Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ট্যাব কাণ্ডের পর ভেজাল সারের কারবারে জড়াচ্ছে চোপড়ার নাম

ট্যাব কাণ্ডের পর ভেজাল সারের কারবারে জড়াচ্ছে চোপড়ার নাম
  • ৪ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, ইসলামপুর: জেলার চা বলয় হিসেবে পরিচিত চোপড়া ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে বাগান। সেখানে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে আগে দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্য ছিল। আধার, বায়োমেট্রিক, ট্যাবের টাকা জালিয়াতির পর এবার ভেজাল সারের কারবারে চোপড়ার নাম উঠে আসছে।
Advertisement
উত্তর দিনাজপুর জেলায় বাংলাদেশ সীমান্ত ঘেঁষা দাসপাড়া, লালবাজার ও লক্ষ্মীপুর সহ বিভিন্ন এলাকায় এই চক্র সক্রিয় বলে অভিযোগ। 
জেলা কৃষি দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, নুনের সঙ্গে রাসায়নিক মিশিয়ে ভেজাল সার তৈরি হচ্ছে। পাশাপাশি কম দামের সারের বস্তা থেকে সার বের করে নামি কোম্পানির বস্তায় সেই সার ভরে দেদার বিক্রি হচ্ছে। মূলত এই দুই পদ্ধতিতেই চলছে ভেজালের কারবার। পুলিসের অভিযান থেকে বাঁচতে গোপন জায়গায় করা হয়েছে গোডাউন। সেই সঙ্গে প্রচুর সংখ্যায় লোক মোতায়েন করা থাকছে, যাতে কেউ সহজে হানা দেওয়ার সাহস না করে। সম্প্রতি গোয়ালপোখরে পুলিস অভিযান চালিয়ে ৮০ বস্তা ভেজাল সার উদ্ধার করেছে। সেখানে একটি বাড়ির ভিতর ভেজাল সারের প্যাকিং চলছিল। রবি মরশুম শুরু হতেই কৃষিতে রাসায়নিক সারের চাহিদা বেড়েছে। এই সুযোগটাই ভেজাল কারবারিরা কাজে লাগাচ্ছে।
জেলা কৃষি আধিকারিক (ডেপুটি ডিরেক্টর) প্রিয়নাথ দাস বলেন, জেলাজুড়ে ভেজাল সার ও কালোবাজারির বিরুদ্ধে লাগাতার অভিযান চালাচ্ছি। সার ব্যবসায়ীদের দোকানে গিয়ে মজুত সার জলে গুলে কিংবা অন্যান্য পদ্ধতির মাধ্যমে পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। সারের কালোবাজারি যাতে না হয়, সেজন্য ব্যবসায়ীদের স্টক মিলিয়ে দেখছি। চোপড়ার দাসপাড়া সহ অন্যান্য এলাকায় ভেজাল সারের কারবার চলছে বলে খবর পেয়েছি। এবিষয়ে ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। শীঘ্রই অভিযান হবে।
কারবারিরা পার্শ্ববর্তী ব্লক, জেলা এবং সংলগ্ন বিহারেও পাচার করতে পারে বলে মনে করছেন আধিকারিকেরা। বাসিন্দারা বলছেন, কৃষি জমিতে ভেজাল সার প্রযোগ করলে ফলন কমে যাওয়ার পাশাপাশি মাটিও খারাপ হবে। তাই ভেজাল সারের কারবারিদের নেটওয়ার্ক নষ্ট করতে প্রশাসনকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। 
সম্পর্কিত সংবাদ