নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি ও রায়গঞ্জ: ফের সীমান্তে গোলমাল পাকানোর ছক বাংলাদেশিদের? একরে পর এক ‘নো-ম্যানস ল্যান্ডে’ বেআইনি নির্মাণের চেষ্টা হওয়ায় এমন আশঙ্কা করছেন ভারতীয়রা। তাঁদের অভিযোগ, শুধু বেআইনি নির্মাণ নয়, জমির ফসল লুটেও বাংলাদেশি লুটেরাদের মদত দিচ্ছে সেই দেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিজিবি। সোমবার এমন অভিযোগ করেন উত্তর দিনাজপুরের শিমলাডাঙি গ্রামের বাসিন্দারা। তাঁরা মালদহের গ্রামবাসীদের মতো জবাব দিতে প্রস্তুত। এমন প্রেক্ষাপটে সীমান্তে নজরদারি বাড়িয়েছে বিএসএফ। ইতিমধ্যে তারা বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকেও কড়া বার্তা দিয়েছে।
Advertisement
ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তের ‘জিরো লাইনের’ দু’পাশে ১৫০ গজ করে নো-ম্যানস ল্যান্ড। যেখানে কোনও নির্মাণ নিষিদ্ধ। সেই আইনকে উপেক্ষা করে কয়েকদিন আগে মেখলিগঞ্জের ওপারে দহগ্রাম আঙ্গারপোঁতায় সীমান্ত চৌকি তৈরির চেষ্টা করে বিজিবি। এরপর উত্তর দিনাজপুরের ওপারে ঠাকুরগাঁওয়ে সীমান্তে বেআইনি নির্মাণ করা হয়। একের পর এক সীমান্তে এ ধরনের ঘটনায় ভারতীয়রা রীতিমতো ক্ষুব্ধ। তাঁদের অভিযোগ, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পরই পদ্মাপারে ভারতের বিরুদ্ধে বিদ্বেশের বিষ ছড়ানো হচ্ছে। যার নেপথ্যে বিভিন্ন জেহাদি জঙ্গি সংগঠন, পাচারকারী ও লুটেরারা রয়েছে। এদের মদত দিচ্ছে বিজিবি। ওদের উদ্দেশ্য ভারতের সঙ্গে পায়ে পা দিয়ে অশান্তি পাকানো।
উত্তর দিনাজপুর জেলার হেমতাবাদ ব্লকের অধীনে শিমলাডাঙি গ্রাম। এখানকার অধিকাংশ বাসিন্দা পেশায় কৃষক। এই গ্রামের সীমান্তে কুলিক নদী। ওপারেই বাংলাদেশের ঠাকারগাঁও। বাংলাদেশিদের ভূমিকা নিয়ে গ্রামবাসীরা রীতিমতো ক্ষোভে ফুঁসছেন। স্থানীয় বাসিন্দা ভিক্টর যাদব বলেন, গ্রামে বাংলাদেশি দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্যা দীর্ঘদিনের। মাঝেমধ্যেই ফসল লুট করে নিয়ে যায় বাংলাদেশি সশস্ত্র দুষ্কৃতীরা। আরএক বাসিন্দা কমল রায় বলেন, সীমান্ত সংলগ্ন গ্রামের জমিতে চাষ করতে গেলে হুমকিও দেয় বাংলাদেশি দুষ্কৃতীরা। সত্যেন বর্মনের বক্তব্যও একই। সকলেরই অভিযোগ, শুধু বেআইনি নির্মাণ নয়, ফসল লুট সহ চোরাচালানকারীদের মদত দিচ্ছে বিজিবি।
সংশ্লিষ্ট গ্রামের বাসিন্দারা এবার বাংলাদেশিদের জবাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এজন্য গ্রামবাসীদের একাংশ রাত পাহারা দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছেন। বিএসএফের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে তাঁরা সীমান্তের উপরও নজর রাখছেন। ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা বলেন, বাংলাদেশিদের দাপট আর বরদাস্ত করব না। মালদহ জেলার বৈষ্ণবনগর সীমান্ত গ্রামের বাসিন্দারা যেভাবে বাংলাদেশিদের জবাব দিয়েছেন, প্রয়োজন পড়লে সেই পথে হাঁটব।
শুধু শিমলাডাঙি নয়, উত্তরবঙ্গে মেখলিগঞ্জ, মাথাভাঙা, বেরুবাড়ি, মালদহ সহ বিভিন্ন সীমান্ত গ্রামের জমির ফসল লুট করছে বাংলাদেশিরা। এমনকী, ফাঁসিদেওয়ায় দু’দেশের সীমান্তে থাকা মহানন্দা নদীর বুক থেকে অবাধে বালি লুট করছে সেই দেশের বালি মাফিয়ারা। এই অবস্থায় সীমান্তের নো-ম্যানস ল্যান্ডে বেআইনি নির্মাণ নিয়ে বিএসএফও ক্ষুব্ধ। ইতিমধ্যে তাদের আপত্তিতে দু’টি জায়গাতেই বেআইনি নির্মাণ কাজ থেকে পিছু হটেছে বিজিবি।
বিএসএফের উত্তরবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের এক অফিসার বলেন, সীমান্তে বেআইনি নির্মাণ কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। এই বার্তা বিজিবিকে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি চোরাচলান, অনুপ্রবেশ সহ অসমাজিক কার্যকলাপ রুখতে সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
উত্তর দিনাজপুর জেলার হেমতাবাদ ব্লকের অধীনে শিমলাডাঙি গ্রাম। এখানকার অধিকাংশ বাসিন্দা পেশায় কৃষক। এই গ্রামের সীমান্তে কুলিক নদী। ওপারেই বাংলাদেশের ঠাকারগাঁও। বাংলাদেশিদের ভূমিকা নিয়ে গ্রামবাসীরা রীতিমতো ক্ষোভে ফুঁসছেন। স্থানীয় বাসিন্দা ভিক্টর যাদব বলেন, গ্রামে বাংলাদেশি দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্যা দীর্ঘদিনের। মাঝেমধ্যেই ফসল লুট করে নিয়ে যায় বাংলাদেশি সশস্ত্র দুষ্কৃতীরা। আরএক বাসিন্দা কমল রায় বলেন, সীমান্ত সংলগ্ন গ্রামের জমিতে চাষ করতে গেলে হুমকিও দেয় বাংলাদেশি দুষ্কৃতীরা। সত্যেন বর্মনের বক্তব্যও একই। সকলেরই অভিযোগ, শুধু বেআইনি নির্মাণ নয়, ফসল লুট সহ চোরাচালানকারীদের মদত দিচ্ছে বিজিবি।
সংশ্লিষ্ট গ্রামের বাসিন্দারা এবার বাংলাদেশিদের জবাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এজন্য গ্রামবাসীদের একাংশ রাত পাহারা দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছেন। বিএসএফের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে তাঁরা সীমান্তের উপরও নজর রাখছেন। ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা বলেন, বাংলাদেশিদের দাপট আর বরদাস্ত করব না। মালদহ জেলার বৈষ্ণবনগর সীমান্ত গ্রামের বাসিন্দারা যেভাবে বাংলাদেশিদের জবাব দিয়েছেন, প্রয়োজন পড়লে সেই পথে হাঁটব।
শুধু শিমলাডাঙি নয়, উত্তরবঙ্গে মেখলিগঞ্জ, মাথাভাঙা, বেরুবাড়ি, মালদহ সহ বিভিন্ন সীমান্ত গ্রামের জমির ফসল লুট করছে বাংলাদেশিরা। এমনকী, ফাঁসিদেওয়ায় দু’দেশের সীমান্তে থাকা মহানন্দা নদীর বুক থেকে অবাধে বালি লুট করছে সেই দেশের বালি মাফিয়ারা। এই অবস্থায় সীমান্তের নো-ম্যানস ল্যান্ডে বেআইনি নির্মাণ নিয়ে বিএসএফও ক্ষুব্ধ। ইতিমধ্যে তাদের আপত্তিতে দু’টি জায়গাতেই বেআইনি নির্মাণ কাজ থেকে পিছু হটেছে বিজিবি।
বিএসএফের উত্তরবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের এক অফিসার বলেন, সীমান্তে বেআইনি নির্মাণ কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। এই বার্তা বিজিবিকে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি চোরাচলান, অনুপ্রবেশ সহ অসমাজিক কার্যকলাপ রুখতে সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।



