সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: উচ্ছেদের পর আধার নেমে এসেছে নবদ্বীপ ধাম ষ্টেশন রোডে। নিরাপত্তার অভাব বোধ করছেন ট্রেন যাত্রীরা। চুরি, ছিনতাইয়ের ভয় পাচ্ছেন অনেকেই। মহিলা যাত্রীদের সুরক্ষা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। নবদ্বীপ ধাম ষ্টেশন থেকে ব্যাদরা পাড়া রেল ঘুমটি পর্যন্ত রেলের রাস্তায় পর্যাপ্ত আলোর অভাব। দু ‹একটি বাতি থাকলও তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম।ফলে সন্ধ্যা নামতেই ওই রাস্তা জুড়ে নেমে আসে অন্ধকার। যে অন্ধকার আরো বেশি করে তৈরি হয়েছে রেল স্টেশন চত্বরে দোকান উচ্ছেদের পর। কারণ আগে দোকানগুলোর আলোতেই আলোকিত থাকতো রাস্তা। স্ট্রীট লাইট কম থাকলেও অসুবিধা হোত না।
Advertisement
এখন প্রতিদিন বেশ কয়েক হাজার ট্রেন যাত্রীকে অন্ধকারের মধ্যে যাতায়াত করতে হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের থেকে শুরু করে ট্রেন যাত্রীদের অভিযোগ, এ ব্যাপারে কোনও হেলদোল নেই রেল কর্তৃপক্ষের।
নবদ্বীপ রেলগেট থেকে ব্যাদরা পাড়া রেল ঘুমটি পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ রেলের রাস্তার। নবদ্বীপ ধাম ষ্টেশন থেকে রেলগেট পর্যন্ত কিছু রাস্তার আলো জ্বললেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেকটাই কম। অন্যদিকে স্টেশন থেকে ব্যাদরা পাড়া রেল গুমটি পর্যন্ত হাতে গোনা দুই একটি বাতি থাকলেও তার আলো খুবই কম। বিশেষ করে স্টেশন থেকে স্টেডিয়াম গেট পর্যন্ত রাস্তায় কোনও আলো নেই। সম্প্রতি রেলের জায়গা দখল করে থাকা দোকানগুলি উচ্ছেদ করে দেয় রেল। আর ওই সব দোকানপাট উঠে যাওয়ার ফলে সন্ধ্যা নামতে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে অন্ধকার নেমে আসে। তাদের দাবি অবিলম্বে রাস্তাটিতে আলোর ব্যবস্থা করুক রেল কর্তৃপক্ষ।
সন্ধ্যের পর প্রতিদিন হাওড়া-কাটোয়া ও কাটোয়া-ব্যান্ডেল এই রুটের সন্ধ্যে ছটা থেকে পরের দিন ছটা পর্যন্ত আপ ডাউনে ১০ জোড়া লোকাল ট্রেন যাতায়াত করে। এছাড়া প্রতিদিন আপ ও ডাউনে ১০ জোড়া এক্সপ্রেস ট্রেন চলে। এছাড়া রয়েছে সাপ্তাহিক ট্রেন। প্রতিদিনই কয়েক হাজার মানুষ নবদ্বীপ ধাম স্টেশনে নামেন। তার অধিকাংশ ট্রেন যাত্রীই এই রাস্তা দিয়ে যে যার গন্তব্যস্থলে যান। কিন্তু পর্যাপ্ত আলো না থাকায় সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা তারক মোদক বলেন, প্রতিদিন ভোরবেলায় ব্যবসার কাজে কলকাতা যেতে হয়। ফিরতে ফিরতে রাত হয়ে যায়। কিন্তু স্টেশন থেকে বিবেকানন্দ স্টেডিয়ামের সামনে পর্যন্ত রাস্তায় কোনও আলো নেই। নবদ্বীপধাম স্টেশন ম্যানেজার বিধান চন্দ্র রায় বলেন, ১৪ নম্বর স্পেশাল গেট থেকে ব্যাদরা পাড়া রেল ঘুমটি পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তা। স্টেশন থেকে ১৪ নম্বর স্পেশাল গেট পর্যন্ত আলোর ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু স্টেডিয়াম গেট পর্যন্ত আলো কম রয়েছে। শীঘ্রই রেলের পক্ষ থেকে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন বাতির ব্যবস্থা করা হবে।
নবদ্বীপ রেলগেট থেকে ব্যাদরা পাড়া রেল ঘুমটি পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ রেলের রাস্তার। নবদ্বীপ ধাম ষ্টেশন থেকে রেলগেট পর্যন্ত কিছু রাস্তার আলো জ্বললেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেকটাই কম। অন্যদিকে স্টেশন থেকে ব্যাদরা পাড়া রেল গুমটি পর্যন্ত হাতে গোনা দুই একটি বাতি থাকলেও তার আলো খুবই কম। বিশেষ করে স্টেশন থেকে স্টেডিয়াম গেট পর্যন্ত রাস্তায় কোনও আলো নেই। সম্প্রতি রেলের জায়গা দখল করে থাকা দোকানগুলি উচ্ছেদ করে দেয় রেল। আর ওই সব দোকানপাট উঠে যাওয়ার ফলে সন্ধ্যা নামতে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে অন্ধকার নেমে আসে। তাদের দাবি অবিলম্বে রাস্তাটিতে আলোর ব্যবস্থা করুক রেল কর্তৃপক্ষ।
সন্ধ্যের পর প্রতিদিন হাওড়া-কাটোয়া ও কাটোয়া-ব্যান্ডেল এই রুটের সন্ধ্যে ছটা থেকে পরের দিন ছটা পর্যন্ত আপ ডাউনে ১০ জোড়া লোকাল ট্রেন যাতায়াত করে। এছাড়া প্রতিদিন আপ ও ডাউনে ১০ জোড়া এক্সপ্রেস ট্রেন চলে। এছাড়া রয়েছে সাপ্তাহিক ট্রেন। প্রতিদিনই কয়েক হাজার মানুষ নবদ্বীপ ধাম স্টেশনে নামেন। তার অধিকাংশ ট্রেন যাত্রীই এই রাস্তা দিয়ে যে যার গন্তব্যস্থলে যান। কিন্তু পর্যাপ্ত আলো না থাকায় সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা তারক মোদক বলেন, প্রতিদিন ভোরবেলায় ব্যবসার কাজে কলকাতা যেতে হয়। ফিরতে ফিরতে রাত হয়ে যায়। কিন্তু স্টেশন থেকে বিবেকানন্দ স্টেডিয়ামের সামনে পর্যন্ত রাস্তায় কোনও আলো নেই। নবদ্বীপধাম স্টেশন ম্যানেজার বিধান চন্দ্র রায় বলেন, ১৪ নম্বর স্পেশাল গেট থেকে ব্যাদরা পাড়া রেল ঘুমটি পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তা। স্টেশন থেকে ১৪ নম্বর স্পেশাল গেট পর্যন্ত আলোর ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু স্টেডিয়াম গেট পর্যন্ত আলো কম রয়েছে। শীঘ্রই রেলের পক্ষ থেকে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন বাতির ব্যবস্থা করা হবে।



