রেতারা এক কেজি আলু কিনেছেন ৩৫ টাকা দরে। যদিও সুফল বাংলার স্টলে দাম ছিল ২৫ টাকা। রায়গঞ্জের বাসিন্দা চন্দ্রনারায়ণ সাহা বলেন, আলুর দাম কিছুতেই কমছে না। এখনও ৩২ থেকে ৩৫ টাকা দরেই বিক্রি হচ্ছে। নতুন আলু বাজারে এলেও তার প্রভাব সাধারণ ক্রেতারা দেখতে পাচ্ছেন না।
একই অবস্থা মালদহে। বাজারে নতুন আলু চলে এলেও পুরনোর দাম কমেনি। জ্যোতি আলু কিনতে গিয়ে এখনও ছ্যাঁকা লাগছে মধ্যবিত্তের হাতে। মালদহে আলু ব্যবসায়ীরা ধর্মঘটের পথে না হাঁটলেও দাম এখনও পুরোপুরি সাধ্যের মধ্যে আসেনি। মালদহের রেগুলেটেড মার্কেট কমিটির (আরএমসি) সেক্রেটারি অসিত বর বলেন, আমাদের এখানে আলু ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট হচ্ছে না। বাজারে নতুন এবং পুরানো আলুর দাম নিয়ন্ত্রণের মধ্যেই আছে। তবে সোমবার সকালে ইংলিশবাজারের চিত্তরঞ্জন ও নেতাজি বাজার এবং মকদুমপুর বাজার সদরঘাট বাজারে পুরনো আলুর দাম ছিল ৩০ থেকে ৩৫ টাকা প্রতি কেজি। এদিন সকালে নতুন আলু বিক্রি হয়েছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা দামে।
ধর্মঘটে নেই দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার আলু ব্যবসায়ীরাও। তবে এদিনও বালুরঘাটের বড়বাজারে পোখরাজ আলুর দাম কেজি প্রতি ৩২ টাকা, জ্যোতি ৩৫ টাকা, চন্দ্রমুখী ৩৮-৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। আলুর দাম কিছুতেই কমছে না বলে অভিযোগ বাজার করতে আসা ক্রেতাদের। এক ক্রেতা শ্যামল সরকার বলেন, গতবার এই সময় আলুর দাম কম ছিল। কিন্তু এ বছর কিছুতেই কমছে না। মধ্যবিত্তরা আলু কিনতে সমস্যায় পড়ছি।
বালুরঘাট ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক হরেরাম সাহার কথায়, আলুর দাম বেশি রয়েছে। তবে আমরা এখনও ধর্মঘটে সামিল হইনি। অন্যদিকে, প্রশাসন জানিয়েছে, কৃষি বিপণন দপ্তরের অভিযান চলছে। আলুর দাম নিয়ন্ত্রণে বাজারে নজরদারি চালানো হচ্ছে।



