নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: ট্যাবের টাকা প্রতারণার ‘এপিসেন্টার’ উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া। শুধু এই শিক্ষাবর্ষ নয়, এর আগেও প্রতারকরা ‘তরুণের স্বপ্ন’ প্রকল্পের টাকা হাতিয়েছে। সেই বছরগুলিতে অল্প সংখ্যক পড়ুয়ার টাকা হাতানো হয়েছিল। থানায় অভিযোগও হয়নি। সেকারণে বিষয়টি নিয়ে তেমন হইচই হয়নি। কিন্তু এবছর একসঙ্গে অনেক পড়ুয়ার টাকা তুলে নিতেই হইচই শুরু হয়ে যায়।
Advertisement
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, চোপড়া এরাজ্যের জামতাড়া হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন ধরনের সাইবার প্রতারণা এখান থেকে করা হচ্ছে। তবে এখানকার প্রতারকদের ‘পথপ্রদর্শক’ ঝাড়খণ্ডের জামতাড়া। এক পুলিস আধিকারিক বলেন, চোপড়ার প্রতারকরাই রাজ্যের সবচেয়ে বেশি পড়ুয়ার অ্যাকাউন্ট সাফ করছে। মালদহের বৈষ্ণবনগরের সাইবার গ্যাংটি দু’বছর ধরে তৈরি হয়েছে। এই গ্যাংয়ের ‘লিডার’ রকি এবং হাসেম। হাসেম বহুদিন ধরেই অনলাইন প্রতারণায় সিদ্ধহস্ত। সে এর আগে অন্য প্রকল্পের টাকাও হাতানোর চেষ্টা করেছিল। সফল হয়নি। ট্যাব কেলেঙ্কারিতে তাকে রকি তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেছিল। ‘বাংলার শিক্ষা’ পোর্টালের পাসওয়ার্ড সে সরবরাহ করেছিল। এছাড়া প্রতিটি স্কুলের আলাদা কোড থাকে। সেটাও সে সরবরাহ করেছিল। হাসেম ও রকির সঙ্গে উত্তর দিনাজপুরের প্রতারকদেরও যোগাযোগ রয়েছে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, সাইবার প্রতারণা করার জন্য বেনামে বহু ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট দরকার হয়। সেই অ্যাকাউন্টগুলিতেই টাকা জমা হয়। চোপড়ার প্রতারকরা বেনামে অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য রাজমিস্ত্রির জোগানদার, দিনমজুরদের টার্গেট করেছিল। তাদের নথি নিয়ে ভুল বুঝিয়ে অ্যাকাউন্ট খোলা হয়। কারও কারও অ্যাকাউন্ট টাকার বিনিময়ে তারা ভাড়া নিয়েছিল। লোভে পড়ে তারা অ্যাকাউন্ট নম্বর দিয়েছিল। প্রতারণার টাকা জমা পড়ার পর সেই অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলাও হয়েছে। সেকারণে পুলিস কয়েকজন অ্যাকাউন্ট মালিককে গ্রেপ্তার করেছে। তারা সরাসরি সাইবার প্রতরণার সঙ্গে যুক্ত না থাকলেও মদত দিয়েছিল।
পুলিস পিন্টু শেখ নামে রাজমিস্ত্রির এক জোগানদারকে গ্রেপ্তার করেছে। তার অ্যাকাউন্টে কয়েক হাজার টাকা জমা পড়েছিল। সেই টাকা তুলেও নেওয়া হয়। রাজমিস্ত্রির জোগানদারও কিছু টাকা পেয়েছিল। তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার মতো আরও অনেকেই প্রতারকদের জালে জড়িয়েছে। আর এক পুলিস আধিকারিক বলেন, আগামী দিনে চোপড়া মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠতে চলেছে। এখানকার প্রতারকরা বিভিন্ন ধরনের সাইবার প্রতারণায় যুক্ত হয়ে গিয়েছে। টাকা হাতানোর জন্য তারা ঝাড়খণ্ড ও বিহারের বহু ব্যক্তির অ্যাকাউন্ট ভাড়া নিয়েছে। তরুণের স্বপ্ন প্রকল্পের টাকা হাতানোর কাজে দু’বছর আগেই এখানকার প্রতারকরা ময়দানে নেমেছিল। তখন অনেকটা চুপিসাড়ে কাজ সারে। এবার একসঙ্গে মোটা অঙ্কের টাকা হাতাতে গিয়েই তারা নজরে চলে আসে। পুলিস এখনও পর্যন্ত উত্তর দিনাজপুর থেকে ছ’জনকে গ্রেপ্তার করেছে। আরও অনেকের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুর, কলকাতা, দক্ষিণ ২৪পরগনা, পূর্ব বর্ধমান সহ বিভিন্ন জেলার পুলিসের নজর এখন চোপড়ার দিকে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, সাইবার প্রতারণা করার জন্য বেনামে বহু ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট দরকার হয়। সেই অ্যাকাউন্টগুলিতেই টাকা জমা হয়। চোপড়ার প্রতারকরা বেনামে অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য রাজমিস্ত্রির জোগানদার, দিনমজুরদের টার্গেট করেছিল। তাদের নথি নিয়ে ভুল বুঝিয়ে অ্যাকাউন্ট খোলা হয়। কারও কারও অ্যাকাউন্ট টাকার বিনিময়ে তারা ভাড়া নিয়েছিল। লোভে পড়ে তারা অ্যাকাউন্ট নম্বর দিয়েছিল। প্রতারণার টাকা জমা পড়ার পর সেই অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলাও হয়েছে। সেকারণে পুলিস কয়েকজন অ্যাকাউন্ট মালিককে গ্রেপ্তার করেছে। তারা সরাসরি সাইবার প্রতরণার সঙ্গে যুক্ত না থাকলেও মদত দিয়েছিল।
পুলিস পিন্টু শেখ নামে রাজমিস্ত্রির এক জোগানদারকে গ্রেপ্তার করেছে। তার অ্যাকাউন্টে কয়েক হাজার টাকা জমা পড়েছিল। সেই টাকা তুলেও নেওয়া হয়। রাজমিস্ত্রির জোগানদারও কিছু টাকা পেয়েছিল। তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার মতো আরও অনেকেই প্রতারকদের জালে জড়িয়েছে। আর এক পুলিস আধিকারিক বলেন, আগামী দিনে চোপড়া মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠতে চলেছে। এখানকার প্রতারকরা বিভিন্ন ধরনের সাইবার প্রতারণায় যুক্ত হয়ে গিয়েছে। টাকা হাতানোর জন্য তারা ঝাড়খণ্ড ও বিহারের বহু ব্যক্তির অ্যাকাউন্ট ভাড়া নিয়েছে। তরুণের স্বপ্ন প্রকল্পের টাকা হাতানোর কাজে দু’বছর আগেই এখানকার প্রতারকরা ময়দানে নেমেছিল। তখন অনেকটা চুপিসাড়ে কাজ সারে। এবার একসঙ্গে মোটা অঙ্কের টাকা হাতাতে গিয়েই তারা নজরে চলে আসে। পুলিস এখনও পর্যন্ত উত্তর দিনাজপুর থেকে ছ’জনকে গ্রেপ্তার করেছে। আরও অনেকের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুর, কলকাতা, দক্ষিণ ২৪পরগনা, পূর্ব বর্ধমান সহ বিভিন্ন জেলার পুলিসের নজর এখন চোপড়ার দিকে।



