সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: উদ্বোধনের পরেও বুনিয়াদপুর রেগুলেটেড মার্কেট খুলল না। ২০২৪ সালের ১০ মার্চ ভার্চুয়ালি বুনিয়াদপুর রেগুলেটেড মার্কেটের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রায় ৯ মাস পেরিয়ে গেলেও বুনিয়াদপুরের নিত্যবাজারের দোকানদারদের রেগুলেটেড মার্কেটে বসার কোনও ব্যবস্থা করতে পারেনি জেলা ও গঙ্গারামপুর মহকুমা প্রশাসন। রেগুলেটেড মার্কেটের ঝাঁ চকচকে ভবন তৈরি হয়েও কার্যত পড়ে রয়েছে।
Advertisement
জেলা রেগুলেটেড দপ্তর সূত্রে খবর, বুনিয়াদপুরে দু’দফায় দুটি দোতলা ভবন তৈরি হয়েছে। সেখানে ৪৪ টি স্টল রয়েছে। ছোট ব্যবসায়ীদের ব্যবহারের জন্য দৈনন্দিন বাজারে ৬ টি চাতাল রয়েছে। কীভাবে স্টল ও চাতাল বণ্টন করা হবে সেবিষয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি মহকুমা প্রশাসন।
সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, ভবন খুলে দিতে প্রশাসনের গড়িমসি কেন? জেলা রেগুলেটেড মার্কেটের আধিকারিক শ্যামল মাঝি বলেন, প্রথম ভবনটি মুখ্যমন্ত্রী উদ্বোধন করেন। দ্বিতীয় ভবনটি তৈরি হয়ে দপ্তর হস্তান্তর হয়েছে। আমরা শীঘ্রই বৈঠক করে বিষয়টি আলোচনা করব। এবং দোকানঘরগুলি কীভাবে খুলে দেওয়া যায়, তার ব্যবস্থা করা হবে।
রাষ্ট্রীয় কৃষি বিকাশ যোজনার তহবিল থেকে প্রায় ৮ কোটি বরাদ্দে দোতলা ভবনের কাজ শুরু হয় ২০২৩ সালে। ভবন নির্মাণের দায়িত্বে ছিল পশ্চিমবঙ্গ এগ্রিকালচার মার্কেটিং বোর্ড। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুনিয়াদপুর হাটখোলা এলাকায় দৈনিক বাজার বসত। ২০২০ সালে করোনা পরিস্থিতির সময় থেকে পুরসভা প্রশাসন দৈনিক বাজার স্থানান্তর করে বুনিয়াদপুর ফুটবল মাঠে নিয়ে আসে। তারপর থেকে দৈনিক বাজারের দোকানদাররা কৃষি দপ্তরের ফার্মের জায়গা দখল করে অস্থায়ী বাজার তৈরি করে ফেলে।
এদিকে পুরসভার পক্ষ থেকে তৎকালীন কৃষিবিপণন মন্ত্রী বিপ্লব মিত্রের কাছে রেগুলেটেড মার্কেটের দাবি জানায়। সেই দাবি মেনে মন্ত্রী বুনিয়াদপুরে রেগুলেটেড মার্কেট তৈরির জন্য অর্থ বরাদ্দ করে ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হয়।
বুনিয়াদপুর ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি রঞ্জিত মণ্ডল বলেন, বর্তমানে ব্যবসায়ীরা খুব কষ্টের মধ্যে রেগুলেটেড মার্কেটের পাশে অস্থায়ীভাবে ব্যবসা করছেন। দ্রুত রেগুলেটেড মার্কেটের ভবন খুলে দেওয়া হোক।
সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, ভবন খুলে দিতে প্রশাসনের গড়িমসি কেন? জেলা রেগুলেটেড মার্কেটের আধিকারিক শ্যামল মাঝি বলেন, প্রথম ভবনটি মুখ্যমন্ত্রী উদ্বোধন করেন। দ্বিতীয় ভবনটি তৈরি হয়ে দপ্তর হস্তান্তর হয়েছে। আমরা শীঘ্রই বৈঠক করে বিষয়টি আলোচনা করব। এবং দোকানঘরগুলি কীভাবে খুলে দেওয়া যায়, তার ব্যবস্থা করা হবে।
রাষ্ট্রীয় কৃষি বিকাশ যোজনার তহবিল থেকে প্রায় ৮ কোটি বরাদ্দে দোতলা ভবনের কাজ শুরু হয় ২০২৩ সালে। ভবন নির্মাণের দায়িত্বে ছিল পশ্চিমবঙ্গ এগ্রিকালচার মার্কেটিং বোর্ড। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুনিয়াদপুর হাটখোলা এলাকায় দৈনিক বাজার বসত। ২০২০ সালে করোনা পরিস্থিতির সময় থেকে পুরসভা প্রশাসন দৈনিক বাজার স্থানান্তর করে বুনিয়াদপুর ফুটবল মাঠে নিয়ে আসে। তারপর থেকে দৈনিক বাজারের দোকানদাররা কৃষি দপ্তরের ফার্মের জায়গা দখল করে অস্থায়ী বাজার তৈরি করে ফেলে।
এদিকে পুরসভার পক্ষ থেকে তৎকালীন কৃষিবিপণন মন্ত্রী বিপ্লব মিত্রের কাছে রেগুলেটেড মার্কেটের দাবি জানায়। সেই দাবি মেনে মন্ত্রী বুনিয়াদপুরে রেগুলেটেড মার্কেট তৈরির জন্য অর্থ বরাদ্দ করে ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হয়।
বুনিয়াদপুর ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি রঞ্জিত মণ্ডল বলেন, বর্তমানে ব্যবসায়ীরা খুব কষ্টের মধ্যে রেগুলেটেড মার্কেটের পাশে অস্থায়ীভাবে ব্যবসা করছেন। দ্রুত রেগুলেটেড মার্কেটের ভবন খুলে দেওয়া হোক।



