নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ ও সংবাদদাতা চোপড়া: সাইবার জালিয়াতদের চক্করে বারবার সংবাদ শিরোনামে উঠে আসছে চোপড়ার চা বাগান ও ধানখেত ঘেরা বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী গ্রাম ঘিরনিগাঁওয়ের। ট্যাব কেলেঙ্কারিকাণ্ডে এখনও পর্যন্ত উত্তর দিনাজপুর জেলা থেকে ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে একাধিক জেলার পুলিস। তার মধ্যে ঘিরনিগাঁও এলাকারই ১০ জন।
Advertisement
পূর্ব মেদিনীপুর, কলকাতা, মালদহ, কালিম্পংয়ের পর বুধবার চোপড়া ও ইসলামপুর এলাকায় অভিযান চালায় হাওড়া ও ঝাড়গ্রামের পুলিস। দুই জায়গা থেকেই বুধবার দু’জনকে ধরা হয়েছে। ঝাড়গ্রাম পুলিস এদিন চোপড়ার দাসপাড়া বাসস্ট্যান্ড থেকে গ্রেপ্তার করেছে ওমর ফারুখকে (২৩)। দ্বিতীয়জন জুলফিকার আলি (৫০) গ্রেপ্তার হয়েছেন ইসলামপুর থানা সংলগ্ন এলাকা থেকে। তাঁকে ধরেছে হাওড়া পুলিস।
ইসলামপুর পুলিস সূত্রে খবর,তমলুকে ট্যাব কাণ্ডে ধৃত মনসুর আলমের সঙ্গে জুলফিকার আলির সম্পর্ক রয়েছে। জুলফিকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি অন্যের ব্যাঙ্কে টাকা ট্রান্সফারে অভিযুক্ত। একই অভিযোগ ফারুখের বিরুদ্ধেও। ইসলামপুর মহকুমা আদালতের সরকারি আইনজীবী সঞ্জয় ভাওয়াল বলেন, দু’জনকেই দু’দিনের ট্রানজিট রিমান্ডে সংশ্লিষ্ট দুই জেলার পুলিস নিয়ে যাচ্ছে।
এদিকে একের পর এক প্রতারণায় এলাকার ছেলেরা জড়িয়ে পড়ায় বিব্রত ঘিরনিগাঁও গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার সুশীল সমাজ। তাঁদের বক্তব্য, কিছু প্রতারকের জন্য এলাকার সুনাম নষ্ট হয়েছে। প্রতারকদের বিরুদ্ধে নিন্দার ভাষা নেই। একসময় ঝাড়খণ্ডের জামতাড়ায় শুরু হয়েছিল সিমকার্ড, মোবাইল নম্বর দিয়ে টাকা হাতানোর চক্র। ডিজিটাল প্রতারণাকে তারা এখন কার্যত শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছে। এই জায়গার নাম শুনলেই জনসাধারণের মনে ভেসে ওঠে প্রতারণার কথা। এমন একটা জায়গার সঙ্গে ঘিরনিগাঁওয়ের তুলনা শুরু হওয়ায় স্বাভাবিকভাবে বিব্রত হতে হচ্ছে বাসিন্দাদের। জেলার ইসলামপুর মহকুমার চোপড়া ব্লকের চা ও আনারস চাষের জন্য যথেষ্ট খ্যাতি আছে। এই দু’ধরনের চাষ সহ সাধারণ কৃষিকাজে যুক্ত মানুষজনের সংখ্যাই বেশি। এই ব্লকের বাংলাদেশ সীমানা লাগোয়া গ্রাম ঘিরনিগাঁও। যেখানে সীমান্তঘেঁষা গ্রামগুলিতে এখনও ফোনের টাওয়ার নেই। স্বাভাবিক উপায়ে ইন্টারনেটও কাজ করে না। এমন একটা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় গত কয়েক বছর প্রযুক্তিনির্ভর প্রতারণার জাল বিস্তার করেছে।
ইসলামপুর পুলিস সূত্রে খবর,তমলুকে ট্যাব কাণ্ডে ধৃত মনসুর আলমের সঙ্গে জুলফিকার আলির সম্পর্ক রয়েছে। জুলফিকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি অন্যের ব্যাঙ্কে টাকা ট্রান্সফারে অভিযুক্ত। একই অভিযোগ ফারুখের বিরুদ্ধেও। ইসলামপুর মহকুমা আদালতের সরকারি আইনজীবী সঞ্জয় ভাওয়াল বলেন, দু’জনকেই দু’দিনের ট্রানজিট রিমান্ডে সংশ্লিষ্ট দুই জেলার পুলিস নিয়ে যাচ্ছে।
এদিকে একের পর এক প্রতারণায় এলাকার ছেলেরা জড়িয়ে পড়ায় বিব্রত ঘিরনিগাঁও গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার সুশীল সমাজ। তাঁদের বক্তব্য, কিছু প্রতারকের জন্য এলাকার সুনাম নষ্ট হয়েছে। প্রতারকদের বিরুদ্ধে নিন্দার ভাষা নেই। একসময় ঝাড়খণ্ডের জামতাড়ায় শুরু হয়েছিল সিমকার্ড, মোবাইল নম্বর দিয়ে টাকা হাতানোর চক্র। ডিজিটাল প্রতারণাকে তারা এখন কার্যত শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছে। এই জায়গার নাম শুনলেই জনসাধারণের মনে ভেসে ওঠে প্রতারণার কথা। এমন একটা জায়গার সঙ্গে ঘিরনিগাঁওয়ের তুলনা শুরু হওয়ায় স্বাভাবিকভাবে বিব্রত হতে হচ্ছে বাসিন্দাদের। জেলার ইসলামপুর মহকুমার চোপড়া ব্লকের চা ও আনারস চাষের জন্য যথেষ্ট খ্যাতি আছে। এই দু’ধরনের চাষ সহ সাধারণ কৃষিকাজে যুক্ত মানুষজনের সংখ্যাই বেশি। এই ব্লকের বাংলাদেশ সীমানা লাগোয়া গ্রাম ঘিরনিগাঁও। যেখানে সীমান্তঘেঁষা গ্রামগুলিতে এখনও ফোনের টাওয়ার নেই। স্বাভাবিক উপায়ে ইন্টারনেটও কাজ করে না। এমন একটা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় গত কয়েক বছর প্রযুক্তিনির্ভর প্রতারণার জাল বিস্তার করেছে।



