নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: কোচবিহারের ঐতিহ্যবাহী মদনমোহন মন্দিরে রাসযাত্রা সূচনার পরের দিনই রাসমেলার উদ্বোধন হল। শনিবার সন্ধ্যায় কোচবিহার পুরসভার উদ্যোগে চলা রাসমেলা ও মেলার মাঠের মঞ্চ উদ্বোধন হল। এবার রাসমেলা ১৫ দিনের। মেলার মাঠে দিনকয়েক আগে থেকেই স্টল, মঞ্চ, নাগরদোলা প্রভৃতি বসতে শুরু করেছে। অন্যান্যবার প্রথম কয়েকদিন মেলা পুরোপুরি সেজে উঠতে কিছুটা সময় নেয়। কিন্তু এবার কিন্তু চিত্রটা অন্য রকম। প্রথম দিন থেকেই মেলার মাঠে বহু দোকান চালু হয়ে গিয়েছে। আলো ঝলমলে হয়ে উঠেছে বহু স্টল।
Advertisement
এদিন সন্ধ্যা ৬টায় রাসমেলা উদ্বোধন করতে দেশবন্ধু মার্কেট সংলগ্ন প্রধান গেটের সামনে এসে পৌঁছন পুরসভার চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ, উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহ, সাংসদ জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া, জেলাশাসক অরবিন্দকুমার মিনা, পুলিস সুপার দ্যুতিমান ভট্টাচার্য, জেলা তৃণমূলের সভাপতি তথা ১৬নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার অভিজিৎ দে ভৌমিক, রাজবংশী ভাষা অ্যাকাডেমির চেয়ারম্যান বংশীবদন বর্মন সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। পুরচেয়ারম্যান অতীতের স্মৃতি চারণ করে বলেন, ছোটবেলায় এই মেলায় গোরুর গাড়িতে চড়ে এসেছি। আমরা সাড়া রাত মেলা ঘুরতাম। তখন দেড় মাস মেলা চলত।
এদিন সকাল থেকেই মেলার মাঠ ও আশপাশের এলাকায় প্রচুর মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা গিয়েছে। মদনমোহন মন্দিরের সামনের রাস্তায় রীতিমতো দোকানিরা জিনিসপত্র সাজিয়ে বসে পড়েছেন। যে প্রবেশপথ দিয়ে দর্শনার্থীরা মন্দিরে ঢুকছেন সেখানে বসেছে বাতাসা, কদমা, চিনির মঠের দোকান। গোপালের জামা-কাপড়ও বিক্রি হতে শুরু করেছে।
জেনকিন্স মোড় এখন দুপুর থেকেই জমজমাট। মোড়ের মাঝেই হরেকরকম খেলনা নিয়ে প্রচুর ব্যবসায়ী বসেছেন। রাস্তার দু’ধারে ভিনরাজ্য থেকে শীতের পোশাক সাজিয়ে বসেছেন বহু ব্যবসায়ী। বিক্রি হচ্ছে বাদাম, মুর্শিদাবাদের চপ, ঢাকাই পরোটা, ভেলপুরী সহ আরও নানা ধরনের খাবার।
মেলার মাঠে আচারের দোকান দিয়েছেন বিপ্লব বিশ্বাস। তিনি বলেন, অন্য জায়গায় মেলা আগে শেষ হয়েছে। তাই সময় নষ্ট না করে শুরু থেকেই দোকান চালু করে দিয়েছি। বিকেলে সিলভার জুবিলি রোডে কথা হচ্ছিল কাপড় ব্যবসায়ী ইন্দ্রজিৎ অগ্রহরির সঙ্গে। তিনি তখন দোকান গোছানোর কাজে ব্যস্ত। সন্ধ্যার পরেই যাতে দোকানে লাইট জ্বালানো যায় সেই লক্ষ্যে কাজ করছেন। সারা বছর স্থানীয় দেশবন্ধু মার্কেট সংলগ্ন এলাকায় সব্জির ব্যবসা করেন চঞ্চল দে। রাসমেলার দক্ষিণ দিকে প্রতি বছরই সব্জি, মাছের দোকান বসে। চঞ্চলবাবু এবার সেখানেই দোকান নিয়ে বসবেন। তিনি বলেন, এদিন রাস্তাতেই সব্জি নিয়ে বসেছি। মেলা চালু হলে সেখানেই দোকান দেব। ঘুঘুমারি থেকে প্লাস্টিকের খেলনা নিয়ে এসেছেন বর্ষীয়ান রতন সূত্রধর। তিনিও দ্রুত দোকান দেওয়ার আশায় রয়েছেন। সন্ধ্যার পর মেলার মাঠে বহু আলো জ্বলে উঠেছে। ফলে এবার প্রথম থেকেই মেলা বেশ জমে উঠেছে। পুরচেয়ারম্যান বলেন, ভিসা-পাসপোর্ট সংক্রান্ত সমস্যার জন্য এবার বাংলাদেশের স্টল আসেনি। তবে নতুন নতুন জিনিস দিয়ে মেলা সাজানো হয়েছে। আশা করি, সবার ভালো লাগবে।
এদিন সকাল থেকেই মেলার মাঠ ও আশপাশের এলাকায় প্রচুর মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা গিয়েছে। মদনমোহন মন্দিরের সামনের রাস্তায় রীতিমতো দোকানিরা জিনিসপত্র সাজিয়ে বসে পড়েছেন। যে প্রবেশপথ দিয়ে দর্শনার্থীরা মন্দিরে ঢুকছেন সেখানে বসেছে বাতাসা, কদমা, চিনির মঠের দোকান। গোপালের জামা-কাপড়ও বিক্রি হতে শুরু করেছে।
জেনকিন্স মোড় এখন দুপুর থেকেই জমজমাট। মোড়ের মাঝেই হরেকরকম খেলনা নিয়ে প্রচুর ব্যবসায়ী বসেছেন। রাস্তার দু’ধারে ভিনরাজ্য থেকে শীতের পোশাক সাজিয়ে বসেছেন বহু ব্যবসায়ী। বিক্রি হচ্ছে বাদাম, মুর্শিদাবাদের চপ, ঢাকাই পরোটা, ভেলপুরী সহ আরও নানা ধরনের খাবার।
মেলার মাঠে আচারের দোকান দিয়েছেন বিপ্লব বিশ্বাস। তিনি বলেন, অন্য জায়গায় মেলা আগে শেষ হয়েছে। তাই সময় নষ্ট না করে শুরু থেকেই দোকান চালু করে দিয়েছি। বিকেলে সিলভার জুবিলি রোডে কথা হচ্ছিল কাপড় ব্যবসায়ী ইন্দ্রজিৎ অগ্রহরির সঙ্গে। তিনি তখন দোকান গোছানোর কাজে ব্যস্ত। সন্ধ্যার পরেই যাতে দোকানে লাইট জ্বালানো যায় সেই লক্ষ্যে কাজ করছেন। সারা বছর স্থানীয় দেশবন্ধু মার্কেট সংলগ্ন এলাকায় সব্জির ব্যবসা করেন চঞ্চল দে। রাসমেলার দক্ষিণ দিকে প্রতি বছরই সব্জি, মাছের দোকান বসে। চঞ্চলবাবু এবার সেখানেই দোকান নিয়ে বসবেন। তিনি বলেন, এদিন রাস্তাতেই সব্জি নিয়ে বসেছি। মেলা চালু হলে সেখানেই দোকান দেব। ঘুঘুমারি থেকে প্লাস্টিকের খেলনা নিয়ে এসেছেন বর্ষীয়ান রতন সূত্রধর। তিনিও দ্রুত দোকান দেওয়ার আশায় রয়েছেন। সন্ধ্যার পর মেলার মাঠে বহু আলো জ্বলে উঠেছে। ফলে এবার প্রথম থেকেই মেলা বেশ জমে উঠেছে। পুরচেয়ারম্যান বলেন, ভিসা-পাসপোর্ট সংক্রান্ত সমস্যার জন্য এবার বাংলাদেশের স্টল আসেনি। তবে নতুন নতুন জিনিস দিয়ে মেলা সাজানো হয়েছে। আশা করি, সবার ভালো লাগবে।



