Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

শেষ হয়নি নদীবাঁধ মেরামতের কাজ, আতঙ্কে উদয়নারায়ণপুরের বাসিন্দারা

নির্ধারিত সময়ের আগেই দেশে বর্ষা প্রবেশ করেছে। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু আর কয়েক দিনের মধ্যেই এ রাজ্যে প্রবেশ করবে।

শেষ হয়নি নদীবাঁধ মেরামতের কাজ, আতঙ্কে উদয়নারায়ণপুরের বাসিন্দারা
  • ২৬ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: নির্ধারিত সময়ের আগেই দেশে বর্ষা প্রবেশ করেছে। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু আর কয়েক দিনের মধ্যেই এ রাজ্যে প্রবেশ করবে। বর্ষার আগমন বার্তা আসতেই আতঙ্ক দানা বেঁধেছে হাওড়ার উদয়নারায়ণপুরের বাসিন্দাদের মধ্যে। গত বছর ডিভিসি’র ছাড়া জলে উদয়নারায়ণপুরের ডিহিভুরসুট এবং হুগলির বলাইচকে ক্ষতিগ্রস্ত নদী বাঁধ এখনও সম্পূর্ণ মেরামত করা হয়নি। সেচদপ্তরের দাবি, দু’টি জায়গাতেই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় বাঁধ মেরামতির কাজ চলছে। বর্ষার আগেই সেই কাজ হয়ে যাবে। গত বছর ডিভিসি’র ছাড়া জলে উদয়নারায়ণপুর ও আমতা ২ নম্বর ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকা জলের তলায় চলে গিয়েছিল। নদীবাঁধ ভাঙা ছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় বাঁধ উপচে জল ঢুকে গ্রামের পর গ্রাম প্লাবিত হয়েছিল। রাস্তাঘাট ভেঙে যাওয়ার পাশাপাশি বিঘার পর বিঘা জমি চলে গিয়েছিল জলের তলায়। চরম সমস্যার মধ্যে পড়েছিলেন সাধারণ মানুষ। কুলটিকারিতে বন্যা পরিস্থিতি দেখত এসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বন্যার জল নেমে যাওয়ার পর রাস্তা মেরামতের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত নদীবাঁধ মেরামতের কাজ শুরু করেছিল সেচদপ্তর। সেই কাজ এখনও শেষ না হওয়ায় সিঁদুরে মেঘ দেখতে শুরু করেছেন সাধারন মানুষ। তাঁদের মতে, গত বছরের ভয়াবহ বন্যার স্মৃতি এখনও আমরা ভুলতে পারিনি। বাড়ি-ঘর, জমির ফসল সব নষ্ট হয়েছিল। চাষের অযোগ্য হয়ে পড়েছিল জমি। কয়েকদিন বাদেই বর্ষা চলে আসবে। তার আগে বাঁধ সংস্কার না হলে ফের আমাদের ডুবতে হবে। এবার আর তিন লক্ষ কিউসেক নয়, ডিভিসি ৫০ হাজার কিউসেক জল ছাড়লেই বন্যা হয়ে যাবে। 

Advertisement

নদীবাঁধ মেরামত প্রসঙ্গে উদয়নারায়ণপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কল্যাণ গায়েন বলেন, গত বছর হুগলির বলাইচকের আশ্রমগোড়ার কাছে দামোদরের বাঁধ ভাঙলে উদয়নারায়ণপুরের দেবীপুর, পাঁচারুল, সোনাতলা, বিধিচন্দ্রপুর, আমতা ২ নম্বর ব্লকের জয়পুর, খালনা সহ বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছিল। সেচদপ্তর বাঁধ মেরামতের কাজ করছে। আশা করছি, বর্ষার আগেই কাজ শেষ হয়ে যাবে। তাও একটা আতঙ্ক থেকেই যাচ্ছে। উদয়নারায়ণপুরের বিধায়ক সমীর পাঁজা বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত নদীবাঁধ মেরামতের কাজ শেষ না হওয়ায় বন্যার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। আমরা সেচদপ্তরকে দ্রুত কাজ শেষ করতে বলেছি। আগে থেকে এই কাজ করলে এখন আর আতঙ্ক তৈরি হতো না বলে মনে করেন সমীর পাঁজা।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ