Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

দুই যুবককে আটক করে মারধরের অভিযোগ পুলিস, সিভিকের বিরুদ্ধে

দুই যুবককে আটক করে মারধরের অভিযোগ পুলিস, সিভিকের বিরুদ্ধে
  • ৯ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, পতিরাম: বিনা কারণে দুই যুবককে আটক করে মারধরের অভিযোগ উঠল পুলিস ও সিভিক ভলান্টিয়ারের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, দুই যুবককে রাস্তায় সন্দেহজনকভাবে ধরে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, থানাতেও বিনা কারণে আটকে রাখা হয়। যদিও পরে দুজনকেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ছাড়া পেয়েই বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে ওই দুইজন ভর্তি হয়েছেন। এরপরেই পুলিস ও সিভিকের বিরুদ্ধে দাদাগিরি ও মারধরের অভিযোগ তুলেছেন জখম ব্যক্তিরা। তবে কুমারগঞ্জ থানার পাল্টা দাবি, ওই দুই যুবকের বিরুদ্ধে কাফ সিরাফ পাচারের অভিযোগ পেয়ে ক্রেতা সেজে হানা দিয়েছিল পুলিস। তাদের ধরতে গিয়েই ধস্তাধস্তি হয়। দুই যুবককে আটক করা হলেও প্রমাণ না থাকায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে মারধর করা হয়নি বলে পুলিসের দাবি। তবে এনিয়ে থানার কেউই প্রকাশ্যে কিছু জানাতে রাজি হয়নি। দক্ষিণ দিনাজপুরের পুলিস সুপার চিন্ময় মিত্তাল বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে। এনিয়ে কোনও অভিযোগ পাইনি। 

Advertisement

হাসপাতাল সূত্রে খবর, জখম দুজনের নাম সুলতান মাহমুদ মণ্ডল ও সফিকুল মণ্ডল। সুলতানের বাড়ি কুমারগঞ্জের শ্যামনগরে। সফিকুলের বাড়ি কুমারগঞ্জের বেহাতর এলাকায়। অভিযোগ, গত বৃহস্পতিবার রাতে কুমারগঞ্জের ডাঙ্গারহাট এলাকায় তাঁদের অপরিচিত কয়েকজন আটক করে এবং মারধর করে। পরে পুলিস পরিচয় দিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। শুক্রবার সকালে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বিকেলে তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সুলতানের কথায়, শুধুমাত্র সন্দেহের বশে আমাদের মারধর করা হয়েছে। শরীরে প্রচন্ড ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি। আমরা এনিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করব।
জানা গিয়েছে, কুমারগঞ্জ দিয়ে বাংলাদেশে ব্যাপক পাচার হয়। ডাঙ্গারহাট রোড দিয়ে পাচারকারীদের আনাগোনা থাকে। রাতে পুলিসের টহল ছিল। সূত্রের খবর, টহল দেওয়ার সময় দুজনকে আটক করা হয়েছিল। এনিয়ে পুলিস ও দুই যুবকের ঝামেলা বাধে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ