সংবাদদাতা, বালুরঘাট: মোবাইল আগেই কেনা হয়েছে। ফলে সরকার ট্যাব কিনতে টাকা দিলেও অনেকে সেই অর্থ অন্য কাজে ব্যবহার করেছে। এখন একাংশ পড়ুয়া সমস্যায় পড়ছে স্কুলে বিল জমা করার ক্ষেত্রে।
Advertisement
অভিযোগ উঠছে, ভুয়ো বিল নিতে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাজুড়ে বিভিন্ন এলাকায় দোকানে দোকানে হন্যে হয়ে ঘুরছে পড়ুয়ারা। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে বাড়তি কামাই করে নিচ্ছে মোবাইলের দোকানগুলি।
বিল বানিয়ে দিতে তারা প্রত্যেক পড়ুয়ার কাছ থেকে নিচ্ছে পাঁচশো থেকে হাজার টাকা করে। কিছু ব্যবসায়ী পুরনো মোবাইলের আইএমইআই নম্বর বসিয়ে বিল দিচ্ছেন। সেটাই স্কুলে জমা দিচ্ছে পড়ুয়ারা।
বালুরঘাটের এক মোবাইল ব্যবসায়ী শঙ্কর সরকার বলেন, কয়েকদিন ধরে আমার দোকানে অনেক পড়ুয়া ভুয়ো বিল চাইতে আসছে। কিন্তু জিএসটি দিতে হয় বলে আমাদের পক্ষে এসব করা সম্ভব নয়। যাঁদের জিএসটি দিতে হয় না, তাঁদের কোনও অসুবিধা হবে না।
রাজ্য সরকারের তরুণের স্বপ্ন প্রকল্পে ট্যাব বা স্মার্টফোন কিনে আইএমইআই নম্বর জমা করা বাধ্যতামুলক হওয়ার পর থেকেই সমস্যা বেড়েছে। ওই নম্বর রাজ্য সরকারের পোর্টালে আপলোড করতে হয় স্কুল কর্তৃপক্ষকে। ফলে বিল জমা দিতেই হবে পড়ুয়াকে।
জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক (মাধ্যমিক) নীতিনচন্দ্র দাস বলেন, জেলাজুড়ে প্রায় ২০ হাজার পড়ুয়াকে ট্যাব কেনার টাকা দেওয়া হয়েছে। সেই বিল বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিতে হবে। পড়ুয়ারা ভুয়ো বিল দিচ্ছে কিনা যাচাই করা সম্ভব নয়। তবুও বিষয়টির উপর নজর রাখা হচ্ছে।
বিল বানিয়ে দিতে তারা প্রত্যেক পড়ুয়ার কাছ থেকে নিচ্ছে পাঁচশো থেকে হাজার টাকা করে। কিছু ব্যবসায়ী পুরনো মোবাইলের আইএমইআই নম্বর বসিয়ে বিল দিচ্ছেন। সেটাই স্কুলে জমা দিচ্ছে পড়ুয়ারা।
বালুরঘাটের এক মোবাইল ব্যবসায়ী শঙ্কর সরকার বলেন, কয়েকদিন ধরে আমার দোকানে অনেক পড়ুয়া ভুয়ো বিল চাইতে আসছে। কিন্তু জিএসটি দিতে হয় বলে আমাদের পক্ষে এসব করা সম্ভব নয়। যাঁদের জিএসটি দিতে হয় না, তাঁদের কোনও অসুবিধা হবে না।
রাজ্য সরকারের তরুণের স্বপ্ন প্রকল্পে ট্যাব বা স্মার্টফোন কিনে আইএমইআই নম্বর জমা করা বাধ্যতামুলক হওয়ার পর থেকেই সমস্যা বেড়েছে। ওই নম্বর রাজ্য সরকারের পোর্টালে আপলোড করতে হয় স্কুল কর্তৃপক্ষকে। ফলে বিল জমা দিতেই হবে পড়ুয়াকে।
জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক (মাধ্যমিক) নীতিনচন্দ্র দাস বলেন, জেলাজুড়ে প্রায় ২০ হাজার পড়ুয়াকে ট্যাব কেনার টাকা দেওয়া হয়েছে। সেই বিল বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিতে হবে। পড়ুয়ারা ভুয়ো বিল দিচ্ছে কিনা যাচাই করা সম্ভব নয়। তবুও বিষয়টির উপর নজর রাখা হচ্ছে।



