নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: উচ্ছেদ বন্ধ করতে বর্ধমান শহরে জবরদখলকারীদের পাশে দাঁড়ালেন তৃণমূল কংগ্রেসের এক ‘বাহুবলী’। কয়েক মাস আগে পুরকর্তৃপক্ষ গোলপবাগ সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে জবরদখলকারীদের সরিয়ে দেয়। কিছুদিন পর ওই এলাকায় ফের দোকান ও গুমটি বসানো হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের জায়গায় তাঁরা দোকান গড়ে তুলেছেন। দু’দিন আগে তাঁদের দোকান সরিয়ে নেওয়ার জন্য বলা হয়। কিন্তু এক বাহুবলী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, উচ্ছেদ বন্ধ না করলে তিনি আন্দোলনে নামবেন। তা নিয়ে বর্ধমান সরগরম হয়ে উঠেছে। শহরের অনেকেরই দাবি, শুধু ভোট নয়, জবরদখলকারীদের বসানোর পিছনে রয়েছে অন্য অঙ্ক। তার জোরে কোনও কাজ না করেও অনেকেই এলাকার ‘বেতাজ বাদশা’ হয়ে উঠেছেন। তাঁদের জীবনযাপন নজরকাড়া। কে কোথায় দোকান করবে, কতটা এলাকাজুড়ে ছাউনি করা যাবে, তা তাঁরাই ঠিক করে দেন।
Advertisement
শুধু গোলাপবাগ নয়, শহরের বিভিন্ন প্রান্তে জবরদখলকারীরা ছড়িয়ে রয়েছেন। তাঁদের সরিয়ে দেওয়ার পরও আবার এলাকার ‘বেতাজ বাদশা’দের আশীর্বাদে ছাউনি গড়ে তুলেছে। বিধানসভা নির্বাচনের পর শহরজুড়ে জবরদখলকারীদের সরানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু কয়েকটি এলাকায় অভিযান চলার পর আবার থমকে যায়। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের জায়গা থেকে জবরদখলকারীদের সরে যাওয়ার জন্য মাইকিং করা হয়। তারপর থেকে তৃণমূলের মধ্যেও দড়ি টানাটানি শুরু হয়েছে। দু’দিন ধরে তা প্রকাশ্যে এসেছে। বর্ধমান শহরের এক কাউন্সিলার প্রকাশ্যে পুরসভার কাজের সমালোচনা করেন। শহরের নির্দিষ্ট দু’টি ওয়ার্ড ছাড়া আর কোথাও কাজ হয়নি বলে তাঁর দাবি।
তৃণমূলের এক নেতা বলেন, শহরের উন্নয়ন নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এটা ঠিকই। বহু রাস্তা এখনও বেহাল হয়ে রয়েছে। বাড়ি বাড়ি জল পৌঁছনোর কাজ কবে শেষ হবে তা কারও জানা নেই। এরজন্য কাউন্সিলাররাও তাঁদের দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে পারেন না। তাঁদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। ওই কাউন্সিলার হঠাৎ করে কেন সরব হলেন, তা নিয়েও রহস্য রয়েছে। তিনি কাজ করতে না পারলে বোর্ড মিটিংয়ে জানাতে পারতেন। তাছাড়া তিনি নিজেও বিতর্কিত।
যদিও বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস বলেন, শহরের উন্নয়নের কাজে কেউ বাধা দিতে পারবে না। বর্ধমানজুড়ে উন্নয়নমূলক কাজ করা হচ্ছে এবং হবে। তৃণমূল সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, জবরদখলকারীদের উচ্ছেদ করা নিয়ে দলের অন্দরমহলে টানাপোড়েন চলায় নেতৃত্বও বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। দলের বিরুদ্ধে যাওয়া নেতাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।
তৃণমূলের এক নেতা বলেন, শহরের উন্নয়ন নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এটা ঠিকই। বহু রাস্তা এখনও বেহাল হয়ে রয়েছে। বাড়ি বাড়ি জল পৌঁছনোর কাজ কবে শেষ হবে তা কারও জানা নেই। এরজন্য কাউন্সিলাররাও তাঁদের দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে পারেন না। তাঁদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। ওই কাউন্সিলার হঠাৎ করে কেন সরব হলেন, তা নিয়েও রহস্য রয়েছে। তিনি কাজ করতে না পারলে বোর্ড মিটিংয়ে জানাতে পারতেন। তাছাড়া তিনি নিজেও বিতর্কিত।
যদিও বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস বলেন, শহরের উন্নয়নের কাজে কেউ বাধা দিতে পারবে না। বর্ধমানজুড়ে উন্নয়নমূলক কাজ করা হচ্ছে এবং হবে। তৃণমূল সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, জবরদখলকারীদের উচ্ছেদ করা নিয়ে দলের অন্দরমহলে টানাপোড়েন চলায় নেতৃত্বও বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। দলের বিরুদ্ধে যাওয়া নেতাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।



