নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: আধার এনেবেলড পেমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমেই ট্যাবের টাকা গায়েব! ট্যাব কাণ্ডে সিএসপি’র এজেন্ট গ্রেপ্তারের পরই এমন অনুমান করছে শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিস। এদিকে, ট্যাব কাণ্ড নিয়ে আরও একটি অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, শিলিগুড়ির একটি বালিকা বিদ্যালয়ের ছয় ছাত্রীর অ্যাকাউন্ট থেকে ট্যাবের টাকা গায়েব হয়েছে। এনিয়ে এখন পর্যন্ত ছ’টি স্কুল থেকে অভিযোগ হয়েছে। গোটা ঘটনা নিয়ে স্কুল ও অভিভাবকদের মধ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ট্যাব কাণ্ডে মালদহের বৈষ্ণবনগর থেকে সিএসপি এজেন্ট মনোজ চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করেছে শিলিগুড়ি পুলিস। আদালতের নির্দেশে ধৃত এখন পুলিস হেফাজতে। পুলিস সূত্রেই খবর, ধৃতের সিএসপি’র মাধ্যমে বেশকিছু ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে। সেসব অ্যাকাউন্ট সম্পর্কে সেখানকার বাসিন্দারা অন্ধকারে রয়েছেন। সেসব অ্যাকাউন্টেই পাঠানো হয়েছে শিলিগুড়ির স্কুলের ট্যাবের টাকা। সম্ভবত আধার এনেবেলড পেমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমেই সেই টাকা হাতানো হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।
Advertisement
কীভাবে এই প্রতারণা? পুলিস অফিসারদের একাংশ জানান, বায়োমেট্রিক চুরি করে এ ধরনের প্রতারণা করা সম্ভব। বর্তমানে বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি পরিষেবা নিতে গেলে আধার কার্ডের নম্বর ও বায়োমেট্রিক ব্যবহার করা হচ্ছে। সম্ভবত সেখান থেকেই বায়োমেট্রিক ও আধার কার্ডের নম্বর হাতিয়েছে প্রতারকরা। আবার বিভিন্ন ব্যাঙ্কের সিএসপিগুলি গ্রামবাসীদের ভুল বুঝিয়ে কিংবা কমিশনের টোপ দিয়ে আধার নম্বর ও বায়োমেট্রিক হাতিয়ে নিয়ে অ্যাকাউন্ট ভাড়া নিচ্ছে। কিংবা অন্যের নামে অ্যাকাউন্ট খুলছে। অথবা গ্রামবাসীদের না জানিয়েই তাঁদের নামে খোলা হচ্ছে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট। সেগুলিতেই ট্যাবের টাকা ঢুকেছে। বেশ কয়েকজন সিএসপি এজেন্ট গ্রেপ্তার হওয়ার পর পুলিস ও গোয়েন্দাদের ওই সন্দেহ আরও তীব্র হয়েছে। শিলিগুড়ির ডেপুটি পুলিস কমিশনার (পূর্ব) রাকেশ সিং অবশ্য বলেন, ট্যাব কাণ্ড নিয়ে তদন্ত চলছে। আধার এনেবেলড পেমেন্ট সিস্টেম এই প্রতারণায় ব্যবহার করা হয়েছে কি না খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
অন্যদিকে, শিলিগুড়ির একটি বালিকা বিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের ট্যাবের টাকাও উধাও হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ইতিমধ্যেই স্কুল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিয়ে পুলিসের কাছে অভিযোগ করেছে। অভিযোগ, স্কুলের ছ’জন ছাত্রীর ট্যাবের টাকা তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পড়েনি। সেই টাকা অন্য অ্যাকাউন্টে গিয়েছে। শিলিগুড়ির ডেপুটি পুলিস কমিশনার (পূর্ব) বলেন, ওই অভিযোগ নিয়ে সাইবার ক্রাইম থানা নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করেছে। যে অ্যাকাউন্টগুলিতে টাকা ঢুকেছে, সেগুলি ফ্রিজ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, শিলিগুড়ির একটি বালিকা বিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের ট্যাবের টাকাও উধাও হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ইতিমধ্যেই স্কুল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিয়ে পুলিসের কাছে অভিযোগ করেছে। অভিযোগ, স্কুলের ছ’জন ছাত্রীর ট্যাবের টাকা তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পড়েনি। সেই টাকা অন্য অ্যাকাউন্টে গিয়েছে। শিলিগুড়ির ডেপুটি পুলিস কমিশনার (পূর্ব) বলেন, ওই অভিযোগ নিয়ে সাইবার ক্রাইম থানা নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করেছে। যে অ্যাকাউন্টগুলিতে টাকা ঢুকেছে, সেগুলি ফ্রিজ করা হয়েছে।



