সংবাদদাতা, কাটোয়া: মাঘ মাসের শুরুতেই কাটোয়া মহকুমাজুড়ে একাধিক মেলায় মেতে উঠেছেন গ্রামের বাসিন্দারা। বুধবার থেকে মহকুমার এসমস্ত মেলায় ভিড় উপচে পড়েছে। কাটোয়ার গোয়াই পঞ্চায়েতের বাঁদরা গ্রামে ঐতিহ্যবাহী কালু রায় মেলা, পঞ্চাননতলায়, গাঁফুলিয়ায় মেলা হচ্ছে। মঙ্গলকোটের উজানিতেও মাঘি মেলা শুরু হয়েছে।
Advertisement
ফি বছর পয়লা মাঘ থেকেই কেতুগ্রাম-২ ব্লকের সীতাহাটি পঞ্চায়েতের উদ্ধারণপুরে শ্রীচৈতন্যের পার্ষদ ও দ্বাদশ গোপালের অন্যতম উদ্ধারণ দত্তের আবির্ভাব দিবস উপলক্ষ্যে চারদিনব্যাপী মেলা শুরু হয়। এবারও তার অন্যথা হয়নি। তবে মতান্তরে, এই দিনকে তাঁর তিরোধান দিবসও বলেন অনেকে। কেতুগ্রাম-২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বিকাশ বিশ্বাস বলেন, মেলায় এসে কারও যাতে অসুবিধা না হয়, সেজন্য আমরা সবরকম ব্যবস্থা করেছি।
ভাগীরথীতে উত্তরায়ণের স্নানে পুণ্যলাভের আশায় বিবাহিত মহিলারা এদিন উদ্ধারণপুরে ভিড় জমান। হাজার হাজার বিবাহিত মহিলা এদিন স্বামী ও সংসারের মঙ্গলকামনায় গঙ্গায় উত্তরায়ণের স্নান সেরে শাঁখা পরেন। তাঁদের বিশ্বাস, এই দিনে গঙ্গাদেবীকে শাঁখা, সিঁদুর ও ফুল দেওয়া হলে আজীবন সধবা হয়ে বেঁচে থাকা যাবে। তাই দূরদূরান্ত থেকে পুণ্যার্থীরা এসে গঙ্গায় ফুলের ডালা ভাসিয়ে পুণ্যস্নান সারেন। স্নান সেরে অনেকেই নতুন শাঁখা পরেন। আবার অনেকে শাঁখা কিনে বাড়ি ফেরেন।
সাধক উদ্ধারণ দত্ত নৈহাটি গ্রামের নৈরাজার দেওয়ান ছিলেন। নৈরাজার বংশ লোপ পেলে উদ্ধারণ দত্ত ধীরে ধীরে রাজকার্য পরিচালনায় দক্ষ হয়ে ওঠেন। রাজকার্য চালাতে গিয়ে তিনি শ্রীচৈতন্যদেবের পার্ষদ নিত্যানন্দ মহাপ্রভুর সংস্পর্শে আসেন। তাঁর কাছেই বৈষ্ণব ধর্মে দীক্ষিত হন। তিনি নিত্যানন্দ ও শ্রীচৈতন্যদেবের সঙ্গে তীর্থ পরিক্রমা করেন। এরপর নিজের গ্রামে ফিরে গৌরাঙ্গ ও নিত্যানন্দের দারুবিগ্রহ প্রতিষ্ঠা করে সাধনা শুরু করেন। তাঁর নামেই গ্রামের নাম হয় উদ্ধারণপুর।
আর একটি জনশ্রুতি অনুযায়ী, গঙ্গাদেবীর নাকি হাতের শাঁখা বেড়ে গিয়েছিল। তাই তিনি উদ্ধারণপুর গ্রামের পাশেই শাঁখাই গ্রামের এক শাঁখারির কাছে শাঁখা পরেছিলেন। বৈষ্ণব উদ্ধারণ দত্ত নাকি এই অলৌকিক দৃশ্যটি দেখে ফেলেন। তাই সেই ধর্মীয় বিশ্বাস থেকেই কেতুগ্রামের উদ্ধারণপুর ঘাটে উত্তরায়ণের স্নানে পুণ্যলাভের আশায় বিবাহিত মহিলারা ভিড় জমান। অনেক ভক্ত স্নান সেরে উদ্ধারণপুরের মেলার মাঠে রান্না করে খেয়ে বাড়ি ফেরেন। বীরভূম, নদীয়া ও মুর্শিদাবাদ জেলা থেকে পুণ্যার্থীর দল এখানে এসেছেন। মেলায় আসা ভক্তরা পথে পথে লীলাকীর্তনও করেন।
ভাগীরথীতে উত্তরায়ণের স্নানে পুণ্যলাভের আশায় বিবাহিত মহিলারা এদিন উদ্ধারণপুরে ভিড় জমান। হাজার হাজার বিবাহিত মহিলা এদিন স্বামী ও সংসারের মঙ্গলকামনায় গঙ্গায় উত্তরায়ণের স্নান সেরে শাঁখা পরেন। তাঁদের বিশ্বাস, এই দিনে গঙ্গাদেবীকে শাঁখা, সিঁদুর ও ফুল দেওয়া হলে আজীবন সধবা হয়ে বেঁচে থাকা যাবে। তাই দূরদূরান্ত থেকে পুণ্যার্থীরা এসে গঙ্গায় ফুলের ডালা ভাসিয়ে পুণ্যস্নান সারেন। স্নান সেরে অনেকেই নতুন শাঁখা পরেন। আবার অনেকে শাঁখা কিনে বাড়ি ফেরেন।
সাধক উদ্ধারণ দত্ত নৈহাটি গ্রামের নৈরাজার দেওয়ান ছিলেন। নৈরাজার বংশ লোপ পেলে উদ্ধারণ দত্ত ধীরে ধীরে রাজকার্য পরিচালনায় দক্ষ হয়ে ওঠেন। রাজকার্য চালাতে গিয়ে তিনি শ্রীচৈতন্যদেবের পার্ষদ নিত্যানন্দ মহাপ্রভুর সংস্পর্শে আসেন। তাঁর কাছেই বৈষ্ণব ধর্মে দীক্ষিত হন। তিনি নিত্যানন্দ ও শ্রীচৈতন্যদেবের সঙ্গে তীর্থ পরিক্রমা করেন। এরপর নিজের গ্রামে ফিরে গৌরাঙ্গ ও নিত্যানন্দের দারুবিগ্রহ প্রতিষ্ঠা করে সাধনা শুরু করেন। তাঁর নামেই গ্রামের নাম হয় উদ্ধারণপুর।
আর একটি জনশ্রুতি অনুযায়ী, গঙ্গাদেবীর নাকি হাতের শাঁখা বেড়ে গিয়েছিল। তাই তিনি উদ্ধারণপুর গ্রামের পাশেই শাঁখাই গ্রামের এক শাঁখারির কাছে শাঁখা পরেছিলেন। বৈষ্ণব উদ্ধারণ দত্ত নাকি এই অলৌকিক দৃশ্যটি দেখে ফেলেন। তাই সেই ধর্মীয় বিশ্বাস থেকেই কেতুগ্রামের উদ্ধারণপুর ঘাটে উত্তরায়ণের স্নানে পুণ্যলাভের আশায় বিবাহিত মহিলারা ভিড় জমান। অনেক ভক্ত স্নান সেরে উদ্ধারণপুরের মেলার মাঠে রান্না করে খেয়ে বাড়ি ফেরেন। বীরভূম, নদীয়া ও মুর্শিদাবাদ জেলা থেকে পুণ্যার্থীর দল এখানে এসেছেন। মেলায় আসা ভক্তরা পথে পথে লীলাকীর্তনও করেন।



