নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহর ফেসবুক পোস্টে ‘লাল ফুলের’ ছবি। সেই ছবিতে দেখা যাচ্ছে সাংসদ জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া, সিতাইয়ের বিধায়ক সঙ্গীতা রায় ও উদয়ন গুহকে। আর মন্তব্যে তিনি লিখেছেন, ‘আজ কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের কর্মিসভার মঞ্চে বেশিটাই লালফুল।’ তারপরেই উদয়নের ঘনঘন বেসুরো হওয়া নিয়ে শুরু হয়েছে চর্চা। এদিকে, শনিবার কোচবিহার পুরসভায় বোর্ড মিটিং ডাকার পরেও হঠাৎ তা স্থগিত করে দেওয়া হয়। তারপরেই উদয়ন পোস্টে বউমার হাতে শাশুড়ির চাবি হস্তান্তর করার প্রসঙ্গও উঠে আসে। যা নিয়েই কোচবিহারে তৃণমূলের রাজনীতিতে শীতের কুয়াশার মতোই ধোঁয়াশা ক্রমেই বাড়ছে।
Advertisement
বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা রবীন্দ্রনাথ ঘোষ ও প্রাক্তন সাংসদ পার্থপ্রতিম রায়কে দলের বর্ধিত সভায় না ডাকাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের যে গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে এসেছিল, তা যেন এখন চরম আকার নিয়েছে। এই পরিস্থিতি যদি চলতে থাকে, তাহলে দলের নিচুতলার কর্মীরা বিভ্রান্ত হয়ে পড়বেন বলে মনে করছে তথ্যাভিজ্ঞ মহল।
রবিবাবু এদিন দাবি করেছেন, কোচবিহার পুরসভার একাংশ কাউন্সিলার পূর্ণকুম্ভে গিয়েছেন ও অসুস্থ আছেন। তাই বোর্ড মিটিং স্থগিত করা হয়েছে। সমস্ত কাউন্সিলাররা ফিরে এলে তখন আবার বোর্ড মিটিং করা হবে। কাউন্সিলাররা দল করেন। তাই দলের নেতৃত্ব ডাকলে তাঁরা যাবেন এটাই স্বাভাবিক। আমাকে কোনও কাউন্সিলার কিছু বলেননি। আমি এদিনও তিনটি রাস্তার কাজের সূচনা করেছি। মুখ্যমন্ত্রী সব জানেন। তিনিই সব সিদ্ধান্ত নেবেন। এখন প্রচারের যুগ। কার কী রং জানা নেই। তবে যাঁর যা রং তাঁরা সেটাই প্রকাশ করছেন। মার্কেটিং করছেন। আমাদের রং সবুজ। বাকিটা খদ্দেররা বুঝবেন, তাঁরা কোন রং পছন্দ করবেন।
উদয়নবাবুর দাবি, মঞ্চের সামনে লাল ফুলই ছিল। তিনি শুধু সেই ছবিটিই পোস্ট করেছেন। এতে অন্য কিছু নেই। আর শাশুড়ি একদিন বউ হয়ে আসেন। তিনি পুরনো হয়ে যান। শাশুড়ি স্বেচ্ছায় সংসারের চাবি ছেলের বউকে দিয়ে দিলে সংসারে শান্তি থাকে। তবে কোচবিহার পুরসভার বিষয়ে আমার কোনও বক্তব্য নেই। কুয়াশা পড়লে বেলা গড়ালে আবার রোদও ওঠে। মানুষ স্বাভাবিক কাজকর্মই করেন।
রবিবাবু এদিন দাবি করেছেন, কোচবিহার পুরসভার একাংশ কাউন্সিলার পূর্ণকুম্ভে গিয়েছেন ও অসুস্থ আছেন। তাই বোর্ড মিটিং স্থগিত করা হয়েছে। সমস্ত কাউন্সিলাররা ফিরে এলে তখন আবার বোর্ড মিটিং করা হবে। কাউন্সিলাররা দল করেন। তাই দলের নেতৃত্ব ডাকলে তাঁরা যাবেন এটাই স্বাভাবিক। আমাকে কোনও কাউন্সিলার কিছু বলেননি। আমি এদিনও তিনটি রাস্তার কাজের সূচনা করেছি। মুখ্যমন্ত্রী সব জানেন। তিনিই সব সিদ্ধান্ত নেবেন। এখন প্রচারের যুগ। কার কী রং জানা নেই। তবে যাঁর যা রং তাঁরা সেটাই প্রকাশ করছেন। মার্কেটিং করছেন। আমাদের রং সবুজ। বাকিটা খদ্দেররা বুঝবেন, তাঁরা কোন রং পছন্দ করবেন।
উদয়নবাবুর দাবি, মঞ্চের সামনে লাল ফুলই ছিল। তিনি শুধু সেই ছবিটিই পোস্ট করেছেন। এতে অন্য কিছু নেই। আর শাশুড়ি একদিন বউ হয়ে আসেন। তিনি পুরনো হয়ে যান। শাশুড়ি স্বেচ্ছায় সংসারের চাবি ছেলের বউকে দিয়ে দিলে সংসারে শান্তি থাকে। তবে কোচবিহার পুরসভার বিষয়ে আমার কোনও বক্তব্য নেই। কুয়াশা পড়লে বেলা গড়ালে আবার রোদও ওঠে। মানুষ স্বাভাবিক কাজকর্মই করেন।



