দিব্যেন্দু বিশ্বাস, নয়াদিল্লি: মোট ‘ক্লেম’ প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ। অথচ অসমে এর সংখ্যা দেড় হাজারেরও কম। ত্রিপুরায় মাত্র ৫৭৬টি। গুজরাতে চার হাজারের কিছু বেশি। হরিয়ানার সাড়ে তিন হাজারও ছোঁয়নি। আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া দেশের মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের উচ্চশিক্ষায় সহযোগিতা সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মসূচিতে কি সেভাবে ভরসা রাখতে পারছে না অধিকাংশ ‘ডাবল ইঞ্জিন’ রাজ্যই? এমনই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে শিক্ষামন্ত্রকের রিপোর্টে। আর এই প্রশ্নকে কেন্দ্র করে শিক্ষা মহলে চর্চা তুঙ্গে উঠেছে।
Advertisement
পিএম-ইউএসপি’র (প্রধানমন্ত্রী উচ্চতর শিক্ষা প্রোৎসাহন) অন্তর্গত কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মসূচি সিএসআইএস-এর মাধ্যমে আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া ছেলেমেয়েদের উচ্চ শিক্ষায় বিশেষ সহযোগিতা করে কেন্দ্র। শর্তসাপেক্ষে তাঁদের শিক্ষা ঋণের সুদের টাকা মিটিয়ে দেয় কেন্দ্রীয় সরকার। এই প্রকল্পে আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়াদের মধ্যে সংখ্যালঘু, শারীরিকভাবে বিশেষভাবে সক্ষম, তফসিলি জাতি বা উপজাতি, মহিলা প্রত্যেক ক্যাটিগরি অন্তর্ভুক্ত। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ছাত্রছাত্রীর পরিবারের বার্ষিক আয় কোনওমতেই সাড়ে চার লক্ষ টাকার বেশি হওয়া চলবে না। শিক্ষা ঋণের পরিমাণও হতে হবে ১০ লক্ষ টাকার মধ্যে। শিক্ষামন্ত্রকের রিপোর্ট থেকে দেখা যাচ্ছে যে, ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এক্ষেত্রে মোট আবেদন জমা পড়েছে ৩ লক্ষ ৫৮ হাজার ৪৭৫টি। সুদের টাকা ভর্তুকি হিসেবে মিটিয়ে দেওয়া হয়েছে ৬২০ কোটি ৮৪ লক্ষ। কিন্তু এক্ষেত্রে যত ‘ক্লেম’ এসেছে, তার প্রথম তিনে রয়েছে অ-বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলি। শীর্ষে থাকা কর্ণাটকের ‘ক্লেম’ ৬৮ হাজার ৬৫৭টি। দ্বিতীয় স্থানে থাকা তামিলনাড়ুতে ‘ক্লেম’ ৬৭ হাজার ৪১৯টি। তৃতীয় স্থানে কেরল থেকে এমন আবেদন জমা পড়েছে ৬৪ হাজার ৪৩৪টি।
সংখ্যার নিরিখে বহু পিছনে থাকলেও ‘ডাবল ইঞ্জিন’ রাজ্যগুলির মধ্যে বিজেপিকে কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে শুধুমাত্র মহারাষ্ট্র এবং মধ্যপ্রদেশ। মহারাষ্ট্রে ৩৪ হাজার ৩৬৪টি এবং মধ্যপ্রদেশে ১৭ হাজার ৪৬৭টি ‘ক্লেম’ মেটানো হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রকের সংশ্লিষ্ট রিপোর্ট বলছে, পশ্চিমবঙ্গে এহেন ‘ক্লেম’এর সংখ্যা ৮ হাজার ৬৮৮টি। বাংলায় ১৮ কোটি ৬৮ লক্ষ টাকার ঋণের সুদের উপরে ভর্তুকি মেটানো হয়েছে।
মন্ত্রক জানিয়েছে যে, সিএসআইএসে আগে এই সুবিধে পেতে শিক্ষা ঋণের সর্বোচ্চ সীমা ছিল সাড়ে সাত লক্ষ টাকা। ২০২২ সালে তা বাড়িয়ে ১০ লক্ষ টাকা করা হয়।
সংখ্যার নিরিখে বহু পিছনে থাকলেও ‘ডাবল ইঞ্জিন’ রাজ্যগুলির মধ্যে বিজেপিকে কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে শুধুমাত্র মহারাষ্ট্র এবং মধ্যপ্রদেশ। মহারাষ্ট্রে ৩৪ হাজার ৩৬৪টি এবং মধ্যপ্রদেশে ১৭ হাজার ৪৬৭টি ‘ক্লেম’ মেটানো হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রকের সংশ্লিষ্ট রিপোর্ট বলছে, পশ্চিমবঙ্গে এহেন ‘ক্লেম’এর সংখ্যা ৮ হাজার ৬৮৮টি। বাংলায় ১৮ কোটি ৬৮ লক্ষ টাকার ঋণের সুদের উপরে ভর্তুকি মেটানো হয়েছে।
মন্ত্রক জানিয়েছে যে, সিএসআইএসে আগে এই সুবিধে পেতে শিক্ষা ঋণের সর্বোচ্চ সীমা ছিল সাড়ে সাত লক্ষ টাকা। ২০২২ সালে তা বাড়িয়ে ১০ লক্ষ টাকা করা হয়।



