Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

উদ্ধার তরুণীকে বাড়িতে পৌঁছে না দেওয়ায় পুলিসের ভূমিকায় প্রশ্ন 

উদ্ধার তরুণীকে বাড়িতে পৌঁছে না দেওয়ায় পুলিসের ভূমিকায় প্রশ্ন 
  • ২৯ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: উদ্ধারের পরও বাড়িতে পৌঁছে না দিয়ে মাঝপথে ছেড়ে দেওয়ায় পুলিসের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলল আদালত। এনিয়ে দায়ের হওয়া রিট পিটিশনের ভিত্তিতে হাইকোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিটের ডিভিশন বেঞ্চ নিখোঁজ তরুণীকে দ্রুত উদ্ধারের জন্য জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারের পুলিস সুপারকে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠনের নির্দেশ দিয়েছে। অভিযোগ, জলপাইগুড়ির পান্ডাপাড়া বউবাজার এলাকার বাসিন্দা এক ভ্যানচালকের মেয়ে গত এপ্রিলে নিখোঁজ হন। এরপর জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানায় পরিবারের তরফে মিসিং ডায়েরি করা হয়। পরবর্তীতে আলিপুরদুয়ার জেলা পুলিসের তরফে বার্তা আসে সেখানে এক তরুণীকে তারা উদ্ধার করেছে। ওই বার্তা পেয়ে জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানার পুলিস পান্ডাপাড়ার নিখোঁজ তরুণীর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে। দেখা যায় ওই তরুণীই উদ্ধার হয়েছেন আলিপুরদুয়ারে। পরিবারের তরফে জানানো হয়, পরদিন তারা আলিপুরদুয়ারে গিয়ে ওই তরুণীকে উদ্ধার করে নিয়ে আসবে। কিন্তু তার আগেই আলিপুরদুয়ার থানার মহিলা পুলিস ওই তরুণীকে ছেড়ে দেয় বলে অভিযোগ। তাদের অবশ্য দাবি, ওই তরুণী বাড়ির ঠিকানা বলতে পারছিলেন। তিনি বাড়িও যেতে চেয়েছিলেন। সে কারণেই তাকে জলপাইগুড়ি যাওয়ার বাসে তুলে দেওয়া হয়। যদিও ওই তরুণী বাড়ি ফেরেননি বলে দাবি পরিবারের। এখানেই পরিবারের অভিযোগ, উদ্ধারের পরও পুলিস কেন দায়িত্বজ্ঞানহীন ভাবে একজন মানসিক ভারসাম্যহীন তরুণীকে একা ছেড়ে দিল? জলপাইগুড়ির পুলিস সুপার খণ্ডবাহালে উমেশ গনপত বলেন, আদালতের নির্দেশ মতো কাজ শুরু করা হয়েছে।
Advertisement
নিখোঁজ তরুণীর বাবা ভ্যানচালক। মা গৃহপরিচারিকা। মেয়েকে খুঁজে পেতে আইনজীবীর দ্বারস্থ হন তাঁরা। এরপরই পুলিসের বিরুদ্ধে কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগ তুলে সার্কিট বেঞ্চে রিট পিটিশন দায়ের করেন ওই আইনজীবী।
সম্পর্কিত সংবাদ