নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: ট্যাব কেলেঙ্কারির পুনরাবৃত্তি যাতে ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পে না হয় তারজন্য আঁটঘাট বাধছে নবান্ন। এই প্রকল্পে উপভোক্তাদের নামের তালিকা প্রশাসন তৈরি করেছে। তা বিডিও, এসডিও এবং ডিএম অফিসে টাঙনো হচ্ছে। আরও কয়েক ধাপ পর তালিকা চূড়ান্ত হবে। ডিসেম্বর মাস থেকেই টাকা দেওয়া হবে। প্রতারকরা যাতে কোনওভাবেই পোর্টালে অ্যাকসেস নিতে না পারে তা দেখার জন্য বলা হয়েছে।
Advertisement
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, উপভোক্তাদের নাম, অ্যাকাউন্ট নম্বর এবং মেবাইল নম্বর খতিয়ে দেখার জন্য একটি টিম তৈরি করা হয়েছে। তারা একাধিকবার তা যাচাই করবে। কোথাও ‘মিসম্যাচ’ হলে সঙ্গে সঙ্গেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সম্প্রতি প্রতিটি জেলায় গাইডলাইনে বলা হয়েছে, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর সবথেকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। তরুণের স্বপ্ন প্রকল্পে প্রতারকরা অ্যাকাউন্টে অ্যাকসেস নিয়ে অ্যাকাউন্ট নম্বর বদলে দিয়েছিল। পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক আয়েশা রানি এ বলেন, একাধিকবার সমীক্ষা করে তালিকা তৈরি হয়েছে। তা আরও কয়েক ধাপে যাচাই করা হবে।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ডিসপ্লে বোর্ডে দেওয়া উপভোক্তাদের তালিকা দেখে যে কেউ মতামত জানাতে পারেন। কোনও অযোগ্য উপভোক্তার নাম তালিকায় থাকলে সরিয়ে দেওয়া হবে। ৫ ডিসেম্বরের মধ্যে তালিকা গ্রাম সভায় পাশ করতে হবে। সেখানেও গ্রামের বাসিন্দারা মতামত জানাতে পারবেন। এক আধিকারিক বলেন, ২০১৮ সালে তৈরি তালিকা যাচাই করা হয়েছে। বহু পরিবারের মাটির বাড়ি রয়েছে। তাদের নাম তালিকায় ছিল না। সেই কারণে তারা এবার বাড়ি পাবে না। তবে পরবর্তী সময়ে সমীক্ষার পর তাদের নাম তালিকায় তোলা হবে। কেন্দ্রীয় সরকার টাকা না দেওয়ার কারণেই তারা এখনও মাটির বাড়িতেই থাকছে। চূড়ান্ত তালিকায় থাকা উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে ১৫ ডিসেম্বর থেকে টাকা পাঠানো শুরু হবে। ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রথম কিস্তির টাকা দেওয়া শেষ হয়ে যাবে। তার আগে অ্যাকাউন্ট যাচাইয়ে আধিকারিকরা জোর দিয়েছেন।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ডিসপ্লে বোর্ডে দেওয়া উপভোক্তাদের তালিকা দেখে যে কেউ মতামত জানাতে পারেন। কোনও অযোগ্য উপভোক্তার নাম তালিকায় থাকলে সরিয়ে দেওয়া হবে। ৫ ডিসেম্বরের মধ্যে তালিকা গ্রাম সভায় পাশ করতে হবে। সেখানেও গ্রামের বাসিন্দারা মতামত জানাতে পারবেন। এক আধিকারিক বলেন, ২০১৮ সালে তৈরি তালিকা যাচাই করা হয়েছে। বহু পরিবারের মাটির বাড়ি রয়েছে। তাদের নাম তালিকায় ছিল না। সেই কারণে তারা এবার বাড়ি পাবে না। তবে পরবর্তী সময়ে সমীক্ষার পর তাদের নাম তালিকায় তোলা হবে। কেন্দ্রীয় সরকার টাকা না দেওয়ার কারণেই তারা এখনও মাটির বাড়িতেই থাকছে। চূড়ান্ত তালিকায় থাকা উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে ১৫ ডিসেম্বর থেকে টাকা পাঠানো শুরু হবে। ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রথম কিস্তির টাকা দেওয়া শেষ হয়ে যাবে। তার আগে অ্যাকাউন্ট যাচাইয়ে আধিকারিকরা জোর দিয়েছেন।



