নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ: ট্যাবের টাকা গায়েবের ঘটনার তদন্তে নেমে ফের সাফল্য পেল পুলিস। উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুর কাজিবস্তি এলাকা থেকে সাবির আলম নামে এক কৃষককে গ্রেপ্তার করেছে বিশেষ তদন্তকারী দল। এনিয়ে ট্যাব কাণ্ডে মালদহ জেলায় দায়ের হওয়ায় অভিযোগের ভিত্তিতে দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হল। সোমবার রাতে ইসলামপুর জেলা পুলিসের সঙ্গে যৌথ অভিযান চালিয়ে বাড়ি থেকে সাবিরকে গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার ধৃতকে মালদহ সিজেএম আদালতে পেশ করে হেফাজতে নিয়েছে বিশেষ তদন্তকারী দল। শুরু হওয়ার পর সবমিলিয়ে তদন্ত শুধুমাত্র ইসলামপুর থেকেই ট্যাব কাণ্ডে মোট তিনজনকে গ্রেপ্তার করল পুলিস।
Advertisement
তদন্তকারীদের সূত্রে জানা গিয়েছে, সাবিরের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে মালদহের হবিবপুর ব্লকের কেন্দপুকুর হাইস্কুলের এক পড়ুয়ার ট্যাব কেনার টাকা জমা হয়। শুধু তাই নয়, সেই টাকা দ্রুত তুলেও নেওয়া হয়েছে। জেরার সময় সাবিরের কাছ থেকে আরও একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। সে নাকি কমিশনের ভিত্তিতে অন্য এক ব্যক্তিকে নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ভাড়া দিয়েছিল।
যদিও সাবিরের স্ত্রীর দাবি, ওই জেলার গোয়ালপোখর থানার বড়বিল্লা এলাকার একজন তাঁর স্বামীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকিয়েছে। এমনকী অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকতেই ওই ব্যক্তি তা তুলে নেয় বলে সাবিরের স্ত্রী জানান। এই দাবি কতটা সত্যি,তা খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা।
এদিকে ট্যাব কেলেঙ্কারির তদন্তে নেমে একের পর এক ধরপাকড় এবং তদন্তের ফলে একটা বিষয় স্পষ্ট হয়েছে, টাকা গায়েবের ঘটনায় চক্রের পান্ডারা বিভিন্ন এলাকায় ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ভাড়া নিয়ে এই জালিয়াতি করেছে। এক্ষেত্রে তারা মুলত টার্গেট করেছে আর্থিকভাবে দুঃস্থদের। অল্প কিছু টাকার টোপ দিয়ে অ্যাকাউন্ট ভাড়া নেওয়ার পর প্রতারণার জাল ছড়িয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায়।
যদিও সাবিরের স্ত্রীর দাবি, ওই জেলার গোয়ালপোখর থানার বড়বিল্লা এলাকার একজন তাঁর স্বামীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকিয়েছে। এমনকী অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকতেই ওই ব্যক্তি তা তুলে নেয় বলে সাবিরের স্ত্রী জানান। এই দাবি কতটা সত্যি,তা খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা।
এদিকে ট্যাব কেলেঙ্কারির তদন্তে নেমে একের পর এক ধরপাকড় এবং তদন্তের ফলে একটা বিষয় স্পষ্ট হয়েছে, টাকা গায়েবের ঘটনায় চক্রের পান্ডারা বিভিন্ন এলাকায় ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ভাড়া নিয়ে এই জালিয়াতি করেছে। এক্ষেত্রে তারা মুলত টার্গেট করেছে আর্থিকভাবে দুঃস্থদের। অল্প কিছু টাকার টোপ দিয়ে অ্যাকাউন্ট ভাড়া নেওয়ার পর প্রতারণার জাল ছড়িয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায়।



