নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ: ট্যাবের টাকা নিয়ে অনিয়মে এবার জড়িয়ে গেল রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের গ্রাহক সেবাকেন্দ্রের নাম। ইন্টারনেট ক্যাফের পর গোয়েন্দাদের আতশ কাচের তলায় ব্যাঙ্কের একাংশ সিএসপি। যে বিষয়টি এখন ভাবাচ্ছে ব্যাঙ্ক কর্তাদেরকেও। ট্যাবকাণ্ডে প্রত্যন্ত গ্রামের গ্রাহক সেবাকেন্দ্রের নাম জড়াতেই নতুন তথ্য পাওয়ার আশায় তদন্তকারীরা। ট্যাবকাণ্ডে সিএসপি যোগ মেলায় তড়িঘড়ি ব্যাঙ্ক ম্যানেজারদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।
Advertisement
ট্যাবকাণ্ডে বৃহস্পতিবার রাত এগারোটায় সুব্রত বসাক (২৬) নামে আরও এক যুবক গ্রেপ্তার হন। এনিয়ে মালদহ জেলা থেকে মোট ছয়জনকে গ্রেপ্তার করল পুলিস।
রাতেই ধৃতকে নিয়ে রওনা হয় পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পুলিস। গাড়িতে তোলার সময় ধৃত সুব্রত বলেন, সব ট্যাবের টাকা ঢুকেছে কাস্টমারের অ্যাকাউন্টে।
বৈষ্ণবনগরে সুব্রতর একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের সিএসপি রয়েছে। এর আগেও রকি শেখ, শ্রবণ সরকারদের সঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে আটক করেছিল বৈষ্ণবনগর থানার পুলিস। বাকিদের গ্রেপ্তার করলেও সেসময় তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার রাতে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার বিকেলে সরকারি এবং বেসরকারি মিলিয়ে মোট সাতটি ব্যাঙ্কের ম্যানেজারদের সঙ্গে বৈঠকে বসে পুলিস। সেখানে শিক্ষাদপ্তরের আধিকারিকরাও ছিলেন। যে ১৯৩ টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ছাত্রছাত্রীদের ট্যাব কেনার টাকা ঢুকেছে সেই অ্যাকাউন্টগুলি কাদের তা চিহ্নিত করার নির্দেশ দেওয়া হয় বৈঠকে। মালদহ জেলার লিড ব্যাঙ্ক ম্যানেজার অমিতাভ কীর্তনিয়া বলেন, পুলিস প্রশাসনের তরফে একটি বৈঠক ডাকা হয়। যেখানে নির্দিষ্ট কিছু নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
১৯৩ টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মধ্যে ইতিমধ্যে ১৯০ টি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে। তিনটি অ্যাকাউন্ট এখনও ফ্রিজ করা সম্ভব হয়নি বলে লিড ব্যাঙ্ক ম্যানেজার জানান।
জানা গিয়েছে, ওই তিনটি অ্যাকাউন্টের মধ্যে একটি অ্যাকাউন্ট বেসরকারি ব্যাঙ্কের। বাকি দুটো অ্যাকাউন্টের আইএফএসসি কোড সঠিক থাকলেও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বরে গোলমাল আছে। ফলে ওই দুটি অ্যাকাউন্ট এখনও চিহ্নিত করা যাচ্ছে না।
রাতেই ধৃতকে নিয়ে রওনা হয় পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পুলিস। গাড়িতে তোলার সময় ধৃত সুব্রত বলেন, সব ট্যাবের টাকা ঢুকেছে কাস্টমারের অ্যাকাউন্টে।
বৈষ্ণবনগরে সুব্রতর একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের সিএসপি রয়েছে। এর আগেও রকি শেখ, শ্রবণ সরকারদের সঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে আটক করেছিল বৈষ্ণবনগর থানার পুলিস। বাকিদের গ্রেপ্তার করলেও সেসময় তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার রাতে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার বিকেলে সরকারি এবং বেসরকারি মিলিয়ে মোট সাতটি ব্যাঙ্কের ম্যানেজারদের সঙ্গে বৈঠকে বসে পুলিস। সেখানে শিক্ষাদপ্তরের আধিকারিকরাও ছিলেন। যে ১৯৩ টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ছাত্রছাত্রীদের ট্যাব কেনার টাকা ঢুকেছে সেই অ্যাকাউন্টগুলি কাদের তা চিহ্নিত করার নির্দেশ দেওয়া হয় বৈঠকে। মালদহ জেলার লিড ব্যাঙ্ক ম্যানেজার অমিতাভ কীর্তনিয়া বলেন, পুলিস প্রশাসনের তরফে একটি বৈঠক ডাকা হয়। যেখানে নির্দিষ্ট কিছু নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
১৯৩ টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মধ্যে ইতিমধ্যে ১৯০ টি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে। তিনটি অ্যাকাউন্ট এখনও ফ্রিজ করা সম্ভব হয়নি বলে লিড ব্যাঙ্ক ম্যানেজার জানান।
জানা গিয়েছে, ওই তিনটি অ্যাকাউন্টের মধ্যে একটি অ্যাকাউন্ট বেসরকারি ব্যাঙ্কের। বাকি দুটো অ্যাকাউন্টের আইএফএসসি কোড সঠিক থাকলেও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বরে গোলমাল আছে। ফলে ওই দুটি অ্যাকাউন্ট এখনও চিহ্নিত করা যাচ্ছে না।



